অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ভারতে অনুপ্রবেশের ঘটনায় করা মামলার রায় আজ সোমবারও ঘোষণা করা হয়নি। রায় ঘোষণার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৯ নভেম্বর।
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের একটি আদালতে রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ পেছাল।
আদালত সূত্র জানায়, রায় ঘোষণার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৯ নভেম্বর।
বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিনের আইনজীবী এসপি মহন্ত সোমবার শিলং থেকে মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আজ আদালতে সময় আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রাজীব নাথ। পরে আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ৯ নভেম্বর রায় ঘোষণা নতুন দিন ধার্য করেন। এর বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।
গত ২৫ জুন উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ১৩ আগস্ট রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন। কিন্তু পরে তা পিছিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বের দিন ধার্য করা হয়।
১৯৪৬ সালের ১৪ ধারা অনুযায়ী, অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে করা মামলায় ২০১৫ সালের ২২ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দেয় শিলং পুলিশ।
এতে বলা হয়, বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদের শিলংয়ে আকস্মিক উপস্থিতি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিচার এড়াতে তিনি ভারতে এসেছেন।
এ মামলায় আদালত সালাহ উদ্দিন আহমেদের বক্তব্য রেকর্ড করেন। এ ছাড়া তাকে শিলংয়ে পাওয়ার পর যে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়, সেই হাসপাতালের দুই চিকিৎসকসহ ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের সাজা হতে পারে সালাহ উদ্দিন আহমেদের।
২০১৫ সালের ১০ মার্চ ঢাকার উত্তরা থেকে অপহৃত হন সালাহ উদ্দিন আহমেদ। অপহরণের প্রায় দুই মাস পর ২০১৫ সালের ১১ মে ভোরে শিলংয়ের গলফ লিংক এলাকায় ঘোরাঘুরির সময় পুলিশ তাকে আটক করে।
ফরেনারস অ্যাক্টের আওতায় মামলার তদন্ত শেষে মেঘালয় পুলিশ ২০১৫ সালের ৩ জুন সালাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। কিছু দিন হাসপাতাল ও কারাগারে কাটানোর পর ওই বছরের ৫ জুন মুক্তি পান তিনি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















