ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দুর্নীতি করে অর্থনীতির বেহাল দশা করে গেছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নির্বাচনের আগে থেকেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে জামায়াত: মির্জা ফখরুল জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: সিটিটিসি জ্বালানির কারণে রফতানি কমেছে—এমন ধারণা ভুল: পাটমন্ত্রী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন মেধানির্ভর আত্মবিশ্বাসী মানবসম্পদ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প

গোল বলের কোনো বিশ্বাস নাই: মুস্তাফিজ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

তাঁর ম্যাজিক্যাল ওভারেই হারের মুখ থেকে মনে রাখার মতো জয়টা এসেছে । শেষ ওভারে আফগানদের দরকার ছিল মাত্র ৮ রান। হাতে চার উইকেট। কিন্তু দুর্দান্ত বোলিং করে এক উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি মাত্র ৪ রান দিয়ে নাটকীয় জয় এনে দেন কাটার বয়।

মুস্তাফিজের প্রেস কনফারেন্স সাধারণত ৫/৬ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। এক কথায় উত্তর। প্রশ্নের চেয়ে উত্তর ছোট। আজকের প্রেস কনফারেন্স অবশ্য একটু লম্বাই হলো! প্রায় মিনিট দশেক। প্রশ্নের জবাব দিলেন এবং যথারীতি হাসালেনও। নিচে মুস্তাফিজের সংবাদ সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরা হলো-

গোল বলের কোনো বিশ্বাস নাই

দুবাইয়ের চেয়েও ওখানে গরম একটু বেশি। অনেক ঘেমেছে সবাই। ক্র্যাম্প করছিল। আমার না শুধু, অনেকেরই। সবার অনেক কষ্ট হয়ে গেছে। কষ্টের ফলে জেতাটা স্বস্তি দিয়েছে। ভাই ( মাশরাফি) আমাকে একটা কথা বলছিল যে, তোর বোলিং করা লাগবেই। মাঝখানে ৩ ওভার বোলিংয়ের সময় ভাইকে বলেছি যে,পায়ে লাগছে। ভাই তখন বলেছেন যে, তুই রেস্ট নে। শেষে করবি আবার। আমি বলছি যে, ভাই ঠিক আছে, যেভাবে পারি করব। গোল বলের কোনো বিশ্বাস নাই। ওপরওয়ালা সহায় থাকলে হবে।

কপালে ছিল

শেষ ওভারে কুড়ির ওপরে থাকলে ঠিক আছে। কিন্তু ২০ পর্যন্ত থাকলে কোনো গ্যারান্টি নেই। যেকোনো মুহূর্তে নিতে পারে। আমার চেষ্টা ছিল, নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল। আর ভালো সময় গেছে। এই আর কী। এখানে অনেক অভিজ্ঞ বোলাররাও শেষ ওভারে ৮-১০ রান দিয়েই দেয়। এটা কপালে আছে।রান আপে বেশি জোরে দৌঁড়ালে আমার পায়ে টান লাগছিল। আমি এজন্য এমন ভাবে দৌড়ালাম যেন পায়ে না লাগে। ওভাবেই বোলিং করছি ।

নরমাল বোলিং করার দরকার ছিল, করেছি

নরম্যালি বোলিং কার দরকার, করছি। বেশি ভাবলে দেখা যেত যে, ওই ওভারেই নিয়ে নিছে ৮ রান। বেশি ভাবি নাই, এই কারণেই জিতেছি। পায়ে লাগছিল। কিন্তু এখন করা তো লাগবেই। আর অপশন নাই। বেশি লাগলে শর্ট রান আপে করতাম। (ফিল্ড প্লেসিং) ভাই ( মাশরাফি) আমাকে বলছেন, তুই যেটা ভালো মনে করিস সেটা কর। আমি জাতীয় দলে খেললে সবসময় সিনিয়রদের দেখি। কি করলে, কোনটা নিলে, কোন জায়গায় ফিল্ডার নিলে ভালো হয়।

