ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

মিয়ানমার যেন আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার আইন মেনে চলে: জাতিসংঘ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে হারিয়ে যেতে দেবে না জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। একইসঙ্গে এখনই সংস্থাটি কোনও সিদ্ধান্ত নিতেও প্রস্তুত নয়। সংস্থাটি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবরোধও আরোপ করবে না। তবে মিয়ানমারকে আহ্বান জানাবে এই সমস্যা সমাধানের জন্য।

নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান চেয়ার পেরুর প্রতিনিধি গুস্তাভো মেজা কোয়াদ্রা বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদ কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, এই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রাখাইনে যাবো। সেখান থেকে নিউ ইয়র্কে ফিরে বিষয়টির মূল্যায়ন করবো। এরপর পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করবো।’

প্রসঙ্গত, ২৫ আগস্ট রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু হওয়ার আট মাস পরে নিরাপত্তা পরিষদের একটি দল বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সফর করলো।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবরোধের বিষয়ে কুয়েতের প্রতিনিধি মনসুর আল উতাইবি বলেন, ‘এর কোনও দ্রুত সমাধান নেই। আমাদের এমন আশা করা উচিত হবে না দ্রুত মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেবে নিরাপত্তা পরিষদ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুধু মিয়ানমারকে বলতে চাই, তারা যেন আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে এবং মানবাধিকার পালনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন করে।’

কাজাখস্তানের প্রতিনিধি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে, এখানে সবাই একটি দ্রুত সিদ্ধান্ত চাচ্ছে, যেন আগামীকাল পরিস্থিতির উন্নতি হয়। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, এই মুহূর্তে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত নই। কারণ, আমরা এখন তথ্য সংগ্রহ করছি। তারপর সবাই আলোচনা করবো। এরপর সিদ্ধান্ত নেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিদলের এখানে আসা এবং ক্যাম্প পরিদর্শন করা প্রমাণ করে এটি শক্ত অবস্থা। এই বিষয়টি আমাদের মনোযোগের বাইরে থাকবে না।’

এ সফর থেকে তারা কী পেলো—এমন প্রশ্নের জবাবে পেরুর প্রতিনিধি বলেন, ‘আমরা এখানে যে বিশাল মানবিক বিপর্যয় হচ্ছে, সেই বিষয়ে অনুভব করতে পেরেছি।’

উল্লেখ্য, এক মিলিয়নের বেশি রোহিঙ্গা বিভিন্ন সময়ে রাখাইন থেকে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর এ পর্যন্ত সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার

মিয়ানমার যেন আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার আইন মেনে চলে: জাতিসংঘ

আপডেট সময় ১১:৩৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে হারিয়ে যেতে দেবে না জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। একইসঙ্গে এখনই সংস্থাটি কোনও সিদ্ধান্ত নিতেও প্রস্তুত নয়। সংস্থাটি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবরোধও আরোপ করবে না। তবে মিয়ানমারকে আহ্বান জানাবে এই সমস্যা সমাধানের জন্য।

নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান চেয়ার পেরুর প্রতিনিধি গুস্তাভো মেজা কোয়াদ্রা বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদ কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, এই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রাখাইনে যাবো। সেখান থেকে নিউ ইয়র্কে ফিরে বিষয়টির মূল্যায়ন করবো। এরপর পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করবো।’

প্রসঙ্গত, ২৫ আগস্ট রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু হওয়ার আট মাস পরে নিরাপত্তা পরিষদের একটি দল বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সফর করলো।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবরোধের বিষয়ে কুয়েতের প্রতিনিধি মনসুর আল উতাইবি বলেন, ‘এর কোনও দ্রুত সমাধান নেই। আমাদের এমন আশা করা উচিত হবে না দ্রুত মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেবে নিরাপত্তা পরিষদ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুধু মিয়ানমারকে বলতে চাই, তারা যেন আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে এবং মানবাধিকার পালনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন করে।’

কাজাখস্তানের প্রতিনিধি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে, এখানে সবাই একটি দ্রুত সিদ্ধান্ত চাচ্ছে, যেন আগামীকাল পরিস্থিতির উন্নতি হয়। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, এই মুহূর্তে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত নই। কারণ, আমরা এখন তথ্য সংগ্রহ করছি। তারপর সবাই আলোচনা করবো। এরপর সিদ্ধান্ত নেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিদলের এখানে আসা এবং ক্যাম্প পরিদর্শন করা প্রমাণ করে এটি শক্ত অবস্থা। এই বিষয়টি আমাদের মনোযোগের বাইরে থাকবে না।’

এ সফর থেকে তারা কী পেলো—এমন প্রশ্নের জবাবে পেরুর প্রতিনিধি বলেন, ‘আমরা এখানে যে বিশাল মানবিক বিপর্যয় হচ্ছে, সেই বিষয়ে অনুভব করতে পেরেছি।’

উল্লেখ্য, এক মিলিয়নের বেশি রোহিঙ্গা বিভিন্ন সময়ে রাখাইন থেকে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর এ পর্যন্ত সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।