আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ঢাকা শহরে হাতেগোনা কিছু সামগ্রী বিতরণ আর ফটোসেশন করে বিএনপি সরকারের সমালোচনা করতে ব্যস্ত। জনগণের পাশে তারা দাঁড়ায়নি। মঙ্গলবার ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির বক্তব্যগুলো আসলে হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেলে মানুষ যেভাবে বক্তব্য রাখে, সেই রকম। এই পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে কথাবার্তার প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে তাদের বিভিন্ন নেতা প্রতিদিন বক্তব্য রাখছেন। আমরা জনগণের পাশে আছি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে।’
বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ সরকারের সহায়তার আওতায় এসেছে, এই বিষয়টি সিপিডির গবেষণায় উঠে এল না। এই বিষয়টি আশ্চর্যের। তাদের গবেষণাটি আসলে কেমন?’
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রণোদনা নেই-সিপিডির এমন মন্তব্যের ব্যাপারে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকার ৫০ লাখেরও বেশি পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে মাসে ত্রিশ কেজি করে চাল দিচ্ছে বছরে সাত মাস। কার্যত ৫০ লাখ পরিবারের প্রায় আড়াই কোটি মানুষ এ সাহায্য পাচ্ছে। এই সহায়তার সময়সীমা বৃদ্ধির চিন্তা-ভাবনাও করছে সরকার । এ ছাড়া ১৭ লাখ বিধবা, ৪৪ লাখ বয়স্ক, ১৬ লাখ দুস্থ জনসহ প্রায় ১ কোটি মানুষকে বিভিন্ন ধরনের ভাতা দেওয়া হয়। করোনার কারণে কর্মহীন জনগোষ্ঠীর জন্য ৭৬০ কোটি টাকাসহ পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ সবকিছুই প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য। কিন্তু আমার কাছে আশ্চর্য লাগছে, সিপিডি’র মতো একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় এই বিষয়গুলো আসল না।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১১ বছরে দেশের জিডিপি প্রায় সাড়ে ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ও ক্রয় ক্ষমতাও প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য ১১ বছরে সিপিডি এই উন্নয়নের কোনো প্রশংসা করতে পারেনি। তাদের যে চিরাচরিতভাবে দোষ খোঁজার চেষ্টা, সে হিসেবে তাদের এই মন্তব্য গতানুগতিক।
বক্তব্যের শুরুতে সকল গণমাধ্যমকর্মীসহ দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান তথ্যমন্ত্রী ।
এ সময় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক চিকিৎসক রোকেয়া সুলতানা ও উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান উপস্থিত ছিলেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