লক্ষ্য ছিল শেষ বলে চার যেন না হয়

কপালে না থাকলে হতো না। শেষ বলটি একটু সামনে করলে নাগালের বাইরে থাকবে। পেছনে করলে টানলেও পেছনের দিক থেকে। মাঠ অনেক বড় ছিল, ছয় হলে হলো, কিন্তু চার যেন না হয়। আমি অত বেশি ভাবি না।

ভয় পেয়ে লাভ নেই

জেতার কারণে আমাদের ভালো হয়েছে। আগে একরকম লেগেছে দুটি ম্যাচ হারার পর। এখন একটি জিতছি, এই ম্যাচ জিতলে ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ। ফুরফুরে মেজাজে থাকারই কথা। ভয় পেয়ে লাভ নাই।

মাশরাফি ভাই বলছিলেন, আজ তুই জেতা

শেষ ওভারে যথন ৮ রান বাকি ছিল, মাশরাফি ভাই এটাই বলছিল যে, আমরা অনেকবার ৮-৯ রান করতে গিয়ে হারছি। আজকে তুই জেতা।ভাই বলার সময় ভালো লাগছিল। কিন্তু পারছিলাম না, তবুও চেষ্টা করলাম যে, কপালে থাকলে হবে। পাশে অপু ভাই ছিল, ভাইও বলছিল যে দ্যাখ। আমি বললাম যে, কপালে থাকলে হবে, না হলে নাই। আমি সবসময়ই মাশরাফি ভাই, সাকিব ভাই, সিনিয়র যারা আছে, সবাই কিছু বললে আমার ভালো লাগে।’

গেইল ও পাকিস্তানকে বিশ্বাস নাই

গেইলের কথা সবাই বলে যে, গেইল যেদি খেলে, সেদিন আর কারও করার থাকে না। পাকিস্তানেরও বিশ্বাস নাই। ওরা যেদিন খেলে, সেদিন পাত্তাও দেয় না। যদি আমাদের ভাগ্যে থাকে, তাহলে উল্টোটা হতে পারে। না থাকলে নাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কলেজছাত্রের বানানো গো-কার্ট চালালেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন উৎসাহ

গোল বলের কোনো বিশ্বাস নাই: মুস্তাফিজ

আপডেট সময় ০৮:১০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

তাঁর ম্যাজিক্যাল ওভারেই হারের মুখ থেকে মনে রাখার মতো জয়টা এসেছে । শেষ ওভারে আফগানদের দরকার ছিল মাত্র ৮ রান। হাতে চার উইকেট। কিন্তু দুর্দান্ত বোলিং করে এক উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি মাত্র ৪ রান দিয়ে নাটকীয় জয় এনে দেন কাটার বয়।

মুস্তাফিজের প্রেস কনফারেন্স সাধারণত ৫/৬ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। এক কথায় উত্তর। প্রশ্নের চেয়ে উত্তর ছোট। আজকের প্রেস কনফারেন্স অবশ্য একটু লম্বাই হলো! প্রায় মিনিট দশেক। প্রশ্নের জবাব দিলেন এবং যথারীতি হাসালেনও। নিচে মুস্তাফিজের সংবাদ সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরা হলো-

গোল বলের কোনো বিশ্বাস নাই

দুবাইয়ের চেয়েও ওখানে গরম একটু বেশি। অনেক ঘেমেছে সবাই। ক্র্যাম্প করছিল। আমার না শুধু, অনেকেরই। সবার অনেক কষ্ট হয়ে গেছে। কষ্টের ফলে জেতাটা স্বস্তি দিয়েছে। ভাই ( মাশরাফি) আমাকে একটা কথা বলছিল যে, তোর বোলিং করা লাগবেই। মাঝখানে ৩ ওভার বোলিংয়ের সময় ভাইকে বলেছি যে,পায়ে লাগছে। ভাই তখন বলেছেন যে, তুই রেস্ট নে। শেষে করবি আবার। আমি বলছি যে, ভাই ঠিক আছে, যেভাবে পারি করব। গোল বলের কোনো বিশ্বাস নাই। ওপরওয়ালা সহায় থাকলে হবে।

