ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কঙ্গনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

তর্ক পিছু ছাড়ছে না বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও তার বোন রঙ্গোলি চন্দেলের। টুইটারে বরাবর বিতর্কিত মন্তব্য করায় খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন রঙ্গোলি। কিছুদিন আগে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো এবং গণহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার জন্য তার অ্যাকাউনন্টি নিষিদ্ধ করেছে টুইটার। আর এবার আইনি বিপাকে জড়ালেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

রঙ্গোলির অ্যাকাউন্ট টুইটারে নিষিদ্ধ হওয়ার পরেই তার হয়ে একটি ভিডিও করেন কঙ্গনা। সেই লম্বা ভিডিওতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারকেই বন্ধ করার দাবি করেছেন তিনি। এছাড়াও বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন করেছেন বলিউডের রিভলভার রানি। এর পরেই মুম্বাইয়ের আইনজীবী কাশিফ খান থানায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেই আইনজীবীর অভিযোগ, গণহত্যায় প্ররোচনা ও হিংসা ছড়ানোর জন্য বন্ধ বয়েছে রঙ্গোলি চন্দেলের টুইটার। কিন্তু তাতেও কোনও শিক্ষা হয়নি। বরং বোনের সমর্থনে কথা বলে ভিডিও করেছেন কঙ্গনা এবং সেখানেও একই ভাবে সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা বলেছেন তিনি। এমনকি দুই বোন টাকা ও খ্যাতির অপব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তার।

প্রসঙ্গত রঙ্গোলির বিরুদ্ধে ধর্মীয় হিংসা ছড়়ানোর অভিযোগ এনেছিলেন পরিচালক রিমা কাটগি ও সুজান খান বোন ফারহা খান আলি। তার পরেই বাতিল হয় রঙ্গোলির অ্যাকাউন্ট।

ওই ভিডিওতে কঙ্গনা বলছেন, রঙ্গোলি বলেছিলেন যারা চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশকে আক্রমণ করছে সেই আতঙ্কবাদীদের গুলি করে মারা উচিত। এই মন্তব্যের জন্য তাকে টুইটার বাতিল করেছে। কিন্তু এখানে কোথায় কোনো মুসলিমের কথা বলা হয়েছ। এরকম যদি কোথাও বলা হয়ে থাকে আমি ও রঙ্গোলি একসঙ্গে ক্ষমা চাইব। তাহলে কি রিমা ও ফারহাই বলতে চাইছেন যে সব মুসলিমরাই আতঙ্কবাদী। আমরা তা মনে করি না। আমরা বলছি না সব মুসলিম চিকিৎসকদের আক্রমণ করেছেন। সব মুসলিম পুলিশকর্মীদের ওপর হামলা করছে।

কঙ্গনা বলছেন, টুইটার এই দেশ থেকে টাকা অর্জন করছে। আবার এই দেশেরই ক্ষতি করছে। টুইটার এমন একটি জায়গা যেখানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরএসএস যারা সবসময়ে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তাদের আতঙ্কবাদী বলা যায়। কিন্তু যারা আতঙ্কবাদী তাদের আতঙ্কবাদী বলা যায় না। তাই টুইটারের মতো প্ল্যাটফর্ম দেশে বন্ধ হওয়া উচিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

কঙ্গনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:০৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

তর্ক পিছু ছাড়ছে না বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও তার বোন রঙ্গোলি চন্দেলের। টুইটারে বরাবর বিতর্কিত মন্তব্য করায় খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন রঙ্গোলি। কিছুদিন আগে সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো এবং গণহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার জন্য তার অ্যাকাউনন্টি নিষিদ্ধ করেছে টুইটার। আর এবার আইনি বিপাকে জড়ালেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

রঙ্গোলির অ্যাকাউন্ট টুইটারে নিষিদ্ধ হওয়ার পরেই তার হয়ে একটি ভিডিও করেন কঙ্গনা। সেই লম্বা ভিডিওতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারকেই বন্ধ করার দাবি করেছেন তিনি। এছাড়াও বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন করেছেন বলিউডের রিভলভার রানি। এর পরেই মুম্বাইয়ের আইনজীবী কাশিফ খান থানায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেই আইনজীবীর অভিযোগ, গণহত্যায় প্ররোচনা ও হিংসা ছড়ানোর জন্য বন্ধ বয়েছে রঙ্গোলি চন্দেলের টুইটার। কিন্তু তাতেও কোনও শিক্ষা হয়নি। বরং বোনের সমর্থনে কথা বলে ভিডিও করেছেন কঙ্গনা এবং সেখানেও একই ভাবে সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা বলেছেন তিনি। এমনকি দুই বোন টাকা ও খ্যাতির অপব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তার।

প্রসঙ্গত রঙ্গোলির বিরুদ্ধে ধর্মীয় হিংসা ছড়়ানোর অভিযোগ এনেছিলেন পরিচালক রিমা কাটগি ও সুজান খান বোন ফারহা খান আলি। তার পরেই বাতিল হয় রঙ্গোলির অ্যাকাউন্ট।

ওই ভিডিওতে কঙ্গনা বলছেন, রঙ্গোলি বলেছিলেন যারা চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশকে আক্রমণ করছে সেই আতঙ্কবাদীদের গুলি করে মারা উচিত। এই মন্তব্যের জন্য তাকে টুইটার বাতিল করেছে। কিন্তু এখানে কোথায় কোনো মুসলিমের কথা বলা হয়েছ। এরকম যদি কোথাও বলা হয়ে থাকে আমি ও রঙ্গোলি একসঙ্গে ক্ষমা চাইব। তাহলে কি রিমা ও ফারহাই বলতে চাইছেন যে সব মুসলিমরাই আতঙ্কবাদী। আমরা তা মনে করি না। আমরা বলছি না সব মুসলিম চিকিৎসকদের আক্রমণ করেছেন। সব মুসলিম পুলিশকর্মীদের ওপর হামলা করছে।

কঙ্গনা বলছেন, টুইটার এই দেশ থেকে টাকা অর্জন করছে। আবার এই দেশেরই ক্ষতি করছে। টুইটার এমন একটি জায়গা যেখানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরএসএস যারা সবসময়ে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তাদের আতঙ্কবাদী বলা যায়। কিন্তু যারা আতঙ্কবাদী তাদের আতঙ্কবাদী বলা যায় না। তাই টুইটারের মতো প্ল্যাটফর্ম দেশে বন্ধ হওয়া উচিত।