ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে ৩৮ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: ইসি সচিব থানার সামনে গিয়ে আত্মহত্যার হুমকি বিএনপি নেতার জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, কর্নেল অলি তার বাস্তব উদাহরণ বিরোধী দলের নেতারা হাসিনার ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছেন : মির্জা ফখরুল প্রাতিষ্ঠানিকের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার আন্দোলনের মুখে বিলবোর্ড থেকে দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ছবি সরিয়ে দিল রাবি প্রশাসন রাজনীতিকে কৃত্রিমভাবে সংসদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা কাজ করছে: তথ্যমন্ত্রী ইরানে হামলা স্থগিত হলেও মার্কিন বাহিনী জবাব দিতে ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’: হেগসেথ বরিশালে বোমা সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে একই পরিবারে দগ্ধ ৩ ৫ আগস্ট ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিডিয়ার কাউকে মুখ বা গলা চেপে ধরিনি: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অামরা সংবাদপত্র ও মিডিয়ার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। অামরা এত উন্নয়ন করার পরও অনেকেই নানাভাবে সমালোচনা করেন। আমরা ক্ষমতায় এসে কারো মুখ বা গলা চেপে ধরিনি, কারো কথা বলার অধিকারও কেড়ে নিইনি।

বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহত এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা, ভাতা ও অনুদানের চেক তুলে দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে একটি টেলিভিশন এবং একটি রেডিও পেয়েছি। এরপর অামরা বেসরকারি খাতে টেলিভিশন উন্মুক্ত করে দেই। সংবাদপত্র এবং রেডিও যে যেভাবে চেয়েছে অামরা অনুমোদন দিয়েছি। তারপরও অামি কখনো সংবাদপত্রে বা মিডিয়ায় ভালো প্রচার পাইনি।

তিনি বলেন, শুধু সাংবাদিক নয়। সকল পেশাজীবী মানুষের উন্নয়নে অামরা কাজ করে যাচ্ছি। অামি মনে করি এটা অামার দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ, বঙ্গবন্ধুও সারাজীবন শুধু মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। অামি খুব কাছে থেকে দেখেছি সাংবাদিকদের জীবন কেমন। তাদের চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। বেতনেরও নিশ্চয়তা কম। এ কারণে অামি নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করি।

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আরো ২০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছি। এই ফান্ডে আমি কিছু টাকা দিয়েছিলাম। পত্রিকার মালিকরা এই ফান্ডে কোনও টাকা দেননি। মাত্র দুজন টেলিভিশন মালিক ফান্ডে সহায়তা করেছেন। সেখানে এখন ১৪ কোটি টাকা আছে। আমি আরো ২০ কোটি টাকা দেবো। এ সময় সংবাদমাধ্যম মালিকদের কল্যাণ ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি মনে করি, এটি আমার একটা দায়িত্ব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করছি।

অনুষ্ঠানে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহত এবং নিহত ১১৩ জন সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে ৮৫ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বিএফইউজের মহাসচিব মোল্লা জালাল, সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সাধাররণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে ৩৮ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: ইসি সচিব

মিডিয়ার কাউকে মুখ বা গলা চেপে ধরিনি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:২২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অামরা সংবাদপত্র ও মিডিয়ার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। অামরা এত উন্নয়ন করার পরও অনেকেই নানাভাবে সমালোচনা করেন। আমরা ক্ষমতায় এসে কারো মুখ বা গলা চেপে ধরিনি, কারো কথা বলার অধিকারও কেড়ে নিইনি।

বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহত এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা, ভাতা ও অনুদানের চেক তুলে দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে একটি টেলিভিশন এবং একটি রেডিও পেয়েছি। এরপর অামরা বেসরকারি খাতে টেলিভিশন উন্মুক্ত করে দেই। সংবাদপত্র এবং রেডিও যে যেভাবে চেয়েছে অামরা অনুমোদন দিয়েছি। তারপরও অামি কখনো সংবাদপত্রে বা মিডিয়ায় ভালো প্রচার পাইনি।

তিনি বলেন, শুধু সাংবাদিক নয়। সকল পেশাজীবী মানুষের উন্নয়নে অামরা কাজ করে যাচ্ছি। অামি মনে করি এটা অামার দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ, বঙ্গবন্ধুও সারাজীবন শুধু মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। অামি খুব কাছে থেকে দেখেছি সাংবাদিকদের জীবন কেমন। তাদের চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। বেতনেরও নিশ্চয়তা কম। এ কারণে অামি নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করি।

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আরো ২০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছি। এই ফান্ডে আমি কিছু টাকা দিয়েছিলাম। পত্রিকার মালিকরা এই ফান্ডে কোনও টাকা দেননি। মাত্র দুজন টেলিভিশন মালিক ফান্ডে সহায়তা করেছেন। সেখানে এখন ১৪ কোটি টাকা আছে। আমি আরো ২০ কোটি টাকা দেবো। এ সময় সংবাদমাধ্যম মালিকদের কল্যাণ ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি মনে করি, এটি আমার একটা দায়িত্ব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করছি।

অনুষ্ঠানে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহত এবং নিহত ১১৩ জন সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে ৮৫ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বিএফইউজের মহাসচিব মোল্লা জালাল, সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সাধাররণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।