ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু

প্রবাসীদের ভোটার করতে বাধা দ্বৈত নাগরিকত্ব: সিইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করতে দ্বৈত নাগরিকত্বকে প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সেমিনারে সিইসি এ কথা বলেন।

প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান ও ভোটাধিকার প্রয়োগ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। সেমিনারের উদ্বোধনকালে সিইসি বলেন, ‘বর্তমানে প্রক্সি ভোট ও পোস্টাল ভোটের নিয়ম আছে। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারেন। আগামী নির্বাচনের আগে এসব পদ্ধতি নিয়ে প্রচার প্রচারণা হবে।

বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি নাগরিক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাস করেন। তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে দীর্ঘদিন ধরে দাবি আছে।

ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর এটিএম শামসুল হুদার কমিশন ২০০৮ সালে এবং কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০১৪ সালে দুই দফা প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু পরে আর তা বাস্তবায়িত হয়নি।

কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন প্রবাসী ভোটার করতে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে। তারই ধারবাহিকতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক সাইদুল ইসলাম আগামী নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু এলাকায় ভোটের সুপারিশ করেন। ওই পরীক্ষার আলোকে সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও বলেন তিনি।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নত বিশ্বে অবস্থান করছেন, তাদের একটি বড় অংশ সে দেশেরও নাগরিকত্ব নিয়েছেন। আবার তারা বাংলাদেশের নাগরিকত্বও বাদ দেননি।

এই বিষয়টির উল্লেখ করে সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান বলেন, ‘দ্বৈত নাগরিকদের ভোট দেয়া সংবিধান অনুমতি দেয়নি। এজন্য এটা আলোচনা না করাই ভাল। প্রবাসীদের ভোট দেয়ার অধিকার, তাদের কীভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যায় সেটা আলোচনা করা দরকার।’

এ সময় পোস্টাল ভোট বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু কার্যকর তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মশিউর। বলেন, ‘এ পদ্ধতিতে কে ভোট দিয়েছে তা শনাক্তকরণ দুরূহ।’

পোস্টাল ভোট পদ্ধতিতে একজন প্রবাসী তার পছন্দমত যেকোনো জায়গা থেকে ভোট দিতে পারেন। আবেদন করলে ওই ঠিকানায় আগে থেকে ব্যালট পেপার সরবরাহ করা হয়। ভোট দেয়ার পর তা দেশে ডাকযোগে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এ পদ্ধতি প্রবাসীদের জন্য ২০০৮ সাল থেকে চালু আছে।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, চার নির্বাচন কমিশনার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, কয়েকজন রাষ্ট্রদূত অংশ নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান

প্রবাসীদের ভোটার করতে বাধা দ্বৈত নাগরিকত্ব: সিইসি

আপডেট সময় ১১:৩০:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করতে দ্বৈত নাগরিকত্বকে প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সেমিনারে সিইসি এ কথা বলেন।

প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান ও ভোটাধিকার প্রয়োগ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। সেমিনারের উদ্বোধনকালে সিইসি বলেন, ‘বর্তমানে প্রক্সি ভোট ও পোস্টাল ভোটের নিয়ম আছে। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারেন। আগামী নির্বাচনের আগে এসব পদ্ধতি নিয়ে প্রচার প্রচারণা হবে।

বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি নাগরিক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাস করেন। তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে দীর্ঘদিন ধরে দাবি আছে।

ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর এটিএম শামসুল হুদার কমিশন ২০০৮ সালে এবং কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০১৪ সালে দুই দফা প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু পরে আর তা বাস্তবায়িত হয়নি।

কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন প্রবাসী ভোটার করতে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে। তারই ধারবাহিকতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক সাইদুল ইসলাম আগামী নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু এলাকায় ভোটের সুপারিশ করেন। ওই পরীক্ষার আলোকে সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও বলেন তিনি।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নত বিশ্বে অবস্থান করছেন, তাদের একটি বড় অংশ সে দেশেরও নাগরিকত্ব নিয়েছেন। আবার তারা বাংলাদেশের নাগরিকত্বও বাদ দেননি।

এই বিষয়টির উল্লেখ করে সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান বলেন, ‘দ্বৈত নাগরিকদের ভোট দেয়া সংবিধান অনুমতি দেয়নি। এজন্য এটা আলোচনা না করাই ভাল। প্রবাসীদের ভোট দেয়ার অধিকার, তাদের কীভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যায় সেটা আলোচনা করা দরকার।’

এ সময় পোস্টাল ভোট বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু কার্যকর তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মশিউর। বলেন, ‘এ পদ্ধতিতে কে ভোট দিয়েছে তা শনাক্তকরণ দুরূহ।’

পোস্টাল ভোট পদ্ধতিতে একজন প্রবাসী তার পছন্দমত যেকোনো জায়গা থেকে ভোট দিতে পারেন। আবেদন করলে ওই ঠিকানায় আগে থেকে ব্যালট পেপার সরবরাহ করা হয়। ভোট দেয়ার পর তা দেশে ডাকযোগে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এ পদ্ধতি প্রবাসীদের জন্য ২০০৮ সাল থেকে চালু আছে।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, চার নির্বাচন কমিশনার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, কয়েকজন রাষ্ট্রদূত অংশ নেন।