ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৯ দিন ধরে লকডাউন খালিয়াজুরী হাসপাতাল,খাবার হোটেলে চলছে চিকিৎসা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হাসপাতালে কর্মরত একজন সিনিয়র নার্সের শরীরের নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই গত ১০ এপ্রিল শুক্রবার নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর হাসপাতালটি লকডাউন ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। এরপর থেকে গত ১৯ দিন ধরে অস্থায়ীভাবে একটি খাবার হোটেলেই চলছে চিকিৎসা সেবা।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হবার পর পুরো হাসপাতাল লকডাউনে। খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে হাওর মালেক সিটির একটি খাবার হোটেলে চালু করা হয় বহির্বিভাগের চিকিৎসা সেবা। সেখানে বসেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পনেরো দিন ধরে রোগী দেখছেন চিকিৎসকরা। পুরো হাসপাতাল লকডাউনে থাকার জরুরি সেবা থেকে বিরত হচ্ছে অনেক রোগী।

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম আরিফুল ইসলাম জানান, খালিয়াজুরী উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্যসেবার কথা বিবেচনা করে আমরা আপাতত ওই খাবার হোটেলেই চিকিৎসা সেবা চালু করেছি। হাসপাতালের যারা কোয়ারেন্টাইনে আছেন তাদের পুনরায় নমুনা টেস্ট করে লকডাউন খুলে দেয়া হবে।

এদিকে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হলেও লকডাউনের কারণে অভ্যন্তরীণ সেবা (ইনডোর) অর্থাৎ রোগী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। একারণে দুর্গম হাওরের লোকজন স্বাস্থ্যসেবা পেতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

১৯ দিন ধরে লকডাউন খালিয়াজুরী হাসপাতাল,খাবার হোটেলে চলছে চিকিৎসা

আপডেট সময় ০৮:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হাসপাতালে কর্মরত একজন সিনিয়র নার্সের শরীরের নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই গত ১০ এপ্রিল শুক্রবার নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর হাসপাতালটি লকডাউন ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। এরপর থেকে গত ১৯ দিন ধরে অস্থায়ীভাবে একটি খাবার হোটেলেই চলছে চিকিৎসা সেবা।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হবার পর পুরো হাসপাতাল লকডাউনে। খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে হাওর মালেক সিটির একটি খাবার হোটেলে চালু করা হয় বহির্বিভাগের চিকিৎসা সেবা। সেখানে বসেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পনেরো দিন ধরে রোগী দেখছেন চিকিৎসকরা। পুরো হাসপাতাল লকডাউনে থাকার জরুরি সেবা থেকে বিরত হচ্ছে অনেক রোগী।

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম আরিফুল ইসলাম জানান, খালিয়াজুরী উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্যসেবার কথা বিবেচনা করে আমরা আপাতত ওই খাবার হোটেলেই চিকিৎসা সেবা চালু করেছি। হাসপাতালের যারা কোয়ারেন্টাইনে আছেন তাদের পুনরায় নমুনা টেস্ট করে লকডাউন খুলে দেয়া হবে।

এদিকে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হলেও লকডাউনের কারণে অভ্যন্তরীণ সেবা (ইনডোর) অর্থাৎ রোগী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। একারণে দুর্গম হাওরের লোকজন স্বাস্থ্যসেবা পেতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।