অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
খুনের বদলা মৃত্যুদণ্ড। ইসলামিক স্টেট(আইএস)–এর হাতে বন্দী আট জনের খুনের বদলা নিতে বৃহস্পতিবার রাতারাতি ১২ জন আইএস বন্দীর মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল–আবাদি। শুক্রবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে যাওয়ার কথা জানায় আবাদির দপ্তর।
ওই বন্দীদের সব রকম ক্ষমা প্রার্থনার আবেদনই খারিজ হয়ে গিয়েছিল। তারপরই বৃহস্পতিবার তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কীভাবে কার্যকর হয়েছে সেসম্পর্কে ইরাক সরকার কিছু না জানালেও সাধারণত, ইরাকে বন্দীদের ফাঁসি দিয়েই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় বলে খবর।
বুধবার বাগদাদের উত্তরে জাতীয় সড়কের ধারে আইএস–এর হাতে অপহৃত আট জনের দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রী আবাদি।
বিরোধীরা কটাক্ষ করেন, আইএস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন না আবাদি। সেজন্যই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। জবাবে আবাদি দেশবাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন, গণহত্যার বদলা নেবে ইরাক সরকার। দোষী জঙ্গিদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার এবং শাস্তি প্রদান করা হবে। এরপরই বৃহস্পতিবার ইরাকের জেলে বন্দী যে ১২ জন আইএস জঙ্গির ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন খারিজ হয়ে গেছে, তাদের অবিলম্বে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন আবাদি।
ইরাকের বিভিন্ন কারাগারে ১০০ জন বিদেশি নারী বন্দীসহ তিনশ’র বেশি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রয়েছে। এছাড়া কয়েকশ’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিও রয়েছে। এদের সবার বিরুদ্ধেই আইএস–এর সরাসরি যোগ বা ওই জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে ইরাকের আদালতে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















