ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

কাল খালেদাকে মুক্ত করে আনব: মঈন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামীকাল কারারুদ্ধ দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের সুশৃঙ্খল আইন মান্যকারী নাগরিক হিসেবে মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলা জানা সত্ত্বেও বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে আইনের বিধান অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। আগামীকাল আমরা তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করে আনব।’

সোমবার জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মঈন খান বলেন, ‘আজকে আমাদের দলের প্রধান খালেদা জিয়া একটি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় কারারুদ্ধ রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতেও কিন্তু দেশে গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশের মানুষের কল্যাণের স্বার্থে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ করব। কারণ দলীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হয়।’

‘যেটা আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ। আমরা সেই আদর্শে বিশ্বাসী হয়েই কিন্তু এই নির্বাচনে গিয়েছিলাম।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘কিন্তু তার ফলাফল দেখুন কী হলো? আশ্চর্যের বিষয়, বিগত কয়েকদিন আমরা দেখলাম সরকার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের ধরপাকড় শুরু করেছে। আমাদের মধ্যে ভয়ভীতি আশঙ্কা সৃষ্টি করছে। সেই পুরানো টেকনিক যাতে কেউ ভোট দিতে না যায়।’

মঈন খান বলেন, ‘এতকিছু করার পরও সরকার যখন বুঝতে পেরেছে গণজোয়ারের আর ঠেকানো যাবে না তখন তারা বাধ্য হয়ে আইনের দোহাই দিয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ তো আর এতো বোকা নয়, তারা বুঝতে পেরেছে কেন এই নির্বাচন বন্ধ হলো।’

‘আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে ডাকা হবে না’ আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির এই নীতি নির্ধারক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমাদের ডাকলো কি ডাকলো না তার ওপর আমাদের নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নির্ভর করবে না।’

‘আমরা নির্বাচনে যাব কি যাব না সেটা আমাদের বিচার বিবেচনা, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা, সুষ্ঠুতা এসব কিছুর ওপর নির্ভারশীল হবে। তবে একটা কথা সেটা হলো বেগম খালোদা জিয়াকে কারাগারে রেখে অন্যায়ভাবে তার ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হলে আমরা তা মেনে নেব না।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শাহা আলম রেজা, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব শফিক, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন ছাত্রনেতা জনিসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

কাল খালেদাকে মুক্ত করে আনব: মঈন

আপডেট সময় ০৭:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামীকাল কারারুদ্ধ দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের সুশৃঙ্খল আইন মান্যকারী নাগরিক হিসেবে মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলা জানা সত্ত্বেও বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে আইনের বিধান অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। আগামীকাল আমরা তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করে আনব।’

সোমবার জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মঈন খান বলেন, ‘আজকে আমাদের দলের প্রধান খালেদা জিয়া একটি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় কারারুদ্ধ রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতেও কিন্তু দেশে গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশের মানুষের কল্যাণের স্বার্থে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ করব। কারণ দলীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হয়।’

‘যেটা আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ। আমরা সেই আদর্শে বিশ্বাসী হয়েই কিন্তু এই নির্বাচনে গিয়েছিলাম।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘কিন্তু তার ফলাফল দেখুন কী হলো? আশ্চর্যের বিষয়, বিগত কয়েকদিন আমরা দেখলাম সরকার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের ধরপাকড় শুরু করেছে। আমাদের মধ্যে ভয়ভীতি আশঙ্কা সৃষ্টি করছে। সেই পুরানো টেকনিক যাতে কেউ ভোট দিতে না যায়।’

মঈন খান বলেন, ‘এতকিছু করার পরও সরকার যখন বুঝতে পেরেছে গণজোয়ারের আর ঠেকানো যাবে না তখন তারা বাধ্য হয়ে আইনের দোহাই দিয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ তো আর এতো বোকা নয়, তারা বুঝতে পেরেছে কেন এই নির্বাচন বন্ধ হলো।’

‘আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে ডাকা হবে না’ আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির এই নীতি নির্ধারক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমাদের ডাকলো কি ডাকলো না তার ওপর আমাদের নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নির্ভর করবে না।’

‘আমরা নির্বাচনে যাব কি যাব না সেটা আমাদের বিচার বিবেচনা, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা, সুষ্ঠুতা এসব কিছুর ওপর নির্ভারশীল হবে। তবে একটা কথা সেটা হলো বেগম খালোদা জিয়াকে কারাগারে রেখে অন্যায়ভাবে তার ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হলে আমরা তা মেনে নেব না।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শাহা আলম রেজা, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব শফিক, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন ছাত্রনেতা জনিসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।