ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

মহেশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চীনের সঙ্গে চুক্তি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অংশীদারত্বে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে চুক্তি হয়েছে।

রবিবার রবিবার বিদ্যুৎ ভবনে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি ও চীনের হুয়াদিয়ান কোম্পানির মধ্যে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে এই চুক্তি সই হয়। হুয়াদিয়ান কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং জিহাও এবং পিডিবির সচিব মীনা মাসুদ উদ জামান চুক্তিপত্রে সই করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে ব্যয় হবে দুই বিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ষোল হাজার কোটি টাকার বেশি। যার অর্ধেক দেবে বাংলাদেশ, আর অর্ধেক দেবে চীন। পরবর্তীতে লভ্যাংশের সমান অংশ নেবে দুই দেশে।

বর্তমান সরকার কয়লাভিত্তিক যে কয়েকটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে তার একটি এটি। এসব কেন্দ্রের মধ্যে যৌথ মালিকানায় রয়েছে বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর মধ্যে প্রথমটির নির্মাণ কাজ চলছে বাগেরহাটের রামপালে। সেটিও এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের, যেটির উৎপাদনে আসার কথা আগামী বছর।

আর পটুয়াখালীর পায়রাতেও বাংলাদেশ-চীন যৌথ মালিকানায় এগিয়ে চলছে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। সেখানে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ হাব তৈরি হবে বলে এর আগে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মহেলশাখী বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি সইয়ে পর প্রতিমন্ত্রী জানান, মহেশখালীর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে উৎপাদনে আসবে। প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি হলেও পর্যায়ক্রমে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ১০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে বলে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হুয়াদিয়া চীনের একটি বড় কোম্পানি। ভবিষ্যতে এই কোম্পানি বাংলাদেশের জ্বালানিখাতে আরও বড় বিনিয়োগ করবে বলে আমরা আশা করি।’

‘বাংলাদেশের সবচেয়ে কাছের বন্ধু রাষ্ট্র চীন। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে এই সর্ম্পক আগামীতে আরও জোরদার হবে।’

এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জাং জোও, বিদ্যুৎ সচিব আহমেদ কায়কাউস এবং বোর্ডের প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশি শিল্পীদের পেছনে বিপুল ব্যয়

মহেশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চীনের সঙ্গে চুক্তি

আপডেট সময় ০৭:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অংশীদারত্বে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে চুক্তি হয়েছে।

রবিবার রবিবার বিদ্যুৎ ভবনে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি ও চীনের হুয়াদিয়ান কোম্পানির মধ্যে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে এই চুক্তি সই হয়। হুয়াদিয়ান কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং জিহাও এবং পিডিবির সচিব মীনা মাসুদ উদ জামান চুক্তিপত্রে সই করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে ব্যয় হবে দুই বিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ষোল হাজার কোটি টাকার বেশি। যার অর্ধেক দেবে বাংলাদেশ, আর অর্ধেক দেবে চীন। পরবর্তীতে লভ্যাংশের সমান অংশ নেবে দুই দেশে।

বর্তমান সরকার কয়লাভিত্তিক যে কয়েকটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে তার একটি এটি। এসব কেন্দ্রের মধ্যে যৌথ মালিকানায় রয়েছে বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর মধ্যে প্রথমটির নির্মাণ কাজ চলছে বাগেরহাটের রামপালে। সেটিও এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের, যেটির উৎপাদনে আসার কথা আগামী বছর।

আর পটুয়াখালীর পায়রাতেও বাংলাদেশ-চীন যৌথ মালিকানায় এগিয়ে চলছে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। সেখানে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ হাব তৈরি হবে বলে এর আগে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মহেলশাখী বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি সইয়ে পর প্রতিমন্ত্রী জানান, মহেশখালীর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে উৎপাদনে আসবে। প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি হলেও পর্যায়ক্রমে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ১০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে বলে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হুয়াদিয়া চীনের একটি বড় কোম্পানি। ভবিষ্যতে এই কোম্পানি বাংলাদেশের জ্বালানিখাতে আরও বড় বিনিয়োগ করবে বলে আমরা আশা করি।’

‘বাংলাদেশের সবচেয়ে কাছের বন্ধু রাষ্ট্র চীন। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে এই সর্ম্পক আগামীতে আরও জোরদার হবে।’

এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জাং জোও, বিদ্যুৎ সচিব আহমেদ কায়কাউস এবং বোর্ডের প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।