ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

শেখ হাসিনাকে কানাডায় প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর আমন্ত্রণ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কানাডা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। আগামী জুনে কানাডার কুইবেকে অনুষ্ঠেয় জি সেভেন সম্মেলনে যোগ দিতে কানাডীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

কানাডায় বাংলা পত্রিকা নতুন দেশ আজ শনিবার এই খবর প্রকাশ করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিষ্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন বলেও জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে।

সে দেশের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরার জন্য শেখ হাসিনাকে এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কানাডার সরকার প্রধান।

ট্রডো চান- জি-৭ সম্মেলনে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের অবর্ণনীয় অবস্থা তুলে ধরবেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থানের গুণমুদ্ধদের একজন জাস্টিন ট্রুডো। গত এপ্রিলে সাবেক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত দেশগুরোর মোর্চা কমনওয়েল শীর্ষ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে প্রশংসায় ভাসান তিনি।

যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের সরকার প্রধানদের বৈঠকের প্রথম নির্বাহী অধিবেশনে ট্রুডো বলেন, ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষ নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। কমনওয়েলথ নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই তাকে সমর্থন দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা সবশেষ ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে কানাডা সফর করেন। ওই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর দেশটির মন্ট্রিয়ালের ‘ফিফথ রিপ্লেসমেন্ট কনফারেন্স অব দ্য গ্লোবাল ফান্ড-জিএফ সম্মলনে যোগ দেন তিনি।

সে সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রীর ট্রুডোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।

ট্রুডো পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সুসম্পর্ক রয়েছে। জাস্টিনের বাবা পিয়েরে এলিওট ট্রুডো ১৯৭১ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। আর এ জন্য পিয়েরেকে ‘মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ দিয়েছে বাংলাদেশ।

দুই বছর আগে কানাডা সফরে গিয়ে বাবার সম্মাননা ছেলের হাতে তুলে দেন শেখ হাসিনা।

কানাডায় অবস্থানকারী বঙ্গবন্ধুন খুনি নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও সে সময় দেশটির সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। কানাডা মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী। কিন্তু নূর চৌধুরীকে এই দণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। তাই তাকে ফিরিয়ে আনা নিয়ে জটিলতা আছে। যদিও সরকার এ বিষয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

শেখ হাসিনাকে কানাডায় প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর আমন্ত্রণ

আপডেট সময় ০৪:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কানাডা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। আগামী জুনে কানাডার কুইবেকে অনুষ্ঠেয় জি সেভেন সম্মেলনে যোগ দিতে কানাডীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

কানাডায় বাংলা পত্রিকা নতুন দেশ আজ শনিবার এই খবর প্রকাশ করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিষ্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন বলেও জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে।

সে দেশের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরার জন্য শেখ হাসিনাকে এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কানাডার সরকার প্রধান।

ট্রডো চান- জি-৭ সম্মেলনে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের অবর্ণনীয় অবস্থা তুলে ধরবেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থানের গুণমুদ্ধদের একজন জাস্টিন ট্রুডো। গত এপ্রিলে সাবেক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত দেশগুরোর মোর্চা কমনওয়েল শীর্ষ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে প্রশংসায় ভাসান তিনি।

যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের সরকার প্রধানদের বৈঠকের প্রথম নির্বাহী অধিবেশনে ট্রুডো বলেন, ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষ নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। কমনওয়েলথ নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই তাকে সমর্থন দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা সবশেষ ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে কানাডা সফর করেন। ওই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর দেশটির মন্ট্রিয়ালের ‘ফিফথ রিপ্লেসমেন্ট কনফারেন্স অব দ্য গ্লোবাল ফান্ড-জিএফ সম্মলনে যোগ দেন তিনি।

সে সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রীর ট্রুডোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।

ট্রুডো পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সুসম্পর্ক রয়েছে। জাস্টিনের বাবা পিয়েরে এলিওট ট্রুডো ১৯৭১ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। আর এ জন্য পিয়েরেকে ‘মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ দিয়েছে বাংলাদেশ।

দুই বছর আগে কানাডা সফরে গিয়ে বাবার সম্মাননা ছেলের হাতে তুলে দেন শেখ হাসিনা।

কানাডায় অবস্থানকারী বঙ্গবন্ধুন খুনি নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও সে সময় দেশটির সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। কানাডা মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী। কিন্তু নূর চৌধুরীকে এই দণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। তাই তাকে ফিরিয়ে আনা নিয়ে জটিলতা আছে। যদিও সরকার এ বিষয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।