ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু

বকুলতলায় নাচে গানে শেষ হল নবান্ন উৎসব

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেষ হল রাজধানীতে দু’দিনের নবান্ন উৎসব। অংশগ্রহণকারীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপভোগ করেন এ উৎসব ঘিরে গান, নৃত্য ও আবৃত্তি।

পহেলা অগ্রহায়ণ ও ২ অগ্রহায়ণ জাতীয় নবান্নোৎসব উদযাপন পর্ষদ জাতীয় নবান্ন উৎসব ১৪২৫ আয়োজন করে। যার শেষ দিন ছিল শুক্রবার। উৎসবস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলা।

দ্বিতীয় দিনের উৎসব শুরু হয় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। প্রথমেই প্রিয়াংকা গোপ ক্লাসিক্যাল পরিবেশন করেন। এরপর নবান্ন কথনে অংশ নেন আয়োজক পর্ষদের সভাপতি লায়লা হাসান ও আহ্বায়ক শাহরিয়ার সালাম।

দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে উদীচী, পঞ্চভাস্কর, আনন্দন, বহ্নিশিখা, ফোকবাংলার শিল্পীরা। একক সঙ্গীত পরিবেশ করেন ফাহিম হোসেন চৌধুরী, মহাদেব ঘোষ, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি প্রমুখ। প্রেমার নৃত্য পরিচালনায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন ভাবনা, এম আর ওয়াসেকর নৃত্য পরিচালনায় নন্দন কলাকেন্দ্র, অনিক বসুর পরিচালনায় স্পন্দন। আবৃত্তি করেন ডালিয়া আহমেদ ও নায়লা তারান্নুম।

সকাল ৯টায় শুরু হয় ‘নবান্নের শিশু প্রহরে’ শীর্ষক আয়োজন। এতে ২০টি শিশু সংগঠনের খুদে শিল্পীরা সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, কল্পরেখা, স্বপ্নবীনা, কিংবদন্তি, কল্পরেখা, শিল্পবাংলা, তক্ষশিলা, সাম্পান, শিল্পবৃত্ত, স্বরশ্রুতি, ষড়জ, পিদিম থিয়েটার, বৃত্ত শিশু দল, মৈত্রী শিশু দল, মন্দিরা সাংস্কৃতিক পাঠশালা, মৈত্রী চিল্ড্রেন থিয়েটার ট্রুপস, কিশোর থিয়েটার, সুরতাল কালচারাল সেন্টার, দনিয়া সবুজ কুড়ি কচিকাচার মেলা, সপ্তকলির আসর শিশু সংগঠনগুলো অংশ নেয়। সারাদিন প্রায় চারশ’ শিশুর অঙ্কিত নবান্ন বিষয়ে অঙ্কিত চিঠির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

দুপুরে বিরতির পরে বিকালে শুরু হয়ে দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। এ সময়ে দলীয় নৃত্য ও সম্মেলক গানে অংশ নেয় ঋষিজ, মরমী লোকগীতি শিল্পীগোষ্ঠী, সুরসাগর, উত্তরা কালচারাল সোসাইটি, নান্দনিক নৃত্য সংগঠন, সৃজন পারপর্মিং আর্ট, কত্থক নৃত্য সম্প্রদায় ও সৃষ্টি কালচারাল।

একক সঙ্গীতে অংশ নেন তপন মাহমুদ, খগেন্দ্রনাথ সরকার, কানন বালা সরকার, হালিম খান, চম্পা বনিক, তানজিলা তমা, শান্তা সরকার, দিলবাহার খান, জান্নাতে ফেরদৌসী লাকী, শান্তা সরকার, সনজয় কবিরাজ, শান্তা সরকার, মাহমুদুল হাসান, সাহস মোস্তাফিজ ও স্টেট ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাব, সমর বড়ুয়া, সীমু দে, বিথী ফারজানা, মিরা মণ্ডল, শ্যামল কান্তি পাল, স্নিগ্ধা রিক্তা প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করে ঢাকা স্বরকল্পন, লায়লা আফরোজ, রফিকুল ইসলাম, আহকামউল্লাহ, নিমাই মণ্ডল, শাহাদাৎ হোসেন নীপু, তিতাস রোজারিও প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান

