ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি উল্টো ফল দেবে: পুতিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ইরানের কাছে এখনো ২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আছে: ট্রাম্প বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩ ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার আগেই প্রতিহত করতে চাই: ডিএসসিসি প্রশাসক ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

প্রজনন মৌসুমের আগে ইলিশের বাজার চড়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইলিশের প্রজনন মৌসুম সামনে রেখে অক্টোবরের শুরু থেকে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা রযেছে। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রজনন মৌসুমের আগে বেড়েছে ইলিশের দাম।

এ সময়ে ক্রেতাদের মধ্যে ইলিশের চাহিদাও বেড়েছে। নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে দাম আরও বাড়ার আশঙ্কায় অনেকে বেশি পরিমাণে ইলিশ কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করছেন। ক্রেতার চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ইলিশের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

এ ছাড়া কাঁচাবাজারে বেড়েছে সবজি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। কোরবানির ঈদের পরে মাংসের বাজার আগের মতোই।

ইলিশের বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় এখন দাম বেশ কিছুটা গরম। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০০-২০০০ টাকা হালি দরে। এক কেজি ওজনের ইলিশের হালি ৪ হাজার টাকা থেকে ৪৮০০ টাকা পর্যন্ত। এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এক হালি ইলিশ মাছ কিনতে গুনতে হচ্ছে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত।

মোহাম্মদপুর নতুন কাঁচাবাজারের মাছ বিক্রেতা বশিরের মতে ইলিশের দাম ঠিকই আছে। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘দামটাই দেখলেন, মাছ দেখবেন না? এই মাছ এর চেয়ে কম দামে পাওয়া যায়।’

ইলিশের পাশাপাশি অন্যান্য মাছের দামও কিছুটা বেড়েছে। ছোট চিংড়ি বিক্রি হতে দেখা গেছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে। মাঝারি ও বড় আকারের চিংড়ি বিক্রি আকার অনুপাতে ৮০০ থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত।

এ ছাড়া রুই ৩৫০, বোয়াল ৫০০-৫৫০, তেলাপিয়া ২২০, নলা মাছ ৩২০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৈ মাছ ২০০ টাকা, শিং কেজি ৫০০-৬০০ টাকা।

বেড়েছে সবজি ও মুরগরি দাম :

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দামের দিক থেকে কিছু পরিবর্তন এসেছে সবজির বাজারে। বেড়েছে টমেটো, শিম, করল্লার দাম। ৮০-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে। করল্লা ৬০ টাকায়, শিম ১২০ টাকা।

দেড় শর ঘর থেকে কিছুটা নেমে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি। কিছুটা দাম কমেছে ছোট মিষ্টি কুমড়ার।

অপরিবর্তিত আছে বেগুন, শসা, বরবটি, লতি, পেঁপে, চিচিঙ্গা ও ঝিঙার দাম। ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এসব সবজি।

মুলা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি সাইজ অনুপাতে প্রতি পিছ ৪০-৫০ টাকা।

মুরগি বেড়েছে গরু স্থির

দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির। ঈদের আগে কমা দাম এখন বাড়তির পথে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ৫-১০ টাকা বেশি।

দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা কেজি দরে। ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে পাকিস্তানি মুরগি।

গরুর মাংস ঢাকা দক্ষিণের বাজারে ৪৫০ থেকে ৪৬০ আর উত্তরের বাজারে ৪৮০-৫০০ টাকা কেজি। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা এবং বকরির মাংস ৬৫০ টাকা কেজি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার চেয়ে বড় ফেভারিট ব্রাজিল, বললেন মেসি

প্রজনন মৌসুমের আগে ইলিশের বাজার চড়া

আপডেট সময় ০৩:২৮:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইলিশের প্রজনন মৌসুম সামনে রেখে অক্টোবরের শুরু থেকে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা রযেছে। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রজনন মৌসুমের আগে বেড়েছে ইলিশের দাম।

এ সময়ে ক্রেতাদের মধ্যে ইলিশের চাহিদাও বেড়েছে। নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে দাম আরও বাড়ার আশঙ্কায় অনেকে বেশি পরিমাণে ইলিশ কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করছেন। ক্রেতার চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ইলিশের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

এ ছাড়া কাঁচাবাজারে বেড়েছে সবজি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। কোরবানির ঈদের পরে মাংসের বাজার আগের মতোই।

ইলিশের বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় এখন দাম বেশ কিছুটা গরম। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০০-২০০০ টাকা হালি দরে। এক কেজি ওজনের ইলিশের হালি ৪ হাজার টাকা থেকে ৪৮০০ টাকা পর্যন্ত। এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এক হালি ইলিশ মাছ কিনতে গুনতে হচ্ছে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত।

মোহাম্মদপুর নতুন কাঁচাবাজারের মাছ বিক্রেতা বশিরের মতে ইলিশের দাম ঠিকই আছে। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, ‘দামটাই দেখলেন, মাছ দেখবেন না? এই মাছ এর চেয়ে কম দামে পাওয়া যায়।’

ইলিশের পাশাপাশি অন্যান্য মাছের দামও কিছুটা বেড়েছে। ছোট চিংড়ি বিক্রি হতে দেখা গেছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে। মাঝারি ও বড় আকারের চিংড়ি বিক্রি আকার অনুপাতে ৮০০ থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত।

এ ছাড়া রুই ৩৫০, বোয়াল ৫০০-৫৫০, তেলাপিয়া ২২০, নলা মাছ ৩২০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৈ মাছ ২০০ টাকা, শিং কেজি ৫০০-৬০০ টাকা।

বেড়েছে সবজি ও মুরগরি দাম :

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দামের দিক থেকে কিছু পরিবর্তন এসেছে সবজির বাজারে। বেড়েছে টমেটো, শিম, করল্লার দাম। ৮০-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে। করল্লা ৬০ টাকায়, শিম ১২০ টাকা।

দেড় শর ঘর থেকে কিছুটা নেমে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি। কিছুটা দাম কমেছে ছোট মিষ্টি কুমড়ার।

অপরিবর্তিত আছে বেগুন, শসা, বরবটি, লতি, পেঁপে, চিচিঙ্গা ও ঝিঙার দাম। ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এসব সবজি।

মুলা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি সাইজ অনুপাতে প্রতি পিছ ৪০-৫০ টাকা।

মুরগি বেড়েছে গরু স্থির

দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির। ঈদের আগে কমা দাম এখন বাড়তির পথে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ৫-১০ টাকা বেশি।

দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা কেজি দরে। ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে পাকিস্তানি মুরগি।

গরুর মাংস ঢাকা দক্ষিণের বাজারে ৪৫০ থেকে ৪৬০ আর উত্তরের বাজারে ৪৮০-৫০০ টাকা কেজি। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা এবং বকরির মাংস ৬৫০ টাকা কেজি।