ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

এবারের সংগ্রাম ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম: রওশন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের অনুকরণ করে নতুন স্লোগান দিয়েছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম মু্ক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। আর রওশন বলেছেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনের সংগ্রাম।’

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে জাপা আয়োজিত এক যৌথ সভায় এই স্লোগান দেন রওশদ। এরশাদপত্নী মনে করেন, আগামী নির্বাচনে জিততে হলে জনগণকে তাদের আমলের উন্নয়নের চিত্র সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

‘জনগণ জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখেছে ২৮-২৯ বছর আগে। এর মাঝখানে আমরা আর ক্ষমতায় যেতে পারিনি। তবে আমি মনে করছি এবার আমাদের সামনে ভালো একটি সুযোগ এসেছে।’

‘আমরা যদি পার্টিকে সংগঠিত করতে পরি এবং জনগণকে আমাদের উন্নয়ন চিত্র দেখাতে পারি তাহরেল ইনশল্লাহ আগামীতে ক্ষমতায় যেতে পারব।’

১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টি ক্ষমতা ছাড়ার পর দেশে সে রকম উন্নয়ন হয়নি বলে দাবি করেন রওশন। বলেন, ‘জাতীয় পার্টি যে উন্নয়ন করেছে একটা একটা করে সাত দিন বললেও শেষ হবে না। আমাদের উন্নয়নগুলো জাতীয়কে জানাতে হবে।’

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আমলের চেয়ে জাতীয় পার্টির আমলে বেশি উন্নয়ন হয়েছে দাবি করে এরশাদকে উন্নয়নের ‘স্বপ্নদ্রষ্টা’ বলে উল্লেখ করেন রওশন।

এরশাদ সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তিনি ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রধান সামরিক প্রশাসক হিসেবে দেশ শাসন করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই দলের মনোনয়ন নিয়ে ১৯৮৬ সালে পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

রওশন বলেন, ‘আমরা দেশেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি মুক্ত করে শান্তিময় করে তুলতে চাই। মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই এবং উন্নত মানের শিক্ষা ব্যবস্থা সৃষ্টি আমাদের লক্ষ্য।’

সব শেষে জাতীয় পার্টির দলীয় সঙ্গীত গেয়ে বক্তব্য শেষ করেন দলের কো চেয়ারম্যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

এবারের সংগ্রাম ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম: রওশন

আপডেট সময় ০১:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের অনুকরণ করে নতুন স্লোগান দিয়েছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম মু্ক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। আর রওশন বলেছেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনের সংগ্রাম।’

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে জাপা আয়োজিত এক যৌথ সভায় এই স্লোগান দেন রওশদ। এরশাদপত্নী মনে করেন, আগামী নির্বাচনে জিততে হলে জনগণকে তাদের আমলের উন্নয়নের চিত্র সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

‘জনগণ জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখেছে ২৮-২৯ বছর আগে। এর মাঝখানে আমরা আর ক্ষমতায় যেতে পারিনি। তবে আমি মনে করছি এবার আমাদের সামনে ভালো একটি সুযোগ এসেছে।’

‘আমরা যদি পার্টিকে সংগঠিত করতে পরি এবং জনগণকে আমাদের উন্নয়ন চিত্র দেখাতে পারি তাহরেল ইনশল্লাহ আগামীতে ক্ষমতায় যেতে পারব।’

১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টি ক্ষমতা ছাড়ার পর দেশে সে রকম উন্নয়ন হয়নি বলে দাবি করেন রওশন। বলেন, ‘জাতীয় পার্টি যে উন্নয়ন করেছে একটা একটা করে সাত দিন বললেও শেষ হবে না। আমাদের উন্নয়নগুলো জাতীয়কে জানাতে হবে।’

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আমলের চেয়ে জাতীয় পার্টির আমলে বেশি উন্নয়ন হয়েছে দাবি করে এরশাদকে উন্নয়নের ‘স্বপ্নদ্রষ্টা’ বলে উল্লেখ করেন রওশন।

এরশাদ সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তিনি ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রধান সামরিক প্রশাসক হিসেবে দেশ শাসন করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই দলের মনোনয়ন নিয়ে ১৯৮৬ সালে পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

রওশন বলেন, ‘আমরা দেশেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি মুক্ত করে শান্তিময় করে তুলতে চাই। মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই এবং উন্নত মানের শিক্ষা ব্যবস্থা সৃষ্টি আমাদের লক্ষ্য।’

সব শেষে জাতীয় পার্টির দলীয় সঙ্গীত গেয়ে বক্তব্য শেষ করেন দলের কো চেয়ারম্যান।