ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা থেকে পালানো করোনা রোগী রাজবাড়ী থেকে উদ্ধার, আইসোলেশনে প্রেরণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সোনিয়া (২৮) নামে ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আসা রোগীকে রাজবাড়ী থেকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে পাঠিয়েছে সদর থানা পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টা থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে পুলিশ তাদের ঘিরে রাখে।

রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ৪ এপ্রিল (শনিবার) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে করোনাভাইরস সন্দেহ হলে তার শরীরে করোনাভাইরাসের জীবানু ধরা পড়লে পরবর্তীতে তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গতকাল দুপুরে পালিয়ে রাজবাড়ীর দাদশী ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে চলে আসে সোনিয়া। পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে রাত ৩টার দিকে দাদশী ইউনিয়নের সোনিয়া ও তার স্বামীর বাড়ি ঘিরে রাখে।

ভোর ৫টার দিকে রাজবাড়ী সিভিল সার্জন ও রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ সোনিয়া ও তার স্বামী মালেক সরদারকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

রাজবাড়ী সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, সোনিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। সে ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। গতকাল সেখান থেকে পালিয়ে দাদশীর নিজ বাড়িতে চলে আসে। পুলিশ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টা থেকে সোনিয়া ও তার স্বামীর বাড়ি ঘিরে রাখে। পরে পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা সোনিয়া ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করে। আমি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলছি। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

বুধবার দুপুরে রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাঈদুজ্জামান খান বলেন, সোনিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এ তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। সুতরাং আমরা দাদশী ইউনিয়নের সোনিয়ার বাড়িসহ বেশ কিছু এলাকা লকডাউনের সিধান্ত গ্রহণ করেছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা থেকে পালানো করোনা রোগী রাজবাড়ী থেকে উদ্ধার, আইসোলেশনে প্রেরণ

আপডেট সময় ০৮:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সোনিয়া (২৮) নামে ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আসা রোগীকে রাজবাড়ী থেকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে পাঠিয়েছে সদর থানা পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টা থেকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে পুলিশ তাদের ঘিরে রাখে।

রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ৪ এপ্রিল (শনিবার) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে করোনাভাইরস সন্দেহ হলে তার শরীরে করোনাভাইরাসের জীবানু ধরা পড়লে পরবর্তীতে তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গতকাল দুপুরে পালিয়ে রাজবাড়ীর দাদশী ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে চলে আসে সোনিয়া। পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে রাত ৩টার দিকে দাদশী ইউনিয়নের সোনিয়া ও তার স্বামীর বাড়ি ঘিরে রাখে।

ভোর ৫টার দিকে রাজবাড়ী সিভিল সার্জন ও রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ সোনিয়া ও তার স্বামী মালেক সরদারকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

রাজবাড়ী সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, সোনিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। সে ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। গতকাল সেখান থেকে পালিয়ে দাদশীর নিজ বাড়িতে চলে আসে। পুলিশ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টা থেকে সোনিয়া ও তার স্বামীর বাড়ি ঘিরে রাখে। পরে পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা সোনিয়া ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করে। আমি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলছি। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

বুধবার দুপুরে রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাঈদুজ্জামান খান বলেন, সোনিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এ তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। সুতরাং আমরা দাদশী ইউনিয়নের সোনিয়ার বাড়িসহ বেশ কিছু এলাকা লকডাউনের সিধান্ত গ্রহণ করেছি।