ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরানের জেনারেলকে হত্যা করতে চেয়েছিল সৌদি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের বিশেষ বাহিনী আল কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যা করতে চেয়েছিলো সৌদি আরব। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনটি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের মার্চে রিয়াদে সৌদি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন সম্প্রতি খাশোগি হত্যাকাণ্ডে পদচ্যুত সৌদি গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আহমেদ আল-আসিরি। যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ এই জেনারেল সৌদি ব্যবসায়ীদের বলেন, যেকোনো উপায়ে ইরানের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে হবে। বৈঠকে এ লক্ষ্যে ২০০ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়ার কথা বলা হয়।

একইসঙ্গে আসিরি ইরানের জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যার উপায় নিয়েও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অন্যতম একটি ব্রিগেড হলো আল কুদস। মোহাম্মাদ বিন সালমান সৌদি আরবের যুবরাজের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যখন ক্ষমতা সংহত করার কাজে হাত দেন তখন রিয়াদে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বিন সালমান ক্ষমতা গ্রহণ করার পরপরই তার বিরোধীদের দমনের উদ্দেশ্যে জামাল খাশোগির মতো হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদন দেন।তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি সৌদি সরকার।

গত দুই অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। শুরুতে তাকে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তা স্বীকার করতে বাধ্য হয় সৌদি। এর সঙ্গে রাজ পরিবারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই জানিয়ে এ ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে সৌদি পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত খাসোগির মৃহদেহের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে যে খাসোগিকে হত্যার পর মৃহদেহ টুকরো টুকরো করে এসিড দিয়ে গলিয়ে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো আন্তর্জাতিক সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছে সৌদি। অপর দিকে ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় বেসামরিক লোক নিহতের ঘটনায়ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার শিকার হচ্ছে দেশটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইরানের জেনারেলকে হত্যা করতে চেয়েছিল সৌদি

আপডেট সময় ১২:১১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের বিশেষ বাহিনী আল কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যা করতে চেয়েছিলো সৌদি আরব। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনটি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের মার্চে রিয়াদে সৌদি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন সম্প্রতি খাশোগি হত্যাকাণ্ডে পদচ্যুত সৌদি গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আহমেদ আল-আসিরি। যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ এই জেনারেল সৌদি ব্যবসায়ীদের বলেন, যেকোনো উপায়ে ইরানের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে হবে। বৈঠকে এ লক্ষ্যে ২০০ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়ার কথা বলা হয়।

একইসঙ্গে আসিরি ইরানের জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যার উপায় নিয়েও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অন্যতম একটি ব্রিগেড হলো আল কুদস। মোহাম্মাদ বিন সালমান সৌদি আরবের যুবরাজের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যখন ক্ষমতা সংহত করার কাজে হাত দেন তখন রিয়াদে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বিন সালমান ক্ষমতা গ্রহণ করার পরপরই তার বিরোধীদের দমনের উদ্দেশ্যে জামাল খাশোগির মতো হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদন দেন।তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি সৌদি সরকার।

গত দুই অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। শুরুতে তাকে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তা স্বীকার করতে বাধ্য হয় সৌদি। এর সঙ্গে রাজ পরিবারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই জানিয়ে এ ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে সৌদি পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত খাসোগির মৃহদেহের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে যে খাসোগিকে হত্যার পর মৃহদেহ টুকরো টুকরো করে এসিড দিয়ে গলিয়ে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো আন্তর্জাতিক সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছে সৌদি। অপর দিকে ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় বেসামরিক লোক নিহতের ঘটনায়ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার শিকার হচ্ছে দেশটি।