বকুলতলায় নাচে গানে শেষ হল নবান্ন উৎসব

আপডেট সময় ১১:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেষ হল রাজধানীতে দু’দিনের নবান্ন উৎসব। অংশগ্রহণকারীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপভোগ করেন এ উৎসব ঘিরে গান, নৃত্য ও আবৃত্তি।

পহেলা অগ্রহায়ণ ও ২ অগ্রহায়ণ জাতীয় নবান্নোৎসব উদযাপন পর্ষদ জাতীয় নবান্ন উৎসব ১৪২৫ আয়োজন করে। যার শেষ দিন ছিল শুক্রবার। উৎসবস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলা।

দ্বিতীয় দিনের উৎসব শুরু হয় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। প্রথমেই প্রিয়াংকা গোপ ক্লাসিক্যাল পরিবেশন করেন। এরপর নবান্ন কথনে অংশ নেন আয়োজক পর্ষদের সভাপতি লায়লা হাসান ও আহ্বায়ক শাহরিয়ার সালাম।

দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে উদীচী, পঞ্চভাস্কর, আনন্দন, বহ্নিশিখা, ফোকবাংলার শিল্পীরা। একক সঙ্গীত পরিবেশ করেন ফাহিম হোসেন চৌধুরী, মহাদেব ঘোষ, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি প্রমুখ। প্রেমার নৃত্য পরিচালনায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন ভাবনা, এম আর ওয়াসেকর নৃত্য পরিচালনায় নন্দন কলাকেন্দ্র, অনিক বসুর পরিচালনায় স্পন্দন। আবৃত্তি করেন ডালিয়া আহমেদ ও নায়লা তারান্নুম।

সকাল ৯টায় শুরু হয় ‘নবান্নের শিশু প্রহরে’ শীর্ষক আয়োজন। এতে ২০টি শিশু সংগঠনের খুদে শিল্পীরা সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, কল্পরেখা, স্বপ্নবীনা, কিংবদন্তি, কল্পরেখা, শিল্পবাংলা, তক্ষশিলা, সাম্পান, শিল্পবৃত্ত, স্বরশ্রুতি, ষড়জ, পিদিম থিয়েটার, বৃত্ত শিশু দল, মৈত্রী শিশু দল, মন্দিরা সাংস্কৃতিক পাঠশালা, মৈত্রী চিল্ড্রেন থিয়েটার ট্রুপস, কিশোর থিয়েটার, সুরতাল কালচারাল সেন্টার, দনিয়া সবুজ কুড়ি কচিকাচার মেলা, সপ্তকলির আসর শিশু সংগঠনগুলো অংশ নেয়। সারাদিন প্রায় চারশ’ শিশুর অঙ্কিত নবান্ন বিষয়ে অঙ্কিত চিঠির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

দুপুরে বিরতির পরে বিকালে শুরু হয়ে দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। এ সময়ে দলীয় নৃত্য ও সম্মেলক গানে অংশ নেয় ঋষিজ, মরমী লোকগীতি শিল্পীগোষ্ঠী, সুরসাগর, উত্তরা কালচারাল সোসাইটি, নান্দনিক নৃত্য সংগঠন, সৃজন পারপর্মিং আর্ট, কত্থক নৃত্য সম্প্রদায় ও সৃষ্টি কালচারাল।

একক সঙ্গীতে অংশ নেন তপন মাহমুদ, খগেন্দ্রনাথ সরকার, কানন বালা সরকার, হালিম খান, চম্পা বনিক, তানজিলা তমা, শান্তা সরকার, দিলবাহার খান, জান্নাতে ফেরদৌসী লাকী, শান্তা সরকার, সনজয় কবিরাজ, শান্তা সরকার, মাহমুদুল হাসান, সাহস মোস্তাফিজ ও স্টেট ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাব, সমর বড়ুয়া, সীমু দে, বিথী ফারজানা, মিরা মণ্ডল, শ্যামল কান্তি পাল, স্নিগ্ধা রিক্তা প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করে ঢাকা স্বরকল্পন, লায়লা আফরোজ, রফিকুল ইসলাম, আহকামউল্লাহ, নিমাই মণ্ডল, শাহাদাৎ হোসেন নীপু, তিতাস রোজারিও প্রমুখ।