ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঘুষ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয়া ওসিকে প্রত্যাহার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আকরাম হোসেন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আকরাম হোসেনকে মাদক মামলার এক আসামিকে আটকের পর মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার রাতে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে সংযুক্ত করা হয়। রাতেই থানার দায়িত্ব ইন্সপেক্টর তদন্ত জিএম এমদাদকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলামকে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) আহসান হাবীব ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর গোলাম মোহাম্মদ।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এই মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালেই মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে দামুড়হুদা মডেল থানার ওসির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে নানা সময়ে গ্রেফতার-বাণিজ্যের অভিযোগও বেশ পুরনো।

সবশেষ চুয়াডাঙ্গার দর্শনার শীর্ষ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পর মোটা অংকের ঘুষবাণিজ্যের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ওই মাদক ব্যবসায়ীকে এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করার মতো গুরুতর অভিযোগও ওঠে ওসি আকরামের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিনে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাত ১১টার দিকে পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওসি আকরাম হোসেনকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে নেয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির রির্পোট হাতে পাওয়ার পরই আকরামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

ঘুষ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয়া ওসিকে প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০১:১৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আকরাম হোসেনকে মাদক মামলার এক আসামিকে আটকের পর মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার রাতে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে সংযুক্ত করা হয়। রাতেই থানার দায়িত্ব ইন্সপেক্টর তদন্ত জিএম এমদাদকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলামকে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) আহসান হাবীব ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর গোলাম মোহাম্মদ।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এই মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালেই মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে দামুড়হুদা মডেল থানার ওসির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে নানা সময়ে গ্রেফতার-বাণিজ্যের অভিযোগও বেশ পুরনো।

সবশেষ চুয়াডাঙ্গার দর্শনার শীর্ষ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পর মোটা অংকের ঘুষবাণিজ্যের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ওই মাদক ব্যবসায়ীকে এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করার মতো গুরুতর অভিযোগও ওঠে ওসি আকরামের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিনে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাত ১১টার দিকে পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওসি আকরাম হোসেনকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে নেয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির রির্পোট হাতে পাওয়ার পরই আকরামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।