অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
আজ থেকে ৪৪ বছর আগে জাতিসংঘের সদস্যপদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে জাতিসংঘকে তেমন কোনো হস্তক্ষেপ করতে দেখা যায়নি।
গত জাতীয় নির্বাচনের আগে বিবদমান রাজনৈতিক সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রেখেছিল জাতিসংঘ। জাতিসংঘ মহাসচিবের দূত হয়ে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন ফার্নান্দেজ তারানকো। কিন্তু তাকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছিল।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যখন আবারো রাজনৈতিক সংকটের আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে এমন সময়ে বিরোধী দল বিএনপি চেষ্টা করছে জাতিসংঘের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে।
কিন্তু কোনো দেশের আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধ মীমাংসায় জাতিসংঘ আসলে কী ভূমিকা রাখতে পারে? এ রকম ভূমিকা পালনের এখতিয়ারই-বা তাদের কতটা আছে?
বাংলাদেশের সাবেক একজন কূটনীতিক নাসিম ফেরদৌস মনে করেন, দেশের রাজনীতিতে জাতিসংঘের ভূমিকা রাখার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। কয়েকবারই সরকার গঠন করেছে। তারা রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে পারে। কিন্ত নালিশ করার কোনো সুযোগ নেই অথবা কোনো সাহায্য চাওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। সে কারণেই হয়তো তারা সে কথাগুলো উচ্চারণ করেন নাই। কারণ জাতিসংঘের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করার কোনো উপায় নেই, কোনো এখতিয়ারও নেই।’
সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এবং বিএনপি নেতা শমসের মবিন চৌধুরী বলেছেন, রাজনৈতিক বিবাদের ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিজে থেকে কোনো চাপ সৃষ্টি করারও সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, কোনো দেশে যখন গৃহযুদ্ধ চলে বা সামরিক সংঘাতের মতো পরিস্থিতি হয়; তখন সেখানে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনের ভিত্তিতে জাতিসংঘ ব্যবস্থা নিতে পারে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















