ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

তারেক দেশে ফিরবেন বীরের বেশে: মোশাররফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সরকার কখনও ফিরিয়ে আনতে পারবে না। তিনি ফিরে আসবেন বাংলাদেশে বীরের বেশে। যখন বাংলাদেশের জনগণ চাইবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে সংগঠনটির সদ্য প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরীর স্মরণে এই সভা হয়।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম প্রমুখ।

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বৃটিশ আইনে এটা সম্ভব না। তারেক রহমানকে পলিটিক্যাল এসাইলাম দেয়া হয়েছে। বৃটিশ আইনে লেখা আছে পৃথিবীর কোনো শক্তি বা জাতিসংঘ রেজুলেশন করলেও বৃটিশ সরকার এই ব্যক্তিকে কখনও তার দেশে পাঠাবে না। যতক্ষণ না ওই ব্যক্তি নিজে বলেন এখন আমি আমার দেশে যাওয়ার পরিস্থিতি হয়েছে।’

লন্ডনে আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘তারেক রহমানের ওপর প্রধানমন্ত্রীর অনেক জেদ। প্রধানমন্ত্রী বললেন- তাকে যে কোনো মূল্যে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী যতই ধমক দেন, যত কিছুই করেন না কেন বৃটিশ আইনে এটা সম্ভব না।’

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে যুক্তরাজ্য রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে। তার নাগরিকত্ব থাকবে। বৃটিশ আইনের নিয়ম হলো যখন কেউ পলিটিক্যাল এসাইলাম (রাজনৈতিক আশ্রয়) চায় তখন তাকে পাসপোর্টটি জমা দিতে হয় সেখানকার হোম মিনিস্ট্রিতে। এটার অর্থ নাগরিকত্ব ছেড়ে দেয়া নয়। পৃথিবীতে কোনো ব্যক্তি নাগরিকত্ব ছাড়া থাকতে পারে না। এখানে শুধু তারেক রহমানের প্রতি রাগে ক্ষোভে একটি বানোয়াট চিঠি দিয়ে সরকার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। এটাতে তাদের (সরকার) বুমেরাং হয়েছে।’

বর্তমান সময়কে ‘অন্ধকার যুগ’ অভিহিত করে মোশাররফ বলেন, দেশে এখন একটা অন্ধকার যুগ চলছে। এটা আওয়ামী জাহেলিয়াতের যুগ। এ থেকে রক্ষা করতে হলে এই সরকারের হাত থেকে জনগণকে মুক্ত করতে হবে। মুক্ত করার একটাই পথ একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টির মাধ্যমে আগামী সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন করা। এজন্য নির্বাচনকালীন সরকার প্রয়োজন হবে। সংসদ ভেঙে সেনা মোতায়েনে নির্বাচন হতে হবে।

তিনি বলেন, অবিলম্বে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। যেহেতু খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্র ও একাদশ সংসদ নির্বাচন একসূত্রে গাঁথা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

তারেক দেশে ফিরবেন বীরের বেশে: মোশাররফ

আপডেট সময় ১০:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সরকার কখনও ফিরিয়ে আনতে পারবে না। তিনি ফিরে আসবেন বাংলাদেশে বীরের বেশে। যখন বাংলাদেশের জনগণ চাইবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে সংগঠনটির সদ্য প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরীর স্মরণে এই সভা হয়।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম প্রমুখ।

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বৃটিশ আইনে এটা সম্ভব না। তারেক রহমানকে পলিটিক্যাল এসাইলাম দেয়া হয়েছে। বৃটিশ আইনে লেখা আছে পৃথিবীর কোনো শক্তি বা জাতিসংঘ রেজুলেশন করলেও বৃটিশ সরকার এই ব্যক্তিকে কখনও তার দেশে পাঠাবে না। যতক্ষণ না ওই ব্যক্তি নিজে বলেন এখন আমি আমার দেশে যাওয়ার পরিস্থিতি হয়েছে।’

লন্ডনে আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘তারেক রহমানের ওপর প্রধানমন্ত্রীর অনেক জেদ। প্রধানমন্ত্রী বললেন- তাকে যে কোনো মূল্যে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী যতই ধমক দেন, যত কিছুই করেন না কেন বৃটিশ আইনে এটা সম্ভব না।’

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে যুক্তরাজ্য রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে। তার নাগরিকত্ব থাকবে। বৃটিশ আইনের নিয়ম হলো যখন কেউ পলিটিক্যাল এসাইলাম (রাজনৈতিক আশ্রয়) চায় তখন তাকে পাসপোর্টটি জমা দিতে হয় সেখানকার হোম মিনিস্ট্রিতে। এটার অর্থ নাগরিকত্ব ছেড়ে দেয়া নয়। পৃথিবীতে কোনো ব্যক্তি নাগরিকত্ব ছাড়া থাকতে পারে না। এখানে শুধু তারেক রহমানের প্রতি রাগে ক্ষোভে একটি বানোয়াট চিঠি দিয়ে সরকার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। এটাতে তাদের (সরকার) বুমেরাং হয়েছে।’

বর্তমান সময়কে ‘অন্ধকার যুগ’ অভিহিত করে মোশাররফ বলেন, দেশে এখন একটা অন্ধকার যুগ চলছে। এটা আওয়ামী জাহেলিয়াতের যুগ। এ থেকে রক্ষা করতে হলে এই সরকারের হাত থেকে জনগণকে মুক্ত করতে হবে। মুক্ত করার একটাই পথ একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টির মাধ্যমে আগামী সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন করা। এজন্য নির্বাচনকালীন সরকার প্রয়োজন হবে। সংসদ ভেঙে সেনা মোতায়েনে নির্বাচন হতে হবে।

তিনি বলেন, অবিলম্বে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। যেহেতু খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্র ও একাদশ সংসদ নির্বাচন একসূত্রে গাঁথা।