ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থগিত সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর আহ্বান মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের ফ্যাসিস্টদের ফটোকপি বিএনপির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি: বিরোধীদলীয় নেতা স্কুলছাত্রী ও তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আটক প্রান্তিক মানুষের নাগালে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: মির্জা ফখরুল চীনে ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২৫, বেইজিংসহ একাধিক অঞ্চলে সতর্কতা হামাসের দুই কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলের হাসিনাকে গুম-খুন নিয়ে প্রশ্ন না করে অনেক সাংবাদিক তৈলমর্দনে ব্যস্ত ছিলেন: কাদের গনি ঢাকায় ফের ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ, যুক্ত হতে পারে বেসরকারি খাত জনগণ আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, কীভাবে আসবেন আসেন: শেখ হাসিনাকে পরওয়ার নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

জ্বালাও পোড়াও করলে সংকটে পড়বে বিএনপি: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপির আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এই উপলব্ধি থেকেই দলটি জ্বালাও, পোড়াওয়ের মতো কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে বলে তার ধারণা।

রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু এর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ এই নেতা।

নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিএনপির আশঙ্কার কারণ নেই বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘গতকালও সিলেটে বিএনপি প্রার্থী জিতেছে। নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে তো তিনি জিততে পারতেন না। আমার প্রত্যাশা করি, তারা নির্বাচনে অংশ নেবে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। তাদের সে দাবি পূরণ হচ্ছে না, এটা স্পষ্ট। আর বিএনপি এবার কী করে, সেই প্রশ্ন বড় হয়ে উঠলেও তার কোনো জবাব মিলছে না।

বিএনপি নেতারা যেমন ভোট বর্জন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছেন, তেমনি কেউ কেউ আবার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বানও জানাচ্ছেন। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড পাওয়া দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি। দলীয় নেত্রীকে ছাড়া ভোটে যাবেন না-এই বিষয়টিতে অবশ্য বিএনপি নেতাদের মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই।

অবশ্য বিএনপির ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়া এবার এত সহজ হবে না। কারণ, নিবন্ধন আইন অনুযায়ী পরপর দুই বার ভোট বর্জনকারী দল নিবন্ধন হারাতে পারে।

তোফায়েল বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।… ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বিএনপি যে ভুল করেছে তারা এখন তা উপলব্ধি করে বলে আমার ধারণা।’

বিগত সময়ের মতো জ্বালাও পোড়াও করলে বিএনপি গভীর সংকটে পড়বে বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘তা উপলবদ্ধি করেই তারা এখন ২০১৩, ১৪ এবং ১৫ সালের মতো জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচিতে যাচ্ছে না।’

খালেদা জিয়ার কারা জীবনে সরকারের হাত নেই উল্লেখ করে তোফায়েল বলেন, ‘আদালত তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি ছাড়া পাবেন কি পাবেন না।

বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়ে দেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ এই নেতা। বলেন, ‘যখন সংলাপের প্রয়োজন ছিল তখন তারা সংলাপে অংশ নেয়নি। আমাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।’

‘সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনকালীন সময়ে ক্ষমতায় থেকে দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করবে, কিন্তু নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। এটা পরিস্কার, এটা নিয়ে আলোচনার কিছু নেই।’

আসন্ন সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে চীনের রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করার কথাও জানিয়েছেন তোফায়েল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থগিত সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর আহ্বান মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের

জ্বালাও পোড়াও করলে সংকটে পড়বে বিএনপি: তোফায়েল

আপডেট সময় ০৬:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী বিএনপির আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এই উপলব্ধি থেকেই দলটি জ্বালাও, পোড়াওয়ের মতো কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে বলে তার ধারণা।

রবিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু এর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ এই নেতা।

নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিএনপির আশঙ্কার কারণ নেই বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘গতকালও সিলেটে বিএনপি প্রার্থী জিতেছে। নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে তো তিনি জিততে পারতেন না। আমার প্রত্যাশা করি, তারা নির্বাচনে অংশ নেবে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। তাদের সে দাবি পূরণ হচ্ছে না, এটা স্পষ্ট। আর বিএনপি এবার কী করে, সেই প্রশ্ন বড় হয়ে উঠলেও তার কোনো জবাব মিলছে না।

বিএনপি নেতারা যেমন ভোট বর্জন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছেন, তেমনি কেউ কেউ আবার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বানও জানাচ্ছেন। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড পাওয়া দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি। দলীয় নেত্রীকে ছাড়া ভোটে যাবেন না-এই বিষয়টিতে অবশ্য বিএনপি নেতাদের মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই।

অবশ্য বিএনপির ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়া এবার এত সহজ হবে না। কারণ, নিবন্ধন আইন অনুযায়ী পরপর দুই বার ভোট বর্জনকারী দল নিবন্ধন হারাতে পারে।

তোফায়েল বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।… ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বিএনপি যে ভুল করেছে তারা এখন তা উপলব্ধি করে বলে আমার ধারণা।’

বিগত সময়ের মতো জ্বালাও পোড়াও করলে বিএনপি গভীর সংকটে পড়বে বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘তা উপলবদ্ধি করেই তারা এখন ২০১৩, ১৪ এবং ১৫ সালের মতো জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচিতে যাচ্ছে না।’

খালেদা জিয়ার কারা জীবনে সরকারের হাত নেই উল্লেখ করে তোফায়েল বলেন, ‘আদালত তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি ছাড়া পাবেন কি পাবেন না।

বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়ে দেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ এই নেতা। বলেন, ‘যখন সংলাপের প্রয়োজন ছিল তখন তারা সংলাপে অংশ নেয়নি। আমাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।’

‘সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনকালীন সময়ে ক্ষমতায় থেকে দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করবে, কিন্তু নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। এটা পরিস্কার, এটা নিয়ে আলোচনার কিছু নেই।’

আসন্ন সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে চীনের রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করার কথাও জানিয়েছেন তোফায়েল।