ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামাসের দুই কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলের হাসিনাকে গুম-খুন নিয়ে প্রশ্ন না করে অনেক সাংবাদিক তৈলমর্দনে ব্যস্ত ছিলেন: কাদের গনি ঢাকায় ফের ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ, যুক্ত হতে পারে বেসরকারি খাত জনগণ আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, কীভাবে আসবেন আসেন: শেখ হাসিনাকে পরওয়ার নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের চট্টগ্রামে ডেভিড ইমনসহ ৫ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের উদ্যোগ ৩.৪ বিলিয়ন ডলারের সেতু নির্মাণের প্রস্তাব জাপানি প্রতিষ্ঠানের রাজধানীর কাঁঠালবাগানে পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্ত্রী-শাশুড়িকে হত্যা পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রেশনিং কার্ডের জন্য রাজধানীর ২০ লাখ দরিদ্র মানুষের তালিকা হচ্ছে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় ২০ লাখ দরিদ্র মানুষের রেশনিং কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। চলতি সপ্তাহের মধ্যে এই তালিকা চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দুই কর্পোরেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন স্ব স্ব আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সহায়তায় দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করছে।

ডিএনসিসি জানায়, ৫৪টি ওয়ার্ডে অন্তত ৯ লাখ দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করছেন তারা। আর ডিএসসিসি জানায়, দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ডিএনসিসির চেয়ে ডিএসসিসি এলাকায় বেশি। সে কারণে ডিএসসিসির সংখ্যাটা বেশিই হবে। আর সেটা হতে পারে ১০-১২ লাখ। দুই কর্পোরেশনের এ তালিকা প্রস্তত হবে চলতি সপ্তাহেই।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে শহর এলাকায় কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য রেশনিং কার্ড চালুর ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে শহর এলাকার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত কার্যক্রম শুরু করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো। প্রাথমিক পর্যায়ে অন্তত ৫০ লাখ শহুরে দরিদ্র মানুষের মাঝে রেশনিং কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী মুহা. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এটুআই-এর সঙ্গে সমন্বয় করে ডিএনসিসি এলাকার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করার কার্যক্রম করছি। আমরা আশা করছি, অন্তত ৯ লাখ হবে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমরা খসড়া তালিকা প্রস্তত করছি, পরবর্তীতে এই তালিকা এটুআই-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কোভিড-১৯ ত্রাণ ব্যবস্থাপনা কমিটির অ্যাপসে সাবমিট করতে হবে। এভাবে তালিকা প্রস্তত হবে।’

এ বিষয়ে ডিএসসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমাদের রেশনিং কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তুতির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংখ্যা কত হবে সেটা এখনো আমরা নিশ্চিত নই। তবে ডিএনসিসি এলাকা থেকে ডিএসসিসি এলাকায় দরিদ্র তুলনামূলক বেশি হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামাসের দুই কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

রেশনিং কার্ডের জন্য রাজধানীর ২০ লাখ দরিদ্র মানুষের তালিকা হচ্ছে

আপডেট সময় ০৭:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় ২০ লাখ দরিদ্র মানুষের রেশনিং কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। চলতি সপ্তাহের মধ্যে এই তালিকা চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দুই কর্পোরেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন স্ব স্ব আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সহায়তায় দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করছে।

ডিএনসিসি জানায়, ৫৪টি ওয়ার্ডে অন্তত ৯ লাখ দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করছেন তারা। আর ডিএসসিসি জানায়, দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ডিএনসিসির চেয়ে ডিএসসিসি এলাকায় বেশি। সে কারণে ডিএসসিসির সংখ্যাটা বেশিই হবে। আর সেটা হতে পারে ১০-১২ লাখ। দুই কর্পোরেশনের এ তালিকা প্রস্তত হবে চলতি সপ্তাহেই।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে শহর এলাকায় কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য রেশনিং কার্ড চালুর ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে শহর এলাকার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত কার্যক্রম শুরু করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো। প্রাথমিক পর্যায়ে অন্তত ৫০ লাখ শহুরে দরিদ্র মানুষের মাঝে রেশনিং কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী মুহা. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এটুআই-এর সঙ্গে সমন্বয় করে ডিএনসিসি এলাকার দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তত করার কার্যক্রম করছি। আমরা আশা করছি, অন্তত ৯ লাখ হবে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমরা খসড়া তালিকা প্রস্তত করছি, পরবর্তীতে এই তালিকা এটুআই-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কোভিড-১৯ ত্রাণ ব্যবস্থাপনা কমিটির অ্যাপসে সাবমিট করতে হবে। এভাবে তালিকা প্রস্তত হবে।’

এ বিষয়ে ডিএসসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমাদের রেশনিং কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে দরিদ্র মানুষের তালিকা প্রস্তুতির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংখ্যা কত হবে সেটা এখনো আমরা নিশ্চিত নই। তবে ডিএনসিসি এলাকা থেকে ডিএসসিসি এলাকায় দরিদ্র তুলনামূলক বেশি হবে।’