ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

মাহবুব ইসিতে বিএনপির তালিকা থেকে: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রপতিকে যেসব নাম পাঠিয়েছিল তাদের মধ্যে বিএনপির তালিকা থেকে মাহবুব তালুকদারকে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম ব্যবহার নিয়ে বিএনপির আপত্তির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত আলোচনায় ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (আপত্তি) জানানোর পাশাপাশি নজিরবিহীনভাবে আলোচনা বর্জন করেছেন এই নির্বাচন কমিশনার।

বৃহস্পতিবার এই বিষয়টি নিয়ে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠক করে। তাতে মতবিরোধ হতেই পারে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তারা যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটিই চূড়ান্ত। সরকার সেটি মেনে নেবে।’

এর আগেও নির্বাচন কমিশনের নানা উদ্যোগে ভিন্নমত জানিয়েছেন মাহবুব তালুকদার। আর তার অবস্থান বরাবরই গণমাধ্যমে বড় খবর হয়ে এসেছে।

তোফায়েল বলেন, ‘সার্চ কমিটির মাধ্যমে এই ইসি (নির্বাচন কমিশন) গঠিত হয়েছে। এটি গঠনের সময় বিএনপিও নাম দিয়েছিল। মাহবুব তালুকদারের নাম দিয়েছিল বিএনপি।’

মাহবুবকে বিএনপির পছন্দের হওয়াটাকে অবশ্য ‘বড় বিষয়’ হিসেবে দেখছেন না তোফায়েল। বলেন, ‘আমি মনে করি নির্বাচন কমিশনাররা সবাই দক্ষ ও নিরপেক্ষ।’

ইভিএম নিয়ে ভাবনা জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই নেতা বলেন, ‘ইভিএম ব্যবহার সরকারের নয়, ইসির সিদ্ধান্ত। সিলেট, রাজশাহীসহ বিভিন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ইভিএম ব্যবহার করা হয়। তবে বিএনপি এই নির্বাচন কমিশন গঠনের দিন থেকেই তার বিরোধিতা করছে। তারা যেকোনও ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, সমালোচনা করে।’

পুরোপুরি বিতর্কমুক্ত নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তোফায়েল। বলেন, ‘পৃথিবীর এমন একটি দেশের নাম বলুন যেখানে নির্বাচন হওয়ার পর বিতর্ক ওঠেনি। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা।’

‘নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক’

বিএনপি-জামায়াত জোটের বর্জন এবং প্রতিহতের ঘোষণার মধ্যে ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন একতরফা হলেও আগামী জাতীয় নির্বাচন এমন হবে না বলেও মনে করেন তোফায়েল। বলেন, ‘নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন হবে আর সেই নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক।’

‘তবে কেউ যদি আগামী নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে, সরকার তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে ছাড় দেবে না, সরকার বসে থাকবে না।’

‘২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিশ হত্যা করা, পোলিং বুথ পুড়িয়ে দেওয়াসহ যা যা অরাজকতা হয়েছে সেই সুযোগ আর কাউকে দেওয়া হবে না।’

‘কেউ যদি নির্বাচনে না আসে তাহলে নির্বাচন থেমে থাকবে না। ২০১৪ সালে নির্বাচনে বিএনপি আসে নাই, এরপরও নির্বাচন হয়েছে, পুরো বিশ্বের স্বীকৃতিও পেয়েছে। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে বাংলাদেশের সন্তান ও ১৪ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী ও শিরীন শারমিন চৌধুরী আইপিইউ ও সিপিইউ এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।’

‘নতুন জোট নিয়ে আপত্তি নেই’

গণফোরাম ও যুক্তফ্রন্টের নতুন জোটের বিষয়টি নিয়েও তোফায়েলের কাছে প্রশ্ন রাখেন গণমাধ্যমকর্মীরা। জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি জোট গঠন যে কেউ করতে পারে। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নাই।’

গণতান্ত্রিকভাবে ঐক্য করতেই পারে মন্তব্য করে তোফায়েল বলেন, ‘কিন্তু নির্বাচন বানচাল করার যদি কেউ ষড়যন্ত্র করে তখন সরকার নীরব হয়ে থাকবে না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নীরব ভূমিকা পালন করবে না।’

নতুন জোটকে অবশ্য পাত্তা দিচ্ছেন না তোফায়েল। বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন জীবনে কোনও নির্বাচনে ভোটে জয়ী হননি। যেবার জিতেছিলেন সেটি বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া আসনে। আওয়ামী লীগ থেকে তাকে দুইবার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, তিনি দুইবারই পরাজিত হয়েছেন।’

‘ষড়যন্ত্রকারীরা কখনও জেতেনি’

ভারত, সিঙ্গাপুর, লন্ডন, ব্যাংককে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদ নিয়েও কথা বলেন তোফায়েল।

এ সংক্রান্ত প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কে কোথায় বসে কী মিটিং করল, তা নিয়ে আমরা ভাবি না। আমরা ভাবি, বাংলাদেশকে নিয়ে।’

‘ষড়যন্ত্র অতীতেও হয়েছে। শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা বার বার হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রকারীরা টেকেনি।’

‘৭৫ সালে নিষ্পাপ রাসেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ যেন রাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসতে না পারে। আল্লাহর অসীম রহমতে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় বেঁচে গেছেন এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা এখন রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। এর মধ্য দিয়েই প্রমাণিত হয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা বারবার ব্যর্থ হয়েছে, কোনও ষড়যন্ত্র টেকেনি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

