ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

জ্বালাও পোড়াও করলে সংকটে পড়বে বিএনপি: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপির আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এই উপলব্ধি থেকেই দলটি জ্বালাও, পোড়াওয়ের মতো কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে বলে তার ধারণা।

রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু এর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ এই নেতা।

নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিএনপির আশঙ্কার কারণ নেই বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘গতকালও সিলেটে বিএনপি প্রার্থী জিতেছে। নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে তো তিনি জিততে পারতেন না। আমার প্রত্যাশা করি, তারা নির্বাচনে অংশ নেবে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। তাদের সে দাবি পূরণ হচ্ছে না, এটা স্পষ্ট। আর বিএনপি এবার কী করে, সেই প্রশ্ন বড় হয়ে উঠলেও তার কোনো জবাব মিলছে না।

বিএনপি নেতারা যেমন ভোট বর্জন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছেন, তেমনি কেউ কেউ আবার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বানও জানাচ্ছেন। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড পাওয়া দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি। দলীয় নেত্রীকে ছাড়া ভোটে যাবেন না-এই বিষয়টিতে অবশ্য বিএনপি নেতাদের মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই।

অবশ্য বিএনপির ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়া এবার এত সহজ হবে না। কারণ, নিবন্ধন আইন অনুযায়ী পরপর দুই বার ভোট বর্জনকারী দল নিবন্ধন হারাতে পারে।

তোফায়েল বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।… ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বিএনপি যে ভুল করেছে তারা এখন তা উপলব্ধি করে বলে আমার ধারণা।’

বিগত সময়ের মতো জ্বালাও পোড়াও করলে বিএনপি গভীর সংকটে পড়বে বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘তা উপলবদ্ধি করেই তারা এখন ২০১৩, ১৪ এবং ১৫ সালের মতো জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচিতে যাচ্ছে না।’

খালেদা জিয়ার কারা জীবনে সরকারের হাত নেই উল্লেখ করে তোফায়েল বলেন, ‘আদালত তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি ছাড়া পাবেন কি পাবেন না।

বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়ে দেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ এই নেতা। বলেন, ‘যখন সংলাপের প্রয়োজন ছিল তখন তারা সংলাপে অংশ নেয়নি। আমাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।’

‘সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনকালীন সময়ে ক্ষমতায় থেকে দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করবে, কিন্তু নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। এটা পরিস্কার, এটা নিয়ে আলোচনার কিছু নেই।’

আসন্ন সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে চীনের রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করার কথাও জানিয়েছেন তোফায়েল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

জ্বালাও পোড়াও করলে সংকটে পড়বে বিএনপি: তোফায়েল

আপডেট সময় ০৬:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপির আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এই উপলব্ধি থেকেই দলটি জ্বালাও, পোড়াওয়ের মতো কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে বলে তার ধারণা।

রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু এর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ এই নেতা।

নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিএনপির আশঙ্কার কারণ নেই বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘গতকালও সিলেটে বিএনপি প্রার্থী জিতেছে। নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে তো তিনি জিততে পারতেন না। আমার প্রত্যাশা করি, তারা নির্বাচনে অংশ নেবে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। তাদের সে দাবি পূরণ হচ্ছে না, এটা স্পষ্ট। আর বিএনপি এবার কী করে, সেই প্রশ্ন বড় হয়ে উঠলেও তার কোনো জবাব মিলছে না।

বিএনপি নেতারা যেমন ভোট বর্জন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছেন, তেমনি কেউ কেউ আবার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বানও জানাচ্ছেন। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড পাওয়া দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি। দলীয় নেত্রীকে ছাড়া ভোটে যাবেন না-এই বিষয়টিতে অবশ্য বিএনপি নেতাদের মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই।

অবশ্য বিএনপির ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়া এবার এত সহজ হবে না। কারণ, নিবন্ধন আইন অনুযায়ী পরপর দুই বার ভোট বর্জনকারী দল নিবন্ধন হারাতে পারে।

তোফায়েল বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।… ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বিএনপি যে ভুল করেছে তারা এখন তা উপলব্ধি করে বলে আমার ধারণা।’

বিগত সময়ের মতো জ্বালাও পোড়াও করলে বিএনপি গভীর সংকটে পড়বে বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘তা উপলবদ্ধি করেই তারা এখন ২০১৩, ১৪ এবং ১৫ সালের মতো জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচিতে যাচ্ছে না।’

খালেদা জিয়ার কারা জীবনে সরকারের হাত নেই উল্লেখ করে তোফায়েল বলেন, ‘আদালত তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি ছাড়া পাবেন কি পাবেন না।

বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়ে দেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ এই নেতা। বলেন, ‘যখন সংলাপের প্রয়োজন ছিল তখন তারা সংলাপে অংশ নেয়নি। আমাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।’

‘সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনকালীন সময়ে ক্ষমতায় থেকে দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করবে, কিন্তু নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। এটা পরিস্কার, এটা নিয়ে আলোচনার কিছু নেই।’

আসন্ন সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে চীনের রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করার কথাও জানিয়েছেন তোফায়েল।