ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেকারত্ব দূর করতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পিছিয়ে আছে: শিক্ষামন্ত্রী সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মিলন মারা গেছেন সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ

নির্বাচন পেছানোর দাবিতে বুধবার ইসিতে যাবে ঐক্যফ্রন্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরও পিছিয়ে দিতে আগামীকাল বুধবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে যাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে এ কথা জানান ফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, বুধবার ১২টায় আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে যাব। এ সময় জাতীয় নেতারাও যাবেন। আমরা একাদশ নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনকে আবারও অনুরোধ করব। আশা করছি নির্বাচন কমিশন আমাদের কথা রাখবেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে এক মাস নির্বাচন পেছানোর অনুরোধ করেছিলাম। কমিশন নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমরা হতাশ, দেশবাসীও হতাশ।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ মুখপাত্র বলেন, নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আগ্রহী নয়। অথচ একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ইসির ইতিবাচক পদক্ষেপ জরুরি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করেছে। এ দিনটিতে বড়দিনের ছুটি থাকে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য দিনটি বিশেষ। এ দিন তাদের জন্য উৎসবের।

এ ছাড়া ইংরেজি নববর্ষের আগের দিন ৩০ ডিসেম্বর। এই দিনে ভোট হলে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসতে পারবেন না। তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন না।

তাই আমরা নির্বাচন এক মাস পেছানোর দাবি করছি।

দুপুর ১২টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাসদ সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, যুক্তফ্রন্টসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার পুন:তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন ধার্য করা হয়েছে।আগের তফসিল অনুযায়ী ২৩ ডিসেম্বর ভোট হওয়ার কথা ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বেকারত্ব দূর করতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পিছিয়ে আছে: শিক্ষামন্ত্রী

নির্বাচন পেছানোর দাবিতে বুধবার ইসিতে যাবে ঐক্যফ্রন্ট

আপডেট সময় ০৩:৫৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরও পিছিয়ে দিতে আগামীকাল বুধবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে যাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে এ কথা জানান ফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, বুধবার ১২টায় আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে যাব। এ সময় জাতীয় নেতারাও যাবেন। আমরা একাদশ নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনকে আবারও অনুরোধ করব। আশা করছি নির্বাচন কমিশন আমাদের কথা রাখবেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে এক মাস নির্বাচন পেছানোর অনুরোধ করেছিলাম। কমিশন নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমরা হতাশ, দেশবাসীও হতাশ।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ মুখপাত্র বলেন, নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আগ্রহী নয়। অথচ একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ইসির ইতিবাচক পদক্ষেপ জরুরি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করেছে। এ দিনটিতে বড়দিনের ছুটি থাকে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য দিনটি বিশেষ। এ দিন তাদের জন্য উৎসবের।

এ ছাড়া ইংরেজি নববর্ষের আগের দিন ৩০ ডিসেম্বর। এই দিনে ভোট হলে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসতে পারবেন না। তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন না।

তাই আমরা নির্বাচন এক মাস পেছানোর দাবি করছি।

দুপুর ১২টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাসদ সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, যুক্তফ্রন্টসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার পুন:তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন ধার্য করা হয়েছে।আগের তফসিল অনুযায়ী ২৩ ডিসেম্বর ভোট হওয়ার কথা ছিল।