কপালে ছিল

শেষ ওভারে কুড়ির ওপরে থাকলে ঠিক আছে। কিন্তু ২০ পর্যন্ত থাকলে কোনো গ্যারান্টি নেই। যেকোনো মুহূর্তে নিতে পারে। আমার চেষ্টা ছিল, নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল। আর ভালো সময় গেছে। এই আর কী। এখানে অনেক অভিজ্ঞ বোলাররাও শেষ ওভারে ৮-১০ রান দিয়েই দেয়। এটা কপালে আছে।রান আপে বেশি জোরে দৌঁড়ালে আমার পায়ে টান লাগছিল। আমি এজন্য এমন ভাবে দৌড়ালাম যেন পায়ে না লাগে। ওভাবেই বোলিং করছি ।

নরমাল বোলিং করার দরকার ছিল, করেছি

নরম্যালি বোলিং কার দরকার, করছি। বেশি ভাবলে দেখা যেত যে, ওই ওভারেই নিয়ে নিছে ৮ রান। বেশি ভাবি নাই, এই কারণেই জিতেছি। পায়ে লাগছিল। কিন্তু এখন করা তো লাগবেই। আর অপশন নাই। বেশি লাগলে শর্ট রান আপে করতাম। (ফিল্ড প্লেসিং) ভাই ( মাশরাফি) আমাকে বলছেন, তুই যেটা ভালো মনে করিস সেটা কর। আমি জাতীয় দলে খেললে সবসময় সিনিয়রদের দেখি। কি করলে, কোনটা নিলে, কোন জায়গায় ফিল্ডার নিলে ভালো হয়।

লক্ষ্য ছিল শেষ বলে চার যেন না হয়

কপালে না থাকলে হতো না। শেষ বলটি একটু সামনে করলে নাগালের বাইরে থাকবে। পেছনে করলে টানলেও পেছনের দিক থেকে। মাঠ অনেক বড় ছিল, ছয় হলে হলো, কিন্তু চার যেন না হয়। আমি অত বেশি ভাবি না।

ভয় পেয়ে লাভ নেই

জেতার কারণে আমাদের ভালো হয়েছে। আগে একরকম লেগেছে দুটি ম্যাচ হারার পর। এখন একটি জিতছি, এই ম্যাচ জিতলে ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ। ফুরফুরে মেজাজে থাকারই কথা। ভয় পেয়ে লাভ নাই।

মাশরাফি ভাই বলছিলেন, আজ তুই জেতা

শেষ ওভারে যথন ৮ রান বাকি ছিল, মাশরাফি ভাই এটাই বলছিল যে, আমরা অনেকবার ৮-৯ রান করতে গিয়ে হারছি। আজকে তুই জেতা।ভাই বলার সময় ভালো লাগছিল। কিন্তু পারছিলাম না, তবুও চেষ্টা করলাম যে, কপালে থাকলে হবে। পাশে অপু ভাই ছিল, ভাইও বলছিল যে দ্যাখ। আমি বললাম যে, কপালে থাকলে হবে, না হলে নাই। আমি সবসময়ই মাশরাফি ভাই, সাকিব ভাই, সিনিয়র যারা আছে, সবাই কিছু বললে আমার ভালো লাগে।’

গেইল ও পাকিস্তানকে বিশ্বাস নাই

গেইলের কথা সবাই বলে যে, গেইল যেদি খেলে, সেদিন আর কারও করার থাকে না। পাকিস্তানেরও বিশ্বাস নাই। ওরা যেদিন খেলে, সেদিন পাত্তাও দেয় না। যদি আমাদের ভাগ্যে থাকে, তাহলে উল্টোটা হতে পারে। না থাকলে নাই।