ঢাকা ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

বিদ্যুৎ খাতে অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চায় বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চাইছে বাংলাদেশ। রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত জুলিয়া নিবলেটের কাছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে আমরা পাশে চাই।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বিনিয়োগ, শিল্পে যে মন্দাবস্থা বিরাজ করছিল, সেই বৃত্ত থেকেও বের হয়ে হয়ে এসেছে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। উৎপাদনও ছাড়িয়েছে ১০ হাজার মেগাওয়াট। চলতি বছর আরও চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রেডে যোগ হবে।

আবার গ্যাসের ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে। তবে এখনও এই চালান পাইপলাইনে আসেনি।

উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়াতেও কাজ করছে সরকার। এই খাতেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে কারিগরি ও প্রশিক্ষণগত সহযোগিতা চান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

‘আমরা এক হাজারের ওপর টেকনিশিয়ানকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে আমরা আরও বেশি শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতে চাই। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রীর আহ্বানের পর জ্বালানি খাতে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া এ খাতে উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগ করছে। আমি আশা করছি অস্ট্রেলিয়া এ ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।’

‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদের উন্নয়ন’ শীর্ষক এই কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, মনাস অ্যান্ড দ্যা বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রফেসর জুলি উলফার্ম কক্স ও সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর স্কট বাউম্যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

বিদ্যুৎ খাতে অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চায় বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:২১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চাইছে বাংলাদেশ। রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত জুলিয়া নিবলেটের কাছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে আমরা পাশে চাই।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বিনিয়োগ, শিল্পে যে মন্দাবস্থা বিরাজ করছিল, সেই বৃত্ত থেকেও বের হয়ে হয়ে এসেছে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। উৎপাদনও ছাড়িয়েছে ১০ হাজার মেগাওয়াট। চলতি বছর আরও চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রেডে যোগ হবে।

আবার গ্যাসের ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে। তবে এখনও এই চালান পাইপলাইনে আসেনি।

উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়াতেও কাজ করছে সরকার। এই খাতেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে কারিগরি ও প্রশিক্ষণগত সহযোগিতা চান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

‘আমরা এক হাজারের ওপর টেকনিশিয়ানকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে আমরা আরও বেশি শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতে চাই। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রীর আহ্বানের পর জ্বালানি খাতে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া এ খাতে উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগ করছে। আমি আশা করছি অস্ট্রেলিয়া এ ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।’

‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদের উন্নয়ন’ শীর্ষক এই কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, মনাস অ্যান্ড দ্যা বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রফেসর জুলি উলফার্ম কক্স ও সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর স্কট বাউম্যান।