ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু

করোনায় দুর্গম ব্যাঙডেবায় ছাত্রলীগের সূর্য সন্তানেরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের রামুর দুর্গম ব্যাঙডেবা গ্রামে জনবসতি শুরু হয় সেই ১৯৪৭ সালে। ৭৩ বছরেও যোগাযোগে পিছিয়ে থাকা এই গহীন গ্রামে করোনায় নিজ কাঁধে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন ছাত্রনেতা এস এম সাদ্দাম।‌

শুধু ব্যাঙডেবায় নয়, জেলা ছাত্রলীগের এই সাংগঠনিক সম্পাদকের নেতৃত্বে গঠিত ছাত্রলীগের মনিটরিং সেল রাতদিন কাজ করছেন করোনা বিদ্ধ কর্মহীন দুস্থ মানুষের সেবায়।

স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে কখনো কাঁধে করে রাতের আঁধারে, কখনো ভ্যানে করে অসচ্ছল, মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন ছাত্র নেতা সাদ্দাম। এছাড়া করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে জরুরি রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রে পারিবারিক জিপটিও ফ্রিতে ব্যবহারের জন্য দিয়েছেন এই ছাত্রনেতা। হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে বিতরণ, মাস্ক বিতরণ এবং গ্রামে গ্রামে জীবাণু নাশক স্প্রে ছিটানোর কার্যক্রমও অব্যাহত রেখেছেন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগে দু’শতাধিক পরিবার এবং “জোয়ারিয়ানালা করোনা সহায়তা” মনিটরিং সেলটির মাধ্যমে এলাকার প্রায় সহস্রাধিক অসহায় পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
তারা ছাত্রলীগের এমন ভূমিকায় বেশ সন্তুষ্ট ও আশাবাদী। ছাত্রলীগের এই সূর্য সন্তানদের দেখে যেন প্রাণ ফিরে পান নিঃস্ব মানুষগুলো। ‌

কক্সবাজারের “জোয়ারিয়ানালা করোনা সহায়তা” মনিটরিং সেলের সদস্যরা দুর্গম পাহাড় ভেদ করে ছুটে যান বাড়ি বাড়ি। উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ সহায়ক হিসেবেও কাজ করছেন তারা। ‌কক্সবাজার ৩নং আসনের সংসদ সদস্য, রামু উপজেলা প্রশাসন, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যান মনিটরিং সেলের এই সদস্যরা। চলাচলের রাস্তা না থাকলেও গহীন অরণ্যে স্থানীয় যুবকদের সাথে নিয়ে প্রায় ২ঘণ্টা কাঁধে বহন করে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সাদ্দামের নেতৃত্বে এই মনিটরিং সেলের সদস্যরা।

প্রথম বারের মতো রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমার সার্বিক তত্ত্বাবধানে জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন প্রিন্স, সিনিয়র সাংবাদিক সুনীল বড়ুয়া, এনএসআই প্রতিনিধি মো. হানিফ, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মিজান, ইউপি সদস্য জসিমুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম, লেকচারার নোমান, সাংবাদিক সোয়েব সাঈদ, সমাজ সেবক মো. ইসমাইল, যুবলীগ নেতা দিলীপ এর সার্বিক সহযোগিতায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন ত্রাণ সহায়তা মনিটরিং সেল।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ থেকে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামসহ সঙ্গীদের দৈনিক রুটিন ওয়ার্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সহায়তা কার্যক্রম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান

করোনায় দুর্গম ব্যাঙডেবায় ছাত্রলীগের সূর্য সন্তানেরা

আপডেট সময় ১১:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের রামুর দুর্গম ব্যাঙডেবা গ্রামে জনবসতি শুরু হয় সেই ১৯৪৭ সালে। ৭৩ বছরেও যোগাযোগে পিছিয়ে থাকা এই গহীন গ্রামে করোনায় নিজ কাঁধে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন ছাত্রনেতা এস এম সাদ্দাম।‌

শুধু ব্যাঙডেবায় নয়, জেলা ছাত্রলীগের এই সাংগঠনিক সম্পাদকের নেতৃত্বে গঠিত ছাত্রলীগের মনিটরিং সেল রাতদিন কাজ করছেন করোনা বিদ্ধ কর্মহীন দুস্থ মানুষের সেবায়।

স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে কখনো কাঁধে করে রাতের আঁধারে, কখনো ভ্যানে করে অসচ্ছল, মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন ছাত্র নেতা সাদ্দাম। এছাড়া করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে জরুরি রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রে পারিবারিক জিপটিও ফ্রিতে ব্যবহারের জন্য দিয়েছেন এই ছাত্রনেতা। হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে বিতরণ, মাস্ক বিতরণ এবং গ্রামে গ্রামে জীবাণু নাশক স্প্রে ছিটানোর কার্যক্রমও অব্যাহত রেখেছেন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগে দু’শতাধিক পরিবার এবং “জোয়ারিয়ানালা করোনা সহায়তা” মনিটরিং সেলটির মাধ্যমে এলাকার প্রায় সহস্রাধিক অসহায় পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
তারা ছাত্রলীগের এমন ভূমিকায় বেশ সন্তুষ্ট ও আশাবাদী। ছাত্রলীগের এই সূর্য সন্তানদের দেখে যেন প্রাণ ফিরে পান নিঃস্ব মানুষগুলো। ‌

কক্সবাজারের “জোয়ারিয়ানালা করোনা সহায়তা” মনিটরিং সেলের সদস্যরা দুর্গম পাহাড় ভেদ করে ছুটে যান বাড়ি বাড়ি। উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ সহায়ক হিসেবেও কাজ করছেন তারা। ‌কক্সবাজার ৩নং আসনের সংসদ সদস্য, রামু উপজেলা প্রশাসন, জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যান মনিটরিং সেলের এই সদস্যরা। চলাচলের রাস্তা না থাকলেও গহীন অরণ্যে স্থানীয় যুবকদের সাথে নিয়ে প্রায় ২ঘণ্টা কাঁধে বহন করে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সাদ্দামের নেতৃত্বে এই মনিটরিং সেলের সদস্যরা।

প্রথম বারের মতো রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমার সার্বিক তত্ত্বাবধানে জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন প্রিন্স, সিনিয়র সাংবাদিক সুনীল বড়ুয়া, এনএসআই প্রতিনিধি মো. হানিফ, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মিজান, ইউপি সদস্য জসিমুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম, লেকচারার নোমান, সাংবাদিক সোয়েব সাঈদ, সমাজ সেবক মো. ইসমাইল, যুবলীগ নেতা দিলীপ এর সার্বিক সহযোগিতায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন ত্রাণ সহায়তা মনিটরিং সেল।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ থেকে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামসহ সঙ্গীদের দৈনিক রুটিন ওয়ার্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সহায়তা কার্যক্রম।