ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন রাষ্ট্রপতি জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান সালাহউদ্দিন আহমদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন মোড়, ডাক পেতে পারে বাংলাদেশ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে হাসিনার পরিণতি হবে, হুঁশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার : জ্বালানি উপদেষ্টা বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে-বউয়ের কবর, এই জামিন দিয়ে কী হবে: সাদ্দামের মা কারাবন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তারেক রহমানের জনসভাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার

রেশনিং কার্ডের জন্য রাজধানীর ২০ লাখ দরিদ্র মানুষের তালিকা হচ্ছে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় ২০ লাখ দরিদ্র মানুষের রেশনিং কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। চলতি সপ্তাহের মধ্যে এই তালিকা চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দুই কর্পোরেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন স্ব স্ব আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সহায়তায় দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করছে।

ডিএনসিসি জানায়, ৫৪টি ওয়ার্ডে অন্তত ৯ লাখ দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করছেন তারা। আর ডিএসসিসি জানায়, দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ডিএনসিসির চেয়ে ডিএসসিসি এলাকায় বেশি। সে কারণে ডিএসসিসির সংখ্যাটা বেশিই হবে। আর সেটা হতে পারে ১০-১২ লাখ। দুই কর্পোরেশনের এ তালিকা প্রস্তত হবে চলতি সপ্তাহেই।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে শহর এলাকায় কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য রেশনিং কার্ড চালুর ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে শহর এলাকার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত কার্যক্রম শুরু করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো। প্রাথমিক পর্যায়ে অন্তত ৫০ লাখ শহুরে দরিদ্র মানুষের মাঝে রেশনিং কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী মুহা. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এটুআই-এর সঙ্গে সমন্বয় করে ডিএনসিসি এলাকার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করার কার্যক্রম করছি। আমরা আশা করছি, অন্তত ৯ লাখ হবে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমরা খসড়া তালিকা প্রস্তত করছি, পরবর্তীতে এই তালিকা এটুআই-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কোভিড-১৯ ত্রাণ ব্যবস্থাপনা কমিটির অ্যাপসে সাবমিট করতে হবে। এভাবে তালিকা প্রস্তত হবে।’

এ বিষয়ে ডিএসসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমাদের রেশনিং কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তুতির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংখ্যা কত হবে সেটা এখনো আমরা নিশ্চিত নই। তবে ডিএনসিসি এলাকা থেকে ডিএসসিসি এলাকায় দরিদ্র তুলনামূলক বেশি হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি

রেশনিং কার্ডের জন্য রাজধানীর ২০ লাখ দরিদ্র মানুষের তালিকা হচ্ছে

আপডেট সময় ০৭:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় ২০ লাখ দরিদ্র মানুষের রেশনিং কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। চলতি সপ্তাহের মধ্যে এই তালিকা চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দুই কর্পোরেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন স্ব স্ব আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সহায়তায় দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করছে।

ডিএনসিসি জানায়, ৫৪টি ওয়ার্ডে অন্তত ৯ লাখ দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করছেন তারা। আর ডিএসসিসি জানায়, দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ডিএনসিসির চেয়ে ডিএসসিসি এলাকায় বেশি। সে কারণে ডিএসসিসির সংখ্যাটা বেশিই হবে। আর সেটা হতে পারে ১০-১২ লাখ। দুই কর্পোরেশনের এ তালিকা প্রস্তত হবে চলতি সপ্তাহেই।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে শহর এলাকায় কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য রেশনিং কার্ড চালুর ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে শহর এলাকার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত কার্যক্রম শুরু করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো। প্রাথমিক পর্যায়ে অন্তত ৫০ লাখ শহুরে দরিদ্র মানুষের মাঝে রেশনিং কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী মুহা. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এটুআই-এর সঙ্গে সমন্বয় করে ডিএনসিসি এলাকার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করার কার্যক্রম করছি। আমরা আশা করছি, অন্তত ৯ লাখ হবে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমরা খসড়া তালিকা প্রস্তত করছি, পরবর্তীতে এই তালিকা এটুআই-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কোভিড-১৯ ত্রাণ ব্যবস্থাপনা কমিটির অ্যাপসে সাবমিট করতে হবে। এভাবে তালিকা প্রস্তত হবে।’

এ বিষয়ে ডিএসসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমাদের রেশনিং কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তুতির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংখ্যা কত হবে সেটা এখনো আমরা নিশ্চিত নই। তবে ডিএনসিসি এলাকা থেকে ডিএসসিসি এলাকায় দরিদ্র তুলনামূলক বেশি হবে।’