ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

বিদ্যুৎ খাতে অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চায় বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চাইছে বাংলাদেশ। রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত জুলিয়া নিবলেটের কাছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে আমরা পাশে চাই।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বিনিয়োগ, শিল্পে যে মন্দাবস্থা বিরাজ করছিল, সেই বৃত্ত থেকেও বের হয়ে হয়ে এসেছে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। উৎপাদনও ছাড়িয়েছে ১০ হাজার মেগাওয়াট। চলতি বছর আরও চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রেডে যোগ হবে।

আবার গ্যাসের ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে। তবে এখনও এই চালান পাইপলাইনে আসেনি।

উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়াতেও কাজ করছে সরকার। এই খাতেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে কারিগরি ও প্রশিক্ষণগত সহযোগিতা চান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

‘আমরা এক হাজারের ওপর টেকনিশিয়ানকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে আমরা আরও বেশি শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতে চাই। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রীর আহ্বানের পর জ্বালানি খাতে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া এ খাতে উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগ করছে। আমি আশা করছি অস্ট্রেলিয়া এ ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।’

‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদের উন্নয়ন’ শীর্ষক এই কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, মনাস অ্যান্ড দ্যা বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রফেসর জুলি উলফার্ম কক্স ও সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর স্কট বাউম্যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

বিদ্যুৎ খাতে অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চায় বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:২১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চাইছে বাংলাদেশ। রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত জুলিয়া নিবলেটের কাছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে আমরা পাশে চাই।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বিনিয়োগ, শিল্পে যে মন্দাবস্থা বিরাজ করছিল, সেই বৃত্ত থেকেও বের হয়ে হয়ে এসেছে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। উৎপাদনও ছাড়িয়েছে ১০ হাজার মেগাওয়াট। চলতি বছর আরও চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রেডে যোগ হবে।

আবার গ্যাসের ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে। তবে এখনও এই চালান পাইপলাইনে আসেনি।

উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়াতেও কাজ করছে সরকার। এই খাতেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে কারিগরি ও প্রশিক্ষণগত সহযোগিতা চান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

‘আমরা এক হাজারের ওপর টেকনিশিয়ানকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে আমরা আরও বেশি শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতে চাই। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রীর আহ্বানের পর জ্বালানি খাতে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া এ খাতে উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগ করছে। আমি আশা করছি অস্ট্রেলিয়া এ ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।’

‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদের উন্নয়ন’ শীর্ষক এই কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, মনাস অ্যান্ড দ্যা বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রফেসর জুলি উলফার্ম কক্স ও সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর স্কট বাউম্যান।