ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

কোটা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এরপর হুমকি দেয়াটা বাড়াবাড়ি: প্রধানমন্ত্রী

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে আবারও আন্দোলন শুরু হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, কোটা নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে, এটা বাস্তবায়নাধীন। বাস্তবায়নে সময় তো লাগতে পারে। এরপর আবার আন্দোলন, আলটিমেটাম দেয়া, সব কিছু বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়াটা বাড়াবাড়ি।

সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় কোটা আন্দোলন নিয়ে কথা উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের সূত্র জানায়, বৈঠকে কোটা আন্দোলন নিয়ে আলোচনা উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি তো সিদ্ধান্ত দিয়েই দিয়েছি। আমরা তো বলেছি, আমরা এটা করব। কিন্তু এখনই এটা করতে হবে, এটা কি। আমি তো বলেছি কোটা থাকবে না। এর পরও আলটিমেটাম দেয়া, হুমকি দেয়া, সব কিছু বন্ধ করে করে দেয়ার হুমকি দেয়া, এটা কি। এর তো কোনো যুক্তি নেই। আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিয়েছি। কিন্তু সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যৌক্তিক কারণেই সময় লাগতে পারে। এটা লম্বা প্রক্রিয়া। প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে হুমকি দেয়া, আলটিমেটাম দেয়া এটা তো বাড়াবাড়ি। এ প্রসঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের সমালোচনা করে বলেন, এতে তাদেরই ক্ষতি হবে।

সূত্র আরও জানায়, এ আলোচনায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীসহ সিনিয়র কয়েকজন মন্ত্রী অংশ নেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, কেউ কেউ এটা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। যেহেতু আপনি এর একটা সমাধানের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটা দ্রুত করা গেলে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ থাকবে না। আমির হোসেন আমু এবং মতিয়া চৌধুরীও প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে আন্দোলনকে বাড়াবাড়ি বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে বৈঠকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিয়ে বিএনপি নেতাদের সমালোচনার বিষয়টিও উঠে আসে। স্যাটেলাইটের মালিকানা নিয়ে যে সমালোচনা হচ্ছে সেটা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

সূত্র জানায়, এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন সমালোচনা করুক, ভালো না লাগলে যৌক্তিক কোনো সমালোচনা থাকলে করতে পারে কিন্তু বিভ্রান্তি ছাড়ানো হচ্ছে কেন? এ স্যাটেলাইটের মালিকানা সরকার ছাড়া আর কারো হওয়ার সুযোগ নেই।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জোনাইদ আহমেদ পলকও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। বৈঠকে তারা বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনকে সম্প্রচারের জন্য বাইরে টাকা দিতে হতো। এখন সেই টাকা বাইরে দিতে হবে না। তারা টেকনিক্যাল বিষয়গুলো না বুঝে কথা বলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৮৪ বছরে অমিতাভ: জলসার সামনে ভক্তদের ঢল ও বিশেষ

কোটা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এরপর হুমকি দেয়াটা বাড়াবাড়ি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে আবারও আন্দোলন শুরু হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, কোটা নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে, এটা বাস্তবায়নাধীন। বাস্তবায়নে সময় তো লাগতে পারে। এরপর আবার আন্দোলন, আলটিমেটাম দেয়া, সব কিছু বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়াটা বাড়াবাড়ি।

সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় কোটা আন্দোলন নিয়ে কথা উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের সূত্র জানায়, বৈঠকে কোটা আন্দোলন নিয়ে আলোচনা উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি তো সিদ্ধান্ত দিয়েই দিয়েছি। আমরা তো বলেছি, আমরা এটা করব। কিন্তু এখনই এটা করতে হবে, এটা কি। আমি তো বলেছি কোটা থাকবে না। এর পরও আলটিমেটাম দেয়া, হুমকি দেয়া, সব কিছু বন্ধ করে করে দেয়ার হুমকি দেয়া, এটা কি। এর তো কোনো যুক্তি নেই। আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিয়েছি। কিন্তু সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যৌক্তিক কারণেই সময় লাগতে পারে। এটা লম্বা প্রক্রিয়া। প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে হুমকি দেয়া, আলটিমেটাম দেয়া এটা তো বাড়াবাড়ি। এ প্রসঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের সমালোচনা করে বলেন, এতে তাদেরই ক্ষতি হবে।

সূত্র আরও জানায়, এ আলোচনায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীসহ সিনিয়র কয়েকজন মন্ত্রী অংশ নেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, কেউ কেউ এটা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। যেহেতু আপনি এর একটা সমাধানের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটা দ্রুত করা গেলে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ থাকবে না। আমির হোসেন আমু এবং মতিয়া চৌধুরীও প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে আন্দোলনকে বাড়াবাড়ি বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে বৈঠকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিয়ে বিএনপি নেতাদের সমালোচনার বিষয়টিও উঠে আসে। স্যাটেলাইটের মালিকানা নিয়ে যে সমালোচনা হচ্ছে সেটা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

সূত্র জানায়, এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন সমালোচনা করুক, ভালো না লাগলে যৌক্তিক কোনো সমালোচনা থাকলে করতে পারে কিন্তু বিভ্রান্তি ছাড়ানো হচ্ছে কেন? এ স্যাটেলাইটের মালিকানা সরকার ছাড়া আর কারো হওয়ার সুযোগ নেই।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জোনাইদ আহমেদ পলকও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। বৈঠকে তারা বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনকে সম্প্রচারের জন্য বাইরে টাকা দিতে হতো। এখন সেই টাকা বাইরে দিতে হবে না। তারা টেকনিক্যাল বিষয়গুলো না বুঝে কথা বলছে।