ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে মেধাবী তরুণ-তরুণীর কোনো অভাব নেই’ ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী ক্ষমতায় যেতে তারা জুলাইকে ব্যবহার করতে চায়: বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ এক দফার ঘোষণা করেছিল: রাশেদ খান কামরাঙ্গীরচরে কারখানায় আগুন এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে ইইউ ও জি৭৭’র সমর্থন পুনর্ব্যক্ত দেশকে গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : এমপি খোকন হরমুজ প্রণালি সংকটে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হন তাবিথ আউয়াল। এর কিছুক্ষণ পরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন দুদক উপপরিচালক শামসুল আলম।

সংস্থাটির জনসংযোগ দফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল তাবিথ আউয়ালকে তলব করে দুদক। তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

তাবিথের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ১৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন তিনি। আর ১৮ ফেব্রুয়ারি তাবিথ আউয়ালের ন্যাশনাল ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে চার কোটি ৭৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন।

২২ ফেব্রুয়ারি একই ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয় তিন কোটি ৭০ লাখ টাকা। দুটি চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করা এ টাকার মধ্যে তিন কোটি ২৫ লাখ উত্তোলন করা হয় নারায়ণগঞ্জ থেকে।

দুদক সূত্র জানায়, চলতি বছরই তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে এ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। গত ২ এপ্রিল তাবিথ আউয়াল ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ সাত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং, সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তাবিথ আউয়াল ছাড়া অন্য যেসব নেতাকে বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে তারা হলেন- স্থায়ী কমিটির চার সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মির্জা আব্বাস, দুই ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান, যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল। এ ছাড়া এম মোর্শেদ খানের ছেলে খান ফয়সাল মোর্শেদ খানও অভিযুক্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাংলাদেশে মেধাবী তরুণ-তরুণীর কোনো অভাব নেই’

তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক

আপডেট সময় ১১:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হন তাবিথ আউয়াল। এর কিছুক্ষণ পরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন দুদক উপপরিচালক শামসুল আলম।

সংস্থাটির জনসংযোগ দফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল তাবিথ আউয়ালকে তলব করে দুদক। তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

তাবিথের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ১৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন তিনি। আর ১৮ ফেব্রুয়ারি তাবিথ আউয়ালের ন্যাশনাল ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে চার কোটি ৭৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন।

২২ ফেব্রুয়ারি একই ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয় তিন কোটি ৭০ লাখ টাকা। দুটি চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করা এ টাকার মধ্যে তিন কোটি ২৫ লাখ উত্তোলন করা হয় নারায়ণগঞ্জ থেকে।

দুদক সূত্র জানায়, চলতি বছরই তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে এ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। গত ২ এপ্রিল তাবিথ আউয়াল ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ সাত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং, সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তাবিথ আউয়াল ছাড়া অন্য যেসব নেতাকে বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে তারা হলেন- স্থায়ী কমিটির চার সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মির্জা আব্বাস, দুই ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান, যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল। এ ছাড়া এম মোর্শেদ খানের ছেলে খান ফয়সাল মোর্শেদ খানও অভিযুক্ত।