ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ এম হেলাল উদ্দিন চৌধুরী এ পরোয়ানা জারি করেন।

এসময় আদালতে উপস্থিত ছিল আসামি আবদুল মাজেদ।

এর আগে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এরপর বিচারক তার ফাঁসির পরোয়ানা জারি করেন। এ সময় বিচারক তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও মামলার রায় পড়ে শোনান।

ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছন।

এর আগে মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াৎ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এরপর বেলা ১টা ৫ মিনিটের দিকে তাকে প্রিজন ভ্যানে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত গত সোমবার রাতে মাজেদ ঢাকায় গ্রেফতার করা হয় বলে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল নিশ্চিত করেন।

মাজেদকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সিএমএম আদালতে হাজির করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। এর পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশে দেন।

আবদুল মাজেদ ভারতে পালিয়ে ছিলেন বলে এর আগে বিভিন্ন সময়ে খবর এসেছে সংবাদমাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আবদুল মাজেদসহ ১২ আসামিকে ২০০৯ সালে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, বজলুল হুদা, একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়।

রায় কার্যকরের আগে ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যান আসামি আজিজ পাশা।

আবদুল মাজেদ গ্রেফতার হওয়ার পর এখন পলাতক আছেন পাঁচজন। তারা হলেন– খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, এএম রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেম উদ্দিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি

আপডেট সময় ০২:২৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ এম হেলাল উদ্দিন চৌধুরী এ পরোয়ানা জারি করেন।

এসময় আদালতে উপস্থিত ছিল আসামি আবদুল মাজেদ।

এর আগে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এরপর বিচারক তার ফাঁসির পরোয়ানা জারি করেন। এ সময় বিচারক তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও মামলার রায় পড়ে শোনান।

ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছন।

এর আগে মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াৎ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এরপর বেলা ১টা ৫ মিনিটের দিকে তাকে প্রিজন ভ্যানে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত গত সোমবার রাতে মাজেদ ঢাকায় গ্রেফতার করা হয় বলে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল নিশ্চিত করেন।

মাজেদকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সিএমএম আদালতে হাজির করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। এর পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশে দেন।

আবদুল মাজেদ ভারতে পালিয়ে ছিলেন বলে এর আগে বিভিন্ন সময়ে খবর এসেছে সংবাদমাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আবদুল মাজেদসহ ১২ আসামিকে ২০০৯ সালে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, বজলুল হুদা, একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়।

রায় কার্যকরের আগে ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যান আসামি আজিজ পাশা।

আবদুল মাজেদ গ্রেফতার হওয়ার পর এখন পলাতক আছেন পাঁচজন। তারা হলেন– খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, এএম রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেম উদ্দিন।