ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অকার্যকর ও সরকারনিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার কমিশন চাপিয়ে দিলে তা আত্মঘাতী হবে: টিআইবি শাপলা চত্বরে হত্যা মামলায় এবার আসামি হচ্ছেন ইনু: চিফ প্রসিকিউটর মহাসচিবের কাছে পদবঞ্চিতদের নালিশ- ‘একসময়ের প্রভাবশালী যুবদল এখন মৃতপ্রায়’ ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা, ৩ আগস্ট ছাত্রসমাবেশে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার এক ব্যক্তি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী সৌদি আরব ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় ডিএসসিসির বিশেষ সভা, কমিটি গঠন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের আমন্ত্রণে ইসলামী আন্দোলন প্রতিনিধিদলের মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ নতুন ভিসানীতি করছে সরকার, খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন

বিশ্ব আমাদেরকে আর ছোট চোখে দেখে না: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের অগ্রগতির কারণে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তিই পাল্টে গেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, যারা বাংলাদেশকে ছোট চোখে দেখত, তারা এখন নতুন করে মূল্যায়ন করছে।

বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগে আমি যখন বিদেশে সফরে যেতাম তখন বাংলাদেশের নাম শুনলে অনেকেই ছোট চোখে দেখত। তখন আমার খুব লজ্জা লাগত।’

‘তবে একটা পদ্মা সেতু আমাদের দেশের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করে দিয়েছে। বিশ্ববাসী এখন আমাদের মূল্যালয় করে। আমাদের মতো ছোট চোখে দেখে না।’

অনুষ্ঠানে জনগণকে সেবার মানসিকতা নিয়ে প্রজাতন্ত্রের উন্নয়নে কাজ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন সরকার প্রধান।

২০১৬-১৭ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অবদান রাখায় তিনটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সময় সম্মাননাও দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম হয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে তাদেরকে দেয়া দায়িত্বে যথাক্রমে ৯৯, ৯৮ ও ৯৭ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে তিনটি বিভাগ ও মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যত বাধাই আসুক না কেন, তা অতিক্রম করে সাফল্য অর্জন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা ও পরিকল্পনা নেওয়ার মতো চিন্তাভাবনা।’

‘২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাবস্থায় আমরা জাতিসংঘে এমডিজি স্বাক্ষর করি। এ ক্ষেত্রে আমরা সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। নিজেদের পরিকল্পনা ছিল বলেই এ সাফল্য এসেছে’

‘আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য কিন্তু ক্ষমতা ভোগ করা নয়, জনসেবা করা। দেশকে সমৃদ্ধিশীল হিসেবে গড়ে তোলা। দেশের মানুষের কল্যাণ করা।’

‘আমাদের দেশটাকে উন্নয়ন করতে যে সব পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। তা যথাযথ বাস্তবায়ন করার লক্ষে আমাদের কাজ করতে হবে।’

‘সাহস নিয়ে কাজ করলে কোনো কিছুই বাধা হতে পারে না। যেমন পদ্মাসেতু আমাদের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একটা কাজই আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমত আরা সাদেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম ও প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নজিবুর রহমান বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

অকার্যকর ও সরকারনিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার কমিশন চাপিয়ে দিলে তা আত্মঘাতী হবে: টিআইবি

বিশ্ব আমাদেরকে আর ছোট চোখে দেখে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের অগ্রগতির কারণে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তিই পাল্টে গেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, যারা বাংলাদেশকে ছোট চোখে দেখত, তারা এখন নতুন করে মূল্যায়ন করছে।

বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগে আমি যখন বিদেশে সফরে যেতাম তখন বাংলাদেশের নাম শুনলে অনেকেই ছোট চোখে দেখত। তখন আমার খুব লজ্জা লাগত।’

‘তবে একটা পদ্মা সেতু আমাদের দেশের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করে দিয়েছে। বিশ্ববাসী এখন আমাদের মূল্যালয় করে। আমাদের মতো ছোট চোখে দেখে না।’

অনুষ্ঠানে জনগণকে সেবার মানসিকতা নিয়ে প্রজাতন্ত্রের উন্নয়নে কাজ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন সরকার প্রধান।

২০১৬-১৭ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অবদান রাখায় তিনটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সময় সম্মাননাও দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম হয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে তাদেরকে দেয়া দায়িত্বে যথাক্রমে ৯৯, ৯৮ ও ৯৭ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে তিনটি বিভাগ ও মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যত বাধাই আসুক না কেন, তা অতিক্রম করে সাফল্য অর্জন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা ও পরিকল্পনা নেওয়ার মতো চিন্তাভাবনা।’

‘২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাবস্থায় আমরা জাতিসংঘে এমডিজি স্বাক্ষর করি। এ ক্ষেত্রে আমরা সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। নিজেদের পরিকল্পনা ছিল বলেই এ সাফল্য এসেছে’

‘আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য কিন্তু ক্ষমতা ভোগ করা নয়, জনসেবা করা। দেশকে সমৃদ্ধিশীল হিসেবে গড়ে তোলা। দেশের মানুষের কল্যাণ করা।’

‘আমাদের দেশটাকে উন্নয়ন করতে যে সব পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। তা যথাযথ বাস্তবায়ন করার লক্ষে আমাদের কাজ করতে হবে।’

‘সাহস নিয়ে কাজ করলে কোনো কিছুই বাধা হতে পারে না। যেমন পদ্মাসেতু আমাদের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একটা কাজই আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমত আরা সাদেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম ও প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নজিবুর রহমান বক্তব্য দেন।