ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্লেব্যাক থেকে বিদায় নিলেন অরিজিৎ, জানালেন একাধিক কারণ জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা গতকালের ঘটনার পরে অসহিষ্ণুতা দেখতে পাচ্ছি: নাহিদ ইসলাম কাজ দেওয়ার নামে রাশিয়ায় নিয়ে পাঠানো হয় যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনও পক্ষ নেবে না : মার্কিন রাষ্ট্রদূত দীর্ঘ ১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে হামলার শিকার কংগ্রেস সদস্য ইলহান শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড নওগাঁয় বিএনপির প্রচারণা চালিয়ে চাকরি হারালেন মুয়াজ্জিন বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী নিহত

বিশ্ব আমাদেরকে আর ছোট চোখে দেখে না: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের অগ্রগতির কারণে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তিই পাল্টে গেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, যারা বাংলাদেশকে ছোট চোখে দেখত, তারা এখন নতুন করে মূল্যায়ন করছে।

বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগে আমি যখন বিদেশে সফরে যেতাম তখন বাংলাদেশের নাম শুনলে অনেকেই ছোট চোখে দেখত। তখন আমার খুব লজ্জা লাগত।’

‘তবে একটা পদ্মা সেতু আমাদের দেশের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করে দিয়েছে। বিশ্ববাসী এখন আমাদের মূল্যালয় করে। আমাদের মতো ছোট চোখে দেখে না।’

অনুষ্ঠানে জনগণকে সেবার মানসিকতা নিয়ে প্রজাতন্ত্রের উন্নয়নে কাজ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন সরকার প্রধান।

২০১৬-১৭ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অবদান রাখায় তিনটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সময় সম্মাননাও দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম হয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে তাদেরকে দেয়া দায়িত্বে যথাক্রমে ৯৯, ৯৮ ও ৯৭ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে তিনটি বিভাগ ও মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যত বাধাই আসুক না কেন, তা অতিক্রম করে সাফল্য অর্জন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা ও পরিকল্পনা নেওয়ার মতো চিন্তাভাবনা।’

‘২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাবস্থায় আমরা জাতিসংঘে এমডিজি স্বাক্ষর করি। এ ক্ষেত্রে আমরা সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। নিজেদের পরিকল্পনা ছিল বলেই এ সাফল্য এসেছে’

‘আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য কিন্তু ক্ষমতা ভোগ করা নয়, জনসেবা করা। দেশকে সমৃদ্ধিশীল হিসেবে গড়ে তোলা। দেশের মানুষের কল্যাণ করা।’

‘আমাদের দেশটাকে উন্নয়ন করতে যে সব পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। তা যথাযথ বাস্তবায়ন করার লক্ষে আমাদের কাজ করতে হবে।’

‘সাহস নিয়ে কাজ করলে কোনো কিছুই বাধা হতে পারে না। যেমন পদ্মাসেতু আমাদের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একটা কাজই আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমত আরা সাদেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম ও প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নজিবুর রহমান বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্লেব্যাক থেকে বিদায় নিলেন অরিজিৎ, জানালেন একাধিক কারণ

বিশ্ব আমাদেরকে আর ছোট চোখে দেখে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের অগ্রগতির কারণে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তিই পাল্টে গেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, যারা বাংলাদেশকে ছোট চোখে দেখত, তারা এখন নতুন করে মূল্যায়ন করছে।

বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগে আমি যখন বিদেশে সফরে যেতাম তখন বাংলাদেশের নাম শুনলে অনেকেই ছোট চোখে দেখত। তখন আমার খুব লজ্জা লাগত।’

‘তবে একটা পদ্মা সেতু আমাদের দেশের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করে দিয়েছে। বিশ্ববাসী এখন আমাদের মূল্যালয় করে। আমাদের মতো ছোট চোখে দেখে না।’

অনুষ্ঠানে জনগণকে সেবার মানসিকতা নিয়ে প্রজাতন্ত্রের উন্নয়নে কাজ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন সরকার প্রধান।

২০১৬-১৭ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অবদান রাখায় তিনটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ সময় সম্মাননাও দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম হয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে তাদেরকে দেয়া দায়িত্বে যথাক্রমে ৯৯, ৯৮ ও ৯৭ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে তিনটি বিভাগ ও মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যত বাধাই আসুক না কেন, তা অতিক্রম করে সাফল্য অর্জন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা ও পরিকল্পনা নেওয়ার মতো চিন্তাভাবনা।’

‘২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাবস্থায় আমরা জাতিসংঘে এমডিজি স্বাক্ষর করি। এ ক্ষেত্রে আমরা সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। নিজেদের পরিকল্পনা ছিল বলেই এ সাফল্য এসেছে’

‘আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য কিন্তু ক্ষমতা ভোগ করা নয়, জনসেবা করা। দেশকে সমৃদ্ধিশীল হিসেবে গড়ে তোলা। দেশের মানুষের কল্যাণ করা।’

‘আমাদের দেশটাকে উন্নয়ন করতে যে সব পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। তা যথাযথ বাস্তবায়ন করার লক্ষে আমাদের কাজ করতে হবে।’

‘সাহস নিয়ে কাজ করলে কোনো কিছুই বাধা হতে পারে না। যেমন পদ্মাসেতু আমাদের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একটা কাজই আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমত আরা সাদেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম ও প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নজিবুর রহমান বক্তব্য দেন।