ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

‘দুই কারণে সংলাপে রাজি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আলোচনায় বসছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। ঐক্যফ্রন্ট থেকে দেয়া চিঠির উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এ সময় দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময় গণভবনে আলোচনার জন্য উভয়পক্ষ প্রস্তুত।

তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ ফলপ্রসূ করতে গেলে দুপক্ষের সদিচ্ছা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে মনে করেন রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী।

গণভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতাসহ ২১ সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদের মধ্যে দলটির শরিক ১৪ দলীয় জোটের তিন নেতাও থাকবেন।

এর আগে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে দেয়া সাত দফা দাবির কোনোটিই মানা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতারা। ফলে রাজনীতি নতুন করে আরেকটি শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল।

আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী রাজি হওয়া এবং ঐক্যফ্রন্টকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানানোর পর সেই শঙ্কা অনেকটা দূর হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কেন আলোচনায় রাজি হলেন?

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী মনে করেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শুরু থেকেই চাইছিল যে একটা সংলাপ হোক, পরে ক্ষমতাসীনরা এতে সায় দিয়েছে।

এর পেছনে দুই বিষয়কে প্রধান কারণ, প্রথমত সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটা চাপ আছে।

দ্বিতীয়ত, সরকার দেখাতে চাইছে যে, তারা সংলাপে বসেছে। সেটা লোক-দেখানো হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

‘দুই কারণে সংলাপে রাজি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

আপডেট সময় ০৫:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আলোচনায় বসছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। ঐক্যফ্রন্ট থেকে দেয়া চিঠির উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এ সময় দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময় গণভবনে আলোচনার জন্য উভয়পক্ষ প্রস্তুত।

তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ ফলপ্রসূ করতে গেলে দুপক্ষের সদিচ্ছা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে মনে করেন রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী।

গণভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতাসহ ২১ সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদের মধ্যে দলটির শরিক ১৪ দলীয় জোটের তিন নেতাও থাকবেন।

এর আগে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে দেয়া সাত দফা দাবির কোনোটিই মানা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতারা। ফলে রাজনীতি নতুন করে আরেকটি শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল।

আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী রাজি হওয়া এবং ঐক্যফ্রন্টকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানানোর পর সেই শঙ্কা অনেকটা দূর হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কেন আলোচনায় রাজি হলেন?

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী মনে করেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শুরু থেকেই চাইছিল যে একটা সংলাপ হোক, পরে ক্ষমতাসীনরা এতে সায় দিয়েছে।

এর পেছনে দুই বিষয়কে প্রধান কারণ, প্রথমত সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটা চাপ আছে।

দ্বিতীয়ত, সরকার দেখাতে চাইছে যে, তারা সংলাপে বসেছে। সেটা লোক-দেখানো হতে পারে।