ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি বাবাকে অপমানের ক্ষোভে ৫ বছরের শিশুকে হত্যা করেন নিহা ‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল রাজধানীর তিন সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ১৩ পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার করল বিরোধী দল ১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ফরিদপুরে মেয়েকে বিয়ের ৬ মাস পর শাশুড়িকেও বিয়ে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মালদ্বীপ প্রবাসী শ্বশুরের পাঠানো অর্থ আত্মসাতের লোভে নূর ইসলাম নামে এক যুবক মেয়েকে বিয়ের ৬ মাস পর শাশুড়িকেও বিয়ে করেন। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় মেম্বারের কাছে তাদের বিচারের জন্য দেয়া হয়।

নূর ইসলাম (৩০) ওই এলাকার মোহাম্মদ দফাদারের ছেলে। তিনি একজন রাজমিস্ত্রি। জানা গছে, গত সাড়ে তিন বছর আগে ওই এলাকার জলিল মোল্যা মালদ্বীপ যান। এর পর তিনি সব টাকা তার স্ত্রীকে পাঠাতেন।

স্থানীয়রা জানান, এক বছর আগে চণ্ডিপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন গ্রামের জলিল মোল্যার বাড়িতে নূর ইসলাম রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান। কাজের ফাঁকে ওই বাড়ির মেয়ে জেনির (১৫) সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন তিনি। পরে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের চার মাস পর শ্বশুরের পাঠানো টাকার লোভে শাশুড়ি ঝর্না বেগমকেও (২৯) আদালতের মাধ্যমে (কোর্ট ম্যারেজ) বিয়ে করেন তিনি।

ঘটনাটি জানাজানি হলে মা-মেয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর পর বৃহস্পতিবার রাতে নূর ইসলাম শাশুড়ি ঝর্না বেগমকে নিয়ে চণ্ডিপুর গ্রামে এলে এলাকার মানুষ বিষয়টি নিয়ে নানা কথাবার্তা শুরু করে। গ্রামবাসী তাদের আটক করে স্থানীয় মেম্বার মো. কাউসারের জিম্মায় দেন এর উপযুক্ত বিচারের জন্য।

শাশুড়ি ঝর্না বেগম দৈনিক আকাশকে বলেন, আমার মেয়ে জেনির সঙ্গে গত এক বছর আগে নূর ইসলামের কোর্ট ম্যারেজ হয়েছে। এর পর গত চার মাস আগে নূর ইসলাম আদালতে নিয়ে আমাকে বিয়ে করে। আমার মেয়ের কোনো সন্তানাদি নেই। বর্তমানে আমি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

মাচ্চর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. কাউসার বলেন, রোজার প্রথম তারাবিহ নামাজের কারণে আমি চৌকিদার মক্কাছের জিম্মায় ওদের রেখে এসেছি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম সেখান থেকে ওরা উভয়েই পালিয়েছে।

এ বিষয়ে মাচ্চর ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

ফরিদপুরে মেয়েকে বিয়ের ৬ মাস পর শাশুড়িকেও বিয়ে

আপডেট সময় ০২:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মালদ্বীপ প্রবাসী শ্বশুরের পাঠানো অর্থ আত্মসাতের লোভে নূর ইসলাম নামে এক যুবক মেয়েকে বিয়ের ৬ মাস পর শাশুড়িকেও বিয়ে করেন। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় মেম্বারের কাছে তাদের বিচারের জন্য দেয়া হয়।

নূর ইসলাম (৩০) ওই এলাকার মোহাম্মদ দফাদারের ছেলে। তিনি একজন রাজমিস্ত্রি। জানা গছে, গত সাড়ে তিন বছর আগে ওই এলাকার জলিল মোল্যা মালদ্বীপ যান। এর পর তিনি সব টাকা তার স্ত্রীকে পাঠাতেন।

স্থানীয়রা জানান, এক বছর আগে চণ্ডিপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন গ্রামের জলিল মোল্যার বাড়িতে নূর ইসলাম রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান। কাজের ফাঁকে ওই বাড়ির মেয়ে জেনির (১৫) সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন তিনি। পরে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের চার মাস পর শ্বশুরের পাঠানো টাকার লোভে শাশুড়ি ঝর্না বেগমকেও (২৯) আদালতের মাধ্যমে (কোর্ট ম্যারেজ) বিয়ে করেন তিনি।

ঘটনাটি জানাজানি হলে মা-মেয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর পর বৃহস্পতিবার রাতে নূর ইসলাম শাশুড়ি ঝর্না বেগমকে নিয়ে চণ্ডিপুর গ্রামে এলে এলাকার মানুষ বিষয়টি নিয়ে নানা কথাবার্তা শুরু করে। গ্রামবাসী তাদের আটক করে স্থানীয় মেম্বার মো. কাউসারের জিম্মায় দেন এর উপযুক্ত বিচারের জন্য।

শাশুড়ি ঝর্না বেগম দৈনিক আকাশকে বলেন, আমার মেয়ে জেনির সঙ্গে গত এক বছর আগে নূর ইসলামের কোর্ট ম্যারেজ হয়েছে। এর পর গত চার মাস আগে নূর ইসলাম আদালতে নিয়ে আমাকে বিয়ে করে। আমার মেয়ের কোনো সন্তানাদি নেই। বর্তমানে আমি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

মাচ্চর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. কাউসার বলেন, রোজার প্রথম তারাবিহ নামাজের কারণে আমি চৌকিদার মক্কাছের জিম্মায় ওদের রেখে এসেছি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম সেখান থেকে ওরা উভয়েই পালিয়েছে।

এ বিষয়ে মাচ্চর ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।