ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঘুষের ২ লাখ টাকাসহ ওয়াসার ফিল্ড অফিসার হাতেনাতে গ্রেফতার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় ওয়াসা রাজস্ব জোন-৯ এর ফিল্ড অফিসার মো. জাহিদুর রহমানকে রাজধানীর উত্তরা ৬নং সেক্টরের নিজ কার্যালয় থেকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুপুরে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে দুদক কার্যালয়ে নিয়ে আসে। তিন দিন আগে জাহিদুর রহমান উত্তরা ৬নং সেক্টরের ওয়াসা রাজস্ব জোন ৯ থেকে ৮নং জোনে বদলি হন। কিন্তু তারপরও ৯নং জোনের একটি ফ্যাক্টরির পানির লাইন বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে তিনি ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।

পরে ২ লাখ টাকায় রফা হয় এবং বাড়ির মালিকের পক্ষ থেকে বিষয়টি দুদককে জানানো হয়।

দুদকের ফাঁদ টিমের সদস্য সহকারী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ জানান, রাজধানীর দক্ষিণখানের একটি ফ্যাক্টরিতে ওয়াসার লাইন ছিল। কিন্তু পুরনো হয়ে যাওয়ায় লাইনে ঠিকমতো পানি সরবরাহ হতো না। সে কারণে ফ্যাক্টরির মালিক ওয়াসার পানির বিলও দেয়নি। এ কারণে মোবাইল কোর্ট ফ্যাক্টরি মালিককে জরিমানাও করে। তারা সেই জরিমানার টাকা জমাও দেয়।

তিনি জানান, এ অবস্থায় তারা ফ্যাক্টরিতে একটি ডিপ টিউবওয়েল বসিয়ে নেয়। একপর্যায়ে ওয়সার লাইনটি সংস্থার করা হলে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। তখন তারা ডিপ টিউবওয়েলটি বন্ধ করে রাখে। এ অবস্থায় ফিল্ড অফিসার জাহিদুর রহমান ফ্যাক্টরি মালিককে ওয়াসার বিদ্যমান পানির লাইনটি বন্ধ করে দেবেন বলে ভয় দেখান। লাইন সচল রাখতে হলে তাকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে বলে জানান।

আবদুল ওয়াদুদ জানান, পরে ২ লাখ টাকায় তার সঙ্গে রফা হয়। বিষয়টি ফ্যাক্টরির জমির মালিকের ম্যানেজার আশিক সাদেক চৌধুরী লিখিতভাবে দুদককে জানান। পরে দুদকের টিম মঙ্গলবার ওত পেতে ঘুষের টাকাসহ জাহিদুর রহমানকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দুদকের ফাঁদ পরিচালনা টিমে আরও ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সহকারী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মনিরুল ইসলাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঘুষের ২ লাখ টাকাসহ ওয়াসার ফিল্ড অফিসার হাতেনাতে গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় ওয়াসা রাজস্ব জোন-৯ এর ফিল্ড অফিসার মো. জাহিদুর রহমানকে রাজধানীর উত্তরা ৬নং সেক্টরের নিজ কার্যালয় থেকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুপুরে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে দুদক কার্যালয়ে নিয়ে আসে। তিন দিন আগে জাহিদুর রহমান উত্তরা ৬নং সেক্টরের ওয়াসা রাজস্ব জোন ৯ থেকে ৮নং জোনে বদলি হন। কিন্তু তারপরও ৯নং জোনের একটি ফ্যাক্টরির পানির লাইন বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে তিনি ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।

পরে ২ লাখ টাকায় রফা হয় এবং বাড়ির মালিকের পক্ষ থেকে বিষয়টি দুদককে জানানো হয়।

দুদকের ফাঁদ টিমের সদস্য সহকারী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ জানান, রাজধানীর দক্ষিণখানের একটি ফ্যাক্টরিতে ওয়াসার লাইন ছিল। কিন্তু পুরনো হয়ে যাওয়ায় লাইনে ঠিকমতো পানি সরবরাহ হতো না। সে কারণে ফ্যাক্টরির মালিক ওয়াসার পানির বিলও দেয়নি। এ কারণে মোবাইল কোর্ট ফ্যাক্টরি মালিককে জরিমানাও করে। তারা সেই জরিমানার টাকা জমাও দেয়।

তিনি জানান, এ অবস্থায় তারা ফ্যাক্টরিতে একটি ডিপ টিউবওয়েল বসিয়ে নেয়। একপর্যায়ে ওয়সার লাইনটি সংস্থার করা হলে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। তখন তারা ডিপ টিউবওয়েলটি বন্ধ করে রাখে। এ অবস্থায় ফিল্ড অফিসার জাহিদুর রহমান ফ্যাক্টরি মালিককে ওয়াসার বিদ্যমান পানির লাইনটি বন্ধ করে দেবেন বলে ভয় দেখান। লাইন সচল রাখতে হলে তাকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে বলে জানান।

আবদুল ওয়াদুদ জানান, পরে ২ লাখ টাকায় তার সঙ্গে রফা হয়। বিষয়টি ফ্যাক্টরির জমির মালিকের ম্যানেজার আশিক সাদেক চৌধুরী লিখিতভাবে দুদককে জানান। পরে দুদকের টিম মঙ্গলবার ওত পেতে ঘুষের টাকাসহ জাহিদুর রহমানকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দুদকের ফাঁদ পরিচালনা টিমে আরও ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সহকারী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মনিরুল ইসলাম।