ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দুদকের মামলায় সাবেক ডেপুটি গভর্নরের ৩ বছরের কারাদণ্ড রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি হাসনাত-সারজিস গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি করার কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেনি: রাশেদ বাসার সামনে গল্প করছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থী, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

কঙ্গনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

তর্ক পিছু ছাড়ছে না বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও তার বোন রঙ্গোলি চন্দেলের। টুইটারে বরাবর বিতর্কিত মন্তব্য করায় খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন রঙ্গোলি। কিছুদিন আগে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো এবং গণহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার জন্য তার অ্যাকাউনন্টি নিষিদ্ধ করেছে টুইটার। আর এবার আইনি বিপাকে জড়ালেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

রঙ্গোলির অ্যাকাউন্ট টুইটারে নিষিদ্ধ হওয়ার পরেই তার হয়ে একটি ভিডিও করেন কঙ্গনা। সেই লম্বা ভিডিওতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারকেই বন্ধ করার দাবি করেছেন তিনি। এছাড়াও বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন করেছেন বলিউডের রিভলভার রানি। এর পরেই মুম্বাইয়ের আইনজীবী কাশিফ খান থানায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেই আইনজীবীর অভিযোগ, গণহত্যায় প্ররোচনা ও হিংসা ছড়ানোর জন্য বন্ধ বয়েছে রঙ্গোলি চন্দেলের টুইটার। কিন্তু তাতেও কোনও শিক্ষা হয়নি। বরং বোনের সমর্থনে কথা বলে ভিডিও করেছেন কঙ্গনা এবং সেখানেও একই ভাবে সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা বলেছেন তিনি। এমনকি দুই বোন টাকা ও খ্যাতির অপব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তার।

প্রসঙ্গত রঙ্গোলির বিরুদ্ধে ধর্মীয় হিংসা ছড়়ানোর অভিযোগ এনেছিলেন পরিচালক রিমা কাটগি ও সুজান খান বোন ফারহা খান আলি। তার পরেই বাতিল হয় রঙ্গোলির অ্যাকাউন্ট।

ওই ভিডিওতে কঙ্গনা বলছেন, রঙ্গোলি বলেছিলেন যারা চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশকে আক্রমণ করছে সেই আতঙ্কবাদীদের গুলি করে মারা উচিত। এই মন্তব্যের জন্য তাকে টুইটার বাতিল করেছে। কিন্তু এখানে কোথায় কোনো মুসলিমের কথা বলা হয়েছ। এরকম যদি কোথাও বলা হয়ে থাকে আমি ও রঙ্গোলি একসঙ্গে ক্ষমা চাইব। তাহলে কি রিমা ও ফারহাই বলতে চাইছেন যে সব মুসলিমরাই আতঙ্কবাদী। আমরা তা মনে করি না। আমরা বলছি না সব মুসলিম চিকিৎসকদের আক্রমণ করেছেন। সব মুসলিম পুলিশকর্মীদের ওপর হামলা করছে।

কঙ্গনা বলছেন, টুইটার এই দেশ থেকে টাকা অর্জন করছে। আবার এই দেশেরই ক্ষতি করছে। টুইটার এমন একটি জায়গা যেখানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরএসএস যারা সবসময়ে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তাদের আতঙ্কবাদী বলা যায়। কিন্তু যারা আতঙ্কবাদী তাদের আতঙ্কবাদী বলা যায় না। তাই টুইটারের মতো প্ল্যাটফর্ম দেশে বন্ধ হওয়া উচিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

কঙ্গনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:০৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

তর্ক পিছু ছাড়ছে না বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও তার বোন রঙ্গোলি চন্দেলের। টুইটারে বরাবর বিতর্কিত মন্তব্য করায় খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন রঙ্গোলি। কিছুদিন আগে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো এবং গণহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার জন্য তার অ্যাকাউনন্টি নিষিদ্ধ করেছে টুইটার। আর এবার আইনি বিপাকে জড়ালেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

রঙ্গোলির অ্যাকাউন্ট টুইটারে নিষিদ্ধ হওয়ার পরেই তার হয়ে একটি ভিডিও করেন কঙ্গনা। সেই লম্বা ভিডিওতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারকেই বন্ধ করার দাবি করেছেন তিনি। এছাড়াও বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন করেছেন বলিউডের রিভলভার রানি। এর পরেই মুম্বাইয়ের আইনজীবী কাশিফ খান থানায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেই আইনজীবীর অভিযোগ, গণহত্যায় প্ররোচনা ও হিংসা ছড়ানোর জন্য বন্ধ বয়েছে রঙ্গোলি চন্দেলের টুইটার। কিন্তু তাতেও কোনও শিক্ষা হয়নি। বরং বোনের সমর্থনে কথা বলে ভিডিও করেছেন কঙ্গনা এবং সেখানেও একই ভাবে সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা বলেছেন তিনি। এমনকি দুই বোন টাকা ও খ্যাতির অপব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তার।

প্রসঙ্গত রঙ্গোলির বিরুদ্ধে ধর্মীয় হিংসা ছড়়ানোর অভিযোগ এনেছিলেন পরিচালক রিমা কাটগি ও সুজান খান বোন ফারহা খান আলি। তার পরেই বাতিল হয় রঙ্গোলির অ্যাকাউন্ট।

ওই ভিডিওতে কঙ্গনা বলছেন, রঙ্গোলি বলেছিলেন যারা চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশকে আক্রমণ করছে সেই আতঙ্কবাদীদের গুলি করে মারা উচিত। এই মন্তব্যের জন্য তাকে টুইটার বাতিল করেছে। কিন্তু এখানে কোথায় কোনো মুসলিমের কথা বলা হয়েছ। এরকম যদি কোথাও বলা হয়ে থাকে আমি ও রঙ্গোলি একসঙ্গে ক্ষমা চাইব। তাহলে কি রিমা ও ফারহাই বলতে চাইছেন যে সব মুসলিমরাই আতঙ্কবাদী। আমরা তা মনে করি না। আমরা বলছি না সব মুসলিম চিকিৎসকদের আক্রমণ করেছেন। সব মুসলিম পুলিশকর্মীদের ওপর হামলা করছে।

কঙ্গনা বলছেন, টুইটার এই দেশ থেকে টাকা অর্জন করছে। আবার এই দেশেরই ক্ষতি করছে। টুইটার এমন একটি জায়গা যেখানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরএসএস যারা সবসময়ে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তাদের আতঙ্কবাদী বলা যায়। কিন্তু যারা আতঙ্কবাদী তাদের আতঙ্কবাদী বলা যায় না। তাই টুইটারের মতো প্ল্যাটফর্ম দেশে বন্ধ হওয়া উচিত।