ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভ্যাকসিন তৈরি পর্যন্ত লকডাউন রাখতে বলছেন গবেষকরা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এখনো পর্যন্ত কোনো কুলকিনারা খুঁজে পাননি বিজ্ঞানী ও গবেষকরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রাণঘাতী ভাইরাসটির প্রতিষেধক আবিষ্কারে লড়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত রোগটির প্রাদুর্ভাব রোধে লকডাউন ব্যবস্থা পুরোপুরি তুলে নেওয়া উচিত হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন গবেষকরা।

চিকিৎসাবিষয়ক বিখ্যাত জার্নাল দ্য ল্যানসেটে এক প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে গবেষকরা এমন অভিমতই ব্যক্ত করেছেন বলে খবর দিয়েছে সিএনএন।

গেল বছরের শেষ দিনে চীনের উহান নগরী থেকে মারণ ভাইরাস করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়াতে শুরু করলে তা ঠেকাতে দেশটি কঠোর লকডাউন আরোপ করেছিল। এরপর একে একে বিশ্বের প্রায় সব দেশই লকডাউন আরোপ করতে শুরু করে।

চীনা কর্তৃপক্ষ উহানে ৭৬ দিনের মাথায় লকডাউন তুলে নিয়েছে। কঠোর লকডাউনের ফলে করোনার প্রথম ধাক্কা সামাল দিতে পেরেছে বলে চীন দাবি করলেও গবেষকরা গাণিতিক মডেল ব্যবহার করে দেখিয়েছেন আগেভাগেই লকডাউন তুলে নিলে দ্বিতীয় দফায় করোনা সংক্রমণ শুরু হতে পারে।

গত বুধবার ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সহগবেষক হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোসেফ টি য়ু বলেছেন, লকডাউনের মতো কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করোনার সংক্রমণ নিন্মপর্যায়ে নিয়ে এসেছে। তবে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের মতো শক্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারলে সেটি আবারও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

‘লকডাউন তুলে নিলে ব্যবসাবাণিজ্য চালু হবে, কল-কারখানা খুলবে, স্কুল-কলেজগুলো চালু হবে। এভাবে মানুষের মেলামেশা বাড়বে, সামাজিক যোগাযোগ বাড়বে, তাতে ফের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বাড়বে’- যোগ করেন এই গবেষক।

জোসেফ টি য়ু বলেনম ‘পুরো বিশ্বে এখনই ভাইরাসটির সংক্রমণ বন্ধ হয়নি। তাতে অন্য কোনো দেশ থেকে ফের চীনেই এ রোগ ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে। বিভিন্ন দেশ যদি বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে ধীরে নীতি না মানে তড়িঘড়ি লকডাউন তুলে নেয় এবং জোরালোভাবে করোনার সংক্রমণ তদারকি না করে তবে এ ভাইরাস ফের ছড়িয়ে পড়বে।’

তাই করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ধীরে ধীরে চালু করাই উপযুক্ত কৌশল বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ভ্যাকসিন তৈরি পর্যন্ত লকডাউন রাখতে বলছেন গবেষকরা

আপডেট সময় ০৫:১৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এখনো পর্যন্ত কোনো কুলকিনারা খুঁজে পাননি বিজ্ঞানী ও গবেষকরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রাণঘাতী ভাইরাসটির প্রতিষেধক আবিষ্কারে লড়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত রোগটির প্রাদুর্ভাব রোধে লকডাউন ব্যবস্থা পুরোপুরি তুলে নেওয়া উচিত হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন গবেষকরা।

চিকিৎসাবিষয়ক বিখ্যাত জার্নাল দ্য ল্যানসেটে এক প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে গবেষকরা এমন অভিমতই ব্যক্ত করেছেন বলে খবর দিয়েছে সিএনএন।

গেল বছরের শেষ দিনে চীনের উহান নগরী থেকে মারণ ভাইরাস করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়াতে শুরু করলে তা ঠেকাতে দেশটি কঠোর লকডাউন আরোপ করেছিল। এরপর একে একে বিশ্বের প্রায় সব দেশই লকডাউন আরোপ করতে শুরু করে।

চীনা কর্তৃপক্ষ উহানে ৭৬ দিনের মাথায় লকডাউন তুলে নিয়েছে। কঠোর লকডাউনের ফলে করোনার প্রথম ধাক্কা সামাল দিতে পেরেছে বলে চীন দাবি করলেও গবেষকরা গাণিতিক মডেল ব্যবহার করে দেখিয়েছেন আগেভাগেই লকডাউন তুলে নিলে দ্বিতীয় দফায় করোনা সংক্রমণ শুরু হতে পারে।

গত বুধবার ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সহগবেষক হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোসেফ টি য়ু বলেছেন, লকডাউনের মতো কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করোনার সংক্রমণ নিন্মপর্যায়ে নিয়ে এসেছে। তবে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের মতো শক্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারলে সেটি আবারও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

‘লকডাউন তুলে নিলে ব্যবসাবাণিজ্য চালু হবে, কল-কারখানা খুলবে, স্কুল-কলেজগুলো চালু হবে। এভাবে মানুষের মেলামেশা বাড়বে, সামাজিক যোগাযোগ বাড়বে, তাতে ফের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বাড়বে’- যোগ করেন এই গবেষক।

জোসেফ টি য়ু বলেনম ‘পুরো বিশ্বে এখনই ভাইরাসটির সংক্রমণ বন্ধ হয়নি। তাতে অন্য কোনো দেশ থেকে ফের চীনেই এ রোগ ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে। বিভিন্ন দেশ যদি বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে ধীরে নীতি না মানে তড়িঘড়ি লকডাউন তুলে নেয় এবং জোরালোভাবে করোনার সংক্রমণ তদারকি না করে তবে এ ভাইরাস ফের ছড়িয়ে পড়বে।’

তাই করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ধীরে ধীরে চালু করাই উপযুক্ত কৌশল বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।