ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

ওদের কাছে সবাই রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা নেই: কাদের সিদ্দিকী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম বলেছেন, আমি নেতা হওয়ার জন্য যুদ্ধ করি নাই। আজকে যে সংগ্রাম করি এমপি বা মন্ত্রী হওয়ার জন্য করি না।

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান আমাকে বারবার মন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন। সে প্রস্তাবও গ্রহণ করিনি। এরশাদ এসেছিলেন কতবার! মন্ত্রী বানানোর চেষ্টা করেছিলেন। আমি হয়নি।

বৃহস্পতিবার উপজেলার হতেয়া কাজীপাড়া সালাফিয়া মাদ্রাসা মাঠে ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি ১৬ বছর নির্বাসন কাটিয়ে যেদিন ঢাকায় ফিরেছিলাম সেদিন যত মানুষ হয়েছিল, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিমানবন্দরে এত মানুষ হয় নাই। সেদিন শেখ হাসিনা আমাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদেছিলেন। আর সেই শেখ হাসিনা মানুষকে চিনেন না, জানেন না, তার কাছে মানুষের কোনো মূল্য নেই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হলেন বাংলাদেশের মানুষের প্রধান সেবক। কিন্তু তিনি যা খুশি তাই করছেন। তার মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের বলেন- রাজাকারের বাচ্চা! আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হতাম এক ঘণ্টার মধ্যে ঘাড় ধরে মতিয়া চৌধুরীকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করে দিতাম।

বঙ্গবীর বলেন, এ দেশের মানুষকে মতিয়া চৌধুরী বলে রাজাকারের বাচ্চা! ওদের কাছে সবাই রাজাকার? আজকে তো দেখছি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক নারী সেও তো রাজাকার, সেও তো ঘুষ খায়। এ দেশের মানুষের কোনো মর্যাদা নেই। মুক্তিযোদ্ধাদেরও কোনো মর্যাদা নেই।

ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি হুমায়ুন খানের সভাপতিত্বে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীরপ্রতীক, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এটিএম সালেক হিটলু, উপজেলা কমিটির সভাপতি আতোয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মীর জুলফিকার শামীম, কেন্দ্রীয় যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক হাবিবুন নবী সোহেল, আবু জাহিদ রিপন, নাজমুল তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

ওদের কাছে সবাই রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা নেই: কাদের সিদ্দিকী

আপডেট সময় ০৯:১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম বলেছেন, আমি নেতা হওয়ার জন্য যুদ্ধ করি নাই। আজকে যে সংগ্রাম করি এমপি বা মন্ত্রী হওয়ার জন্য করি না।

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান আমাকে বারবার মন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন। সে প্রস্তাবও গ্রহণ করিনি। এরশাদ এসেছিলেন কতবার! মন্ত্রী বানানোর চেষ্টা করেছিলেন। আমি হয়নি।

বৃহস্পতিবার উপজেলার হতেয়া কাজীপাড়া সালাফিয়া মাদ্রাসা মাঠে ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি ১৬ বছর নির্বাসন কাটিয়ে যেদিন ঢাকায় ফিরেছিলাম সেদিন যত মানুষ হয়েছিল, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিমানবন্দরে এত মানুষ হয় নাই। সেদিন শেখ হাসিনা আমাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদেছিলেন। আর সেই শেখ হাসিনা মানুষকে চিনেন না, জানেন না, তার কাছে মানুষের কোনো মূল্য নেই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হলেন বাংলাদেশের মানুষের প্রধান সেবক। কিন্তু তিনি যা খুশি তাই করছেন। তার মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের বলেন- রাজাকারের বাচ্চা! আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হতাম এক ঘণ্টার মধ্যে ঘাড় ধরে মতিয়া চৌধুরীকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করে দিতাম।

বঙ্গবীর বলেন, এ দেশের মানুষকে মতিয়া চৌধুরী বলে রাজাকারের বাচ্চা! ওদের কাছে সবাই রাজাকার? আজকে তো দেখছি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক নারী সেও তো রাজাকার, সেও তো ঘুষ খায়। এ দেশের মানুষের কোনো মর্যাদা নেই। মুক্তিযোদ্ধাদেরও কোনো মর্যাদা নেই।

ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি হুমায়ুন খানের সভাপতিত্বে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীরপ্রতীক, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এটিএম সালেক হিটলু, উপজেলা কমিটির সভাপতি আতোয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মীর জুলফিকার শামীম, কেন্দ্রীয় যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক হাবিবুন নবী সোহেল, আবু জাহিদ রিপন, নাজমুল তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।