মাহবুব ইসিতে বিএনপির তালিকা থেকে: তোফায়েল

আপডেট সময় ০৪:১৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রপতিকে যেসব নাম পাঠিয়েছিল তাদের মধ্যে বিএনপির তালিকা থেকে মাহবুব তালুকদারকে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম ব্যবহার নিয়ে বিএনপির আপত্তির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত আলোচনায় ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (আপত্তি) জানানোর পাশাপাশি নজিরবিহীনভাবে আলোচনা বর্জন করেছেন এই নির্বাচন কমিশনার।

বৃহস্পতিবার এই বিষয়টি নিয়ে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠক করে। তাতে মতবিরোধ হতেই পারে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তারা যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটিই চূড়ান্ত। সরকার সেটি মেনে নেবে।’

এর আগেও নির্বাচন কমিশনের নানা উদ্যোগে ভিন্নমত জানিয়েছেন মাহবুব তালুকদার। আর তার অবস্থান বরাবরই গণমাধ্যমে বড় খবর হয়ে এসেছে।

তোফায়েল বলেন, ‘সার্চ কমিটির মাধ্যমে এই ইসি (নির্বাচন কমিশন) গঠিত হয়েছে। এটি গঠনের সময় বিএনপিও নাম দিয়েছিল। মাহবুব তালুকদারের নাম দিয়েছিল বিএনপি।’

মাহবুবকে বিএনপির পছন্দের হওয়াটাকে অবশ্য ‘বড় বিষয়’ হিসেবে দেখছেন না তোফায়েল। বলেন, ‘আমি মনে করি নির্বাচন কমিশনাররা সবাই দক্ষ ও নিরপেক্ষ।’

ইভিএম নিয়ে ভাবনা জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই নেতা বলেন, ‘ইভিএম ব্যবহার সরকারের নয়, ইসির সিদ্ধান্ত। সিলেট, রাজশাহীসহ বিভিন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ইভিএম ব্যবহার করা হয়। তবে বিএনপি এই নির্বাচন কমিশন গঠনের দিন থেকেই তার বিরোধিতা করছে। তারা যেকোনও ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, সমালোচনা করে।’

পুরোপুরি বিতর্কমুক্ত নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তোফায়েল। বলেন, ‘পৃথিবীর এমন একটি দেশের নাম বলুন যেখানে নির্বাচন হওয়ার পর বিতর্ক ওঠেনি। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা।’

‘নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক’

বিএনপি-জামায়াত জোটের বর্জন এবং প্রতিহতের ঘোষণার মধ্যে ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন একতরফা হলেও আগামী জাতীয় নির্বাচন এমন হবে না বলেও মনে করেন তোফায়েল। বলেন, ‘নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন হবে আর সেই নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক।’

‘তবে কেউ যদি আগামী নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে, সরকার তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে ছাড় দেবে না, সরকার বসে থাকবে না।’

‘২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিশ হত্যা করা, পোলিং বুথ পুড়িয়ে দেওয়াসহ যা যা অরাজকতা হয়েছে সেই সুযোগ আর কাউকে দেওয়া হবে না।’

‘কেউ যদি নির্বাচনে না আসে তাহলে নির্বাচন থেমে থাকবে না। ২০১৪ সালে নির্বাচনে বিএনপি আসে নাই, এরপরও নির্বাচন হয়েছে, পুরো বিশ্বের স্বীকৃতিও পেয়েছে। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে বাংলাদেশের সন্তান ও ১৪ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী ও শিরীন শারমিন চৌধুরী আইপিইউ ও সিপিইউ এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।’

‘নতুন জোট নিয়ে আপত্তি নেই’

গণফোরাম ও যুক্তফ্রন্টের নতুন জোটের বিষয়টি নিয়েও তোফায়েলের কাছে প্রশ্ন রাখেন গণমাধ্যমকর্মীরা। জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি জোট গঠন যে কেউ করতে পারে। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নাই।’

গণতান্ত্রিকভাবে ঐক্য করতেই পারে মন্তব্য করে তোফায়েল বলেন, ‘কিন্তু নির্বাচন বানচাল করার যদি কেউ ষড়যন্ত্র করে তখন সরকার নীরব হয়ে থাকবে না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নীরব ভূমিকা পালন করবে না।’

নতুন জোটকে অবশ্য পাত্তা দিচ্ছেন না তোফায়েল। বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন জীবনে কোনও নির্বাচনে ভোটে জয়ী হননি। যেবার জিতেছিলেন সেটি বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া আসনে। আওয়ামী লীগ থেকে তাকে দুইবার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, তিনি দুইবারই পরাজিত হয়েছেন।’

‘ষড়যন্ত্রকারীরা কখনও জেতেনি’

ভারত, সিঙ্গাপুর, লন্ডন, ব্যাংককে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদ নিয়েও কথা বলেন তোফায়েল।

এ সংক্রান্ত প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কে কোথায় বসে কী মিটিং করল, তা নিয়ে আমরা ভাবি না। আমরা ভাবি, বাংলাদেশকে নিয়ে।’

‘ষড়যন্ত্র অতীতেও হয়েছে। শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা বার বার হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রকারীরা টেকেনি।’

‘৭৫ সালে নিষ্পাপ রাসেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ যেন রাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসতে না পারে। আল্লাহর অসীম রহমতে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় বেঁচে গেছেন এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা এখন রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। এর মধ্য দিয়েই প্রমাণিত হয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা বারবার ব্যর্থ হয়েছে, কোনও ষড়যন্ত্র টেকেনি।’