ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীনের করিডর প্রস্তাব সরকার ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির খন্দকার লুৎফরকে বহিষ্কার, জাগপার নতুন সভাপতি জাকির হোসেন রিয়াজ বর্তমান সরকারও ফ্যাসিবাদের পথে: জিএম কাদের মুখে বালিশ চেপে ধরে কিশোরীকে অচেতন, ধর্ষণের পর ফেলে যায় চৌবাচ্চায় এনসিপির মাসব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা’ ৬ জুলাই শুরু অহংকার যে একটি দেশ ও দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা গুলিস্তানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা আহত ‘আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয়’, পিডিকে প্রশ্ন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সেই ভুল আর করা চলবে না: শামা ওবায়েদ চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে: গণপূর্ত মন্ত্রী

পর্যবেক্ষককরা মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন: ইসি সচিব

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষণে থাকবে ১১৮ দেশীয় সংস্থা। তবে একটি সংস্থার নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষকরা কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না, কেবল মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন। মাঠে থাকবেন সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

হেলালুদ্দীন বলেন, পর্যবেক্ষণ যারা করবেন, তাদের কয়েকটি বিষয়ে আপনারা সাবধান বাণী উচ্চারণ করবেন, নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে যেটি পরিচয়পত্র দেয়া হবে, তারা যখন কেন্দ্র পর্যবেক্ষণে যাবেন, তখন সেটি সারাক্ষণ গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

‘কারণ যে কোনো সময় যে কোনো ব্যক্তি ওখানে গেলে পড়ে বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম, মেজিস্ট্রেট, তারা যদি দেখতে চান, জানতে চান, তা হলে তারা যাতে বুঝতে পারেন, আপনি একজন পর্যবেক্ষক।’

ইসি সচিব বলেন, পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র যাতে ভুয়া না হয়, এ জন্য আমরা অধিকতর সতর্কতা, নিরাপত্তার সঙ্গে এ কার্ডটি তৈরি করব। যাতে অন্যরা এটি নকল করতে না পারেন। ভুয়া কোনো কার্ড যাতে ইস্যু করতে না পারেন।

তিনি বলেন, প্রথমে যখন পর্যবেক্ষক কেন্দ্রে যাবেন, প্রিসাইডিং অফিসারকে তার পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে। তবে মোবাইল ফোন নেয়া যাবে না। একটা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন থাকবে দুই জনের কাছে। তারা হলেন, প্রিসাইডিং অফিসার ও পুলিশ ইনচার্জ।

‘পর্যবেক্ষকরা কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। কেবল মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন। কেন্দ্রে যত সমস্যা হোক, তিনি কেবল পর্যবেক্ষণ করবেন, পর্যবেক্ষণ শেষে প্রতিবেদন দেবেন।’

হেলালুদ্দীন বলেন, পর্যবেক্ষণের সময় গোপন কক্ষে যাওয়া যাবে না। কাউকে নির্দেশনাও দেয়া যাবে না। তবে কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চীনের করিডর প্রস্তাব সরকার ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

পর্যবেক্ষককরা মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন: ইসি সচিব

আপডেট সময় ০২:২৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষণে থাকবে ১১৮ দেশীয় সংস্থা। তবে একটি সংস্থার নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষকরা কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না, কেবল মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন। মাঠে থাকবেন সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

হেলালুদ্দীন বলেন, পর্যবেক্ষণ যারা করবেন, তাদের কয়েকটি বিষয়ে আপনারা সাবধান বাণী উচ্চারণ করবেন, নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে যেটি পরিচয়পত্র দেয়া হবে, তারা যখন কেন্দ্র পর্যবেক্ষণে যাবেন, তখন সেটি সারাক্ষণ গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

‘কারণ যে কোনো সময় যে কোনো ব্যক্তি ওখানে গেলে পড়ে বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম, মেজিস্ট্রেট, তারা যদি দেখতে চান, জানতে চান, তা হলে তারা যাতে বুঝতে পারেন, আপনি একজন পর্যবেক্ষক।’

ইসি সচিব বলেন, পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র যাতে ভুয়া না হয়, এ জন্য আমরা অধিকতর সতর্কতা, নিরাপত্তার সঙ্গে এ কার্ডটি তৈরি করব। যাতে অন্যরা এটি নকল করতে না পারেন। ভুয়া কোনো কার্ড যাতে ইস্যু করতে না পারেন।

তিনি বলেন, প্রথমে যখন পর্যবেক্ষক কেন্দ্রে যাবেন, প্রিসাইডিং অফিসারকে তার পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে। তবে মোবাইল ফোন নেয়া যাবে না। একটা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন থাকবে দুই জনের কাছে। তারা হলেন, প্রিসাইডিং অফিসার ও পুলিশ ইনচার্জ।

‘পর্যবেক্ষকরা কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। কেবল মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন। কেন্দ্রে যত সমস্যা হোক, তিনি কেবল পর্যবেক্ষণ করবেন, পর্যবেক্ষণ শেষে প্রতিবেদন দেবেন।’

হেলালুদ্দীন বলেন, পর্যবেক্ষণের সময় গোপন কক্ষে যাওয়া যাবে না। কাউকে নির্দেশনাও দেয়া যাবে না। তবে কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হলে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে পারবেন।