ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প মেট্রোরেলসহ গণপরিবহনে সহযোগিতা বাড়াতে একমত বাংলাদেশ-জাপান মিরপুর কলেজের দেয়াল ধসে নিহত ২, আহত ৬ ট্রাম্পের স্ত্রীকে বিষ প্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনা, নিশানায় ছেলেও স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা চাপে পড়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করবে শুভেন্দু সরকার

নতুন ক্লাবে ‘ভোজিনহা’ নাম ব্যবহার করতে পারবে না কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের দুর্দান্ত পারফমেন্সে অন্যতম নায়ক ছিলেন গোলরক্ষক ভোজিনহা। একের পর এক অসাধারণ সেভ করে তিনি শুধু নিজের দলকেই নকআউট পর্বে তুলতে সাহায্য করেননি, বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদেরও নজর কেড়েছিলেন। সেই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে এবার চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো-কোলোতে যোগ দিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। তবে নতুন ক্লাবে যোগ দিয়েই অদ্ভুত এক সমস্যার মুখে পড়েছেন তিনি। পরিচিত নাম ‘ভোজিনহা’ ব্যবহার করেই আর মাঠে নামতে পারবেন না।

চিলির শীর্ষ ফুটবল লিগের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের জার্সিতে ডাকনাম বা ছদ্মনাম ব্যবহার করার অনুমতি নেই। প্রত্যেক ফুটবলারকে নিজের পুরো নাম বা পারিবারিক পদবি ব্যবহার করতে হয়। কেউ এই নিয়ম ভঙ্গ করলে ম্যাচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হলুদ কার্ড দেখানো হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্লাবকেও আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হবে।

এই নিয়মের কারণেই বিপাকে পড়েছেন ভোজিনহা। বিশ্বকাপে কোটি কোটি দর্শক তাকে ‘ভোজিনহা’ নামেই চিনেছেন। কিন্তু সেটি তার প্রকৃত নাম নয়। তার আসল নাম জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। ফলে নিয়ম পরিবর্তন না হলে কোলো-কোলোর হয়ে নতুন মৌসুমে তার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’র বদলে ‘এভোরা’, ‘দিয়াস’ অথবা ‘এভোরা দিয়াস’ লেখা থাকবে।

তবে এখনো একটি সম্ভাবনা রয়েছে। কোলো-কোলোর সভাপতি আনিবাল মোসা যদি লিগের সভাপতিদের পরিষদের সর্বসম্মত সমর্থন নিয়ে নিয়ম পরিবর্তন করাতে পারেন, তাহলেই কেবল নিজের পরিচিত ডাকনাম ‘ভোজিনহা’ ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন এই গোলরক্ষক। তবে এমন অনুমোদন পাওয়া সহজ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরই মুক্ত খেলোয়াড় হিসেবে ভোজিনহাকে দলে ভেড়ায় কোলো-কোলো। এটি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় দলবদল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে কেপ ভার্দে, অ্যাঙ্গোলা, মলদোভা, পর্তুগাল, সাইপ্রাস ও স্লোভাকিয়ার বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন তিনি।

আরেকটি বিষয়ও ভোজিনহার জন্য হতাশার। কোলো-কোলোর এক নম্বর জার্সিটি আগেই দখলে রেখেছেন গোলরক্ষক ফার্নান্দো ডি পল। ফলে নামের পাশাপাশি নিজের পছন্দের জার্সি নম্বরও পাচ্ছেন না তিনি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৌসুমে ১৬ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামতে পারেন কেপ ভার্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।

বিশ্বকাপে তার অসাধারণ নৈপুণ্য ভক্তদের মনে আলাদা জায়গা করে দিলেও, নতুন ক্লাবে এসে তাকে শুরু করতে হচ্ছে একেবারে নতুন পরিচয়ে। ফলে ‘ভোজিনহা’ নামটি আপাতত বিশ্বকাপের স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

নতুন ক্লাবে ‘ভোজিনহা’ নাম ব্যবহার করতে পারবে না কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

আপডেট সময় ০৩:১০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের দুর্দান্ত পারফমেন্সে অন্যতম নায়ক ছিলেন গোলরক্ষক ভোজিনহা। একের পর এক অসাধারণ সেভ করে তিনি শুধু নিজের দলকেই নকআউট পর্বে তুলতে সাহায্য করেননি, বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদেরও নজর কেড়েছিলেন। সেই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে এবার চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো-কোলোতে যোগ দিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। তবে নতুন ক্লাবে যোগ দিয়েই অদ্ভুত এক সমস্যার মুখে পড়েছেন তিনি। পরিচিত নাম ‘ভোজিনহা’ ব্যবহার করেই আর মাঠে নামতে পারবেন না।

চিলির শীর্ষ ফুটবল লিগের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের জার্সিতে ডাকনাম বা ছদ্মনাম ব্যবহার করার অনুমতি নেই। প্রত্যেক ফুটবলারকে নিজের পুরো নাম বা পারিবারিক পদবি ব্যবহার করতে হয়। কেউ এই নিয়ম ভঙ্গ করলে ম্যাচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হলুদ কার্ড দেখানো হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্লাবকেও আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হবে।

এই নিয়মের কারণেই বিপাকে পড়েছেন ভোজিনহা। বিশ্বকাপে কোটি কোটি দর্শক তাকে ‘ভোজিনহা’ নামেই চিনেছেন। কিন্তু সেটি তার প্রকৃত নাম নয়। তার আসল নাম জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। ফলে নিয়ম পরিবর্তন না হলে কোলো-কোলোর হয়ে নতুন মৌসুমে তার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’র বদলে ‘এভোরা’, ‘দিয়াস’ অথবা ‘এভোরা দিয়াস’ লেখা থাকবে।

তবে এখনো একটি সম্ভাবনা রয়েছে। কোলো-কোলোর সভাপতি আনিবাল মোসা যদি লিগের সভাপতিদের পরিষদের সর্বসম্মত সমর্থন নিয়ে নিয়ম পরিবর্তন করাতে পারেন, তাহলেই কেবল নিজের পরিচিত ডাকনাম ‘ভোজিনহা’ ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন এই গোলরক্ষক। তবে এমন অনুমোদন পাওয়া সহজ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরই মুক্ত খেলোয়াড় হিসেবে ভোজিনহাকে দলে ভেড়ায় কোলো-কোলো। এটি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় দলবদল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে কেপ ভার্দে, অ্যাঙ্গোলা, মলদোভা, পর্তুগাল, সাইপ্রাস ও স্লোভাকিয়ার বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন তিনি।

আরেকটি বিষয়ও ভোজিনহার জন্য হতাশার। কোলো-কোলোর এক নম্বর জার্সিটি আগেই দখলে রেখেছেন গোলরক্ষক ফার্নান্দো ডি পল। ফলে নামের পাশাপাশি নিজের পছন্দের জার্সি নম্বরও পাচ্ছেন না তিনি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৌসুমে ১৬ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামতে পারেন কেপ ভার্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।

বিশ্বকাপে তার অসাধারণ নৈপুণ্য ভক্তদের মনে আলাদা জায়গা করে দিলেও, নতুন ক্লাবে এসে তাকে শুরু করতে হচ্ছে একেবারে নতুন পরিচয়ে। ফলে ‘ভোজিনহা’ নামটি আপাতত বিশ্বকাপের স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনাই বেশি।