ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত: কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কানাডা সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে কী পরিমাণ শরণার্থী আশ্রয় দিবেন তা পরিষ্কার করে জানায়নি। আশ্রয়ের বিষয়ে অন্য দেশ ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায়। খবর ডেইলি সাবা

বুধবার কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চেরিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। এ সময় তিনি বিশেষ করে মিয়ানমারের মানবাধিকার লঙ্গনের পেছনে যারা দোষী তাদের বিচারের দাবিও জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আশ্রয়ের প্রস্তাব রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনাকে বাদ দেয়নি, কারণ তারা বলেছিলেন রোহিঙ্গাদের তারা প্রত্যাবর্তন করতে চান। তিনি আরও বলেন, কিন্তু মিয়ানমারে বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য নিরাপদ না।

গত আগস্টে মায়ানমারের রাখাইনে রাজ্যে সেনাবাহিনীর শুরু হওয়া অত্যাচার নিপীড়নে সাত লাখেরও বেশি সংখ্যালগু রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অবস্থান করছে।

তাদের সেনাবাহিনীর ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বেশিরভাগ গ্রামেই হত্যা, ধর্ষণের মতো অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে জাতিগত শুদ্ধির জন্য অভিযানের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

“রোহিঙ্গারা তাদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার অধিকার রাখে কিন্তু তাদের ফেরতের শর্ত বর্তমানে চলমান নেই” উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন। “নিপীড়ন এখনও ঘটছে।”

মন্ত্রী কত শরণার্থী নেয়া হবে পরিস্কার না করে বলেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে পুর্নবাসনের কথা বলেন। মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের মিয়ানমার নভেম্বরে ফেরত দেয়ার জন্য কথা থাকলেও বর্তমানে এ প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে। উভয়পক্ষ বিলম্বের জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং লঙ্ঘনের জন্য যারা দোষী সাব্যস্ত “জাতিগত শুদ্ধি” এবং “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের” জন্য দায়ী তাদের বিচারের জন্য অটোয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সঙ্গেও কাজ করবে।

তিনি বলেন, “এই অত্যাচারের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বুঝতে হবে যে তারা বিচারের মুখোমুখি হবে, বিশ্ব সম্প্রদায় দেখছে। সেখানে তাদের লুকানোর জায়গা থাকবে না”।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত: কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কানাডা সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে কী পরিমাণ শরণার্থী আশ্রয় দিবেন তা পরিষ্কার করে জানায়নি। আশ্রয়ের বিষয়ে অন্য দেশ ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায়। খবর ডেইলি সাবা

বুধবার কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চেরিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। এ সময় তিনি বিশেষ করে মিয়ানমারের মানবাধিকার লঙ্গনের পেছনে যারা দোষী তাদের বিচারের দাবিও জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আশ্রয়ের প্রস্তাব রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনাকে বাদ দেয়নি, কারণ তারা বলেছিলেন রোহিঙ্গাদের তারা প্রত্যাবর্তন করতে চান। তিনি আরও বলেন, কিন্তু মিয়ানমারে বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য নিরাপদ না।

গত আগস্টে মায়ানমারের রাখাইনে রাজ্যে সেনাবাহিনীর শুরু হওয়া অত্যাচার নিপীড়নে সাত লাখেরও বেশি সংখ্যালগু রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অবস্থান করছে।

তাদের সেনাবাহিনীর ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বেশিরভাগ গ্রামেই হত্যা, ধর্ষণের মতো অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে জাতিগত শুদ্ধির জন্য অভিযানের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

“রোহিঙ্গারা তাদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার অধিকার রাখে কিন্তু তাদের ফেরতের শর্ত বর্তমানে চলমান নেই” উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন। “নিপীড়ন এখনও ঘটছে।”

মন্ত্রী কত শরণার্থী নেয়া হবে পরিস্কার না করে বলেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে পুর্নবাসনের কথা বলেন। মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের মিয়ানমার নভেম্বরে ফেরত দেয়ার জন্য কথা থাকলেও বর্তমানে এ প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে। উভয়পক্ষ বিলম্বের জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং লঙ্ঘনের জন্য যারা দোষী সাব্যস্ত “জাতিগত শুদ্ধি” এবং “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের” জন্য দায়ী তাদের বিচারের জন্য অটোয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সঙ্গেও কাজ করবে।

তিনি বলেন, “এই অত্যাচারের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বুঝতে হবে যে তারা বিচারের মুখোমুখি হবে, বিশ্ব সম্প্রদায় দেখছে। সেখানে তাদের লুকানোর জায়গা থাকবে না”।