ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী আলমারির ড্রয়ারে মিলল শিশুর মরদেহ, সন্দেহভাজনকে গণপিটুনিতে হত্যা নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই প্রজন্ম হারিয়ে ফেললে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব মামলায় জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক

প্রয়োজন হলে দিল্লি যাব, ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দেব: মমতা

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) ঘোষিত ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কর্মসূচি চলাকালে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সিজেপি কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সংসদ ভবন ছাড়তে হয়েছিল বলে বিভিন্ন মহলে দাবি করা হয়।

এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা দেন, প্রয়োজন হলে তিনি নিজেও দিল্লিতে গিয়ে ককরোচ পার্টির আন্দোলনে অংশ নেবেন।

‘একুশে জুলাই’ শহীদ দিবস উপলক্ষে কলকাতার বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের কাছে আয়োজিত সমাবেশে মমতা বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়, আমি দিল্লি যাব এবং ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দেব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে এবং থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র এক ছাতার নিচে আসার সময় হয়েছে। গোটা দেশের, এমনকি পশ্চিমবঙ্গের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আমি এ আহ্বান জানাচ্ছি।’

নরেন্দ্র মোদিকে লক্ষ্য করে মমতা বলেন, ‘মানুষ এখন বিজেপির অত্যাচার বুঝতে পারছে। এই অত্যাচার স্ট্যালিন ও হিটলারকেও ছাড়িয়ে গেছে।’

সমাবেশে তৃণমূল ত্যাগীদেরও কড়া বার্তা দেন মমতা। তিনি বলেন, ‘নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। আমরা বেঁচে গেছি। চোরগুলো বিজেপিতে চলে গেছে। তাদের আর ফিরিয়ে নেব না। আমাদের লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াই তখনই থামবে, যখন দেখব আপদগুলো বিদায় নিয়েছে।’

তৃণমূলের প্রতীক ‘ঘাসফুল’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার দলের প্রতীক কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। দরকার হলে শীর্ষ আদালত পর্যন্ত যাব। আমি দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। আইনত আমাদের প্রতীক কেড়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। মানুষ হৃদয় থেকে যেটাকে গ্রহণ করে, সেটাই দলের প্রকৃত প্রতীক, ঐতিহ্য ও ইতিহাস।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার

প্রয়োজন হলে দিল্লি যাব, ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দেব: মমতা

আপডেট সময় ০৬:৩০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) ঘোষিত ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কর্মসূচি চলাকালে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সিজেপি কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সংসদ ভবন ছাড়তে হয়েছিল বলে বিভিন্ন মহলে দাবি করা হয়।

এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা দেন, প্রয়োজন হলে তিনি নিজেও দিল্লিতে গিয়ে ককরোচ পার্টির আন্দোলনে অংশ নেবেন।

‘একুশে জুলাই’ শহীদ দিবস উপলক্ষে কলকাতার বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের কাছে আয়োজিত সমাবেশে মমতা বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়, আমি দিল্লি যাব এবং ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দেব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে এবং থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র এক ছাতার নিচে আসার সময় হয়েছে। গোটা দেশের, এমনকি পশ্চিমবঙ্গের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আমি এ আহ্বান জানাচ্ছি।’

নরেন্দ্র মোদিকে লক্ষ্য করে মমতা বলেন, ‘মানুষ এখন বিজেপির অত্যাচার বুঝতে পারছে। এই অত্যাচার স্ট্যালিন ও হিটলারকেও ছাড়িয়ে গেছে।’

সমাবেশে তৃণমূল ত্যাগীদেরও কড়া বার্তা দেন মমতা। তিনি বলেন, ‘নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। আমরা বেঁচে গেছি। চোরগুলো বিজেপিতে চলে গেছে। তাদের আর ফিরিয়ে নেব না। আমাদের লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াই তখনই থামবে, যখন দেখব আপদগুলো বিদায় নিয়েছে।’

তৃণমূলের প্রতীক ‘ঘাসফুল’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার দলের প্রতীক কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। দরকার হলে শীর্ষ আদালত পর্যন্ত যাব। আমি দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। আইনত আমাদের প্রতীক কেড়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। মানুষ হৃদয় থেকে যেটাকে গ্রহণ করে, সেটাই দলের প্রকৃত প্রতীক, ঐতিহ্য ও ইতিহাস।’