ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঘুষ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয়া ওসিকে প্রত্যাহার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আকরাম হোসেন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আকরাম হোসেনকে মাদক মামলার এক আসামিকে আটকের পর মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার রাতে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে সংযুক্ত করা হয়। রাতেই থানার দায়িত্ব ইন্সপেক্টর তদন্ত জিএম এমদাদকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলামকে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) আহসান হাবীব ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর গোলাম মোহাম্মদ।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এই মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালেই মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে দামুড়হুদা মডেল থানার ওসির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে নানা সময়ে গ্রেফতার-বাণিজ্যের অভিযোগও বেশ পুরনো।

সবশেষ চুয়াডাঙ্গার দর্শনার শীর্ষ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পর মোটা অংকের ঘুষবাণিজ্যের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ওই মাদক ব্যবসায়ীকে এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করার মতো গুরুতর অভিযোগও ওঠে ওসি আকরামের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিনে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাত ১১টার দিকে পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওসি আকরাম হোসেনকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে নেয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির রির্পোট হাতে পাওয়ার পরই আকরামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঘুষ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয়া ওসিকে প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০১:১৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আকরাম হোসেনকে মাদক মামলার এক আসামিকে আটকের পর মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার রাতে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে সংযুক্ত করা হয়। রাতেই থানার দায়িত্ব ইন্সপেক্টর তদন্ত জিএম এমদাদকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলামকে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) আহসান হাবীব ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর গোলাম মোহাম্মদ।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এই মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালেই মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে দামুড়হুদা মডেল থানার ওসির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে নানা সময়ে গ্রেফতার-বাণিজ্যের অভিযোগও বেশ পুরনো।

সবশেষ চুয়াডাঙ্গার দর্শনার শীর্ষ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পর মোটা অংকের ঘুষবাণিজ্যের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ওই মাদক ব্যবসায়ীকে এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করার মতো গুরুতর অভিযোগও ওঠে ওসি আকরামের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিনে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাত ১১টার দিকে পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওসি আকরাম হোসেনকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে নেয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির রির্পোট হাতে পাওয়ার পরই আকরামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।