ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

সুষ্ঠু নির্বাচনের পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ ইসি: মির্জা ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে এক মাস নির্বাচন পেছানোর অনুরোধ করেছিলাম। কমিশন নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমরা হতাশ, দেশবাসীও হতাশ।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ মুখপাত্র বলেন, নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আগ্রহী নয়। অথচ একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ইসির ইতিবাচক পদক্ষেপ জরুরি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করেছে। এ দিনটিতে বড় দিনের ছুটি থাকে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য দিনটি বিশেষ। এ দিন তাদের জন্য উৎসবের।

এ ছাড়া ইংরেজি নববর্ষের আগের দিন ৩০ ডিসেম্বর। এই দিনে ভোট হলে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসতে পারবেন না। তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন না।

তাই আমরা নির্বাচন এক মাস পেছানোর দাবি করছি।

দুপুর ১২টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাসদ সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

সুষ্ঠু নির্বাচনের পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ ইসি: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৩:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে এক মাস নির্বাচন পেছানোর অনুরোধ করেছিলাম। কমিশন নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমরা হতাশ, দেশবাসীও হতাশ।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ মুখপাত্র বলেন, নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আগ্রহী নয়। অথচ একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ইসির ইতিবাচক পদক্ষেপ জরুরি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করেছে। এ দিনটিতে বড় দিনের ছুটি থাকে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য দিনটি বিশেষ। এ দিন তাদের জন্য উৎসবের।

এ ছাড়া ইংরেজি নববর্ষের আগের দিন ৩০ ডিসেম্বর। এই দিনে ভোট হলে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসতে পারবেন না। তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন না।

তাই আমরা নির্বাচন এক মাস পেছানোর দাবি করছি।

দুপুর ১২টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাসদ সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।