ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু

শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে গেলে জনগণ বেঈমান বলবে: গয়েশ্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন কিন্তু জনগণের আদালতে তিনি নির্দোষ। অতএব, তার মুক্তির আন্দোলনের জন্য জনগণ প্রস্তুত। আগামীতে কৌশল হবে একটাই তা হলো আন্দোলনে মাঠে নামা। আন্দোলন বাদ দিয়ে যদি কেউ শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যায় তাহলে জনগণ তাদের বেঈমান বলবে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ইলিয়াস আলীর সন্ধানের দাবিতে সভার আয়োজন করে ‘এম ইলিয়াস আলী মুক্তি পরিষদ’।

পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, শিরীন সুলতানা, শহীদুল ইসলাম বাবুল, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, এজমল হোসেন পাইলট প্রমুখ। ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলী।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমাদের ঐক্যের বিকল্প নেই। চলমান ঐক্যকে স্যালুট। তবে সেই ঐক্য গণতন্ত্র, খালেদা জিয়া ও বিএনপির জন্য হতে হবে। মান্নান ভূঁইয়ার মতো খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে মাইনাস করার ঐক্য হলে পদবিহীন কর্মীদের হাতে মার খাওয়ারও প্রস্তুতি থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ‘মহিউদ্দিন খান আলমগীর, মায়াসহ বিএনপি-আওয়ামী লীগের অনেকেই নিম্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত। তারা যদি উচ্চ আদালত থেকে রায় স্থগিত করে নির্বাচন করতে পারেন, নেত্রী খালেদা জিয়াও পারবেন। নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার পর নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন নেত্রী। সরকারের পতন না হলে শেখ হাসিনা নেত্রীকে মুক্তি দেবে না; জেলগেটে তার লাশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ থাকলে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন। ইতিহাস বলে আন্দোলনে যারা শিরোপা পায় তারাই নির্বাচনে জয়লাভ করে।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘অনেকে বলে খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাবে বিএনপি। কিন্তু সব আসন পেলেই ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। তার জন্য আন্দোলন করতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘শুনতে পাই, ৯০ আসন বিএনপিকে দিতে চায় সরকার। আসনের মালিক হাসিনা নাকি? আমরা তো চাই জনগণের প্রতিফলন। একটি সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন। ৫ জানুয়ারির মতো কোনো নির্বাচনের সুযোগ এখন নেই। যে ৯০ জনকে আসন দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে সে ৯০ জন আদৌ খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং বিএনপির না। আমরা রাজপথে যাব। আন্দোলন করব। গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছি, আসনের জন্য নয়।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান

শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে গেলে জনগণ বেঈমান বলবে: গয়েশ্বর

আপডেট সময় ১০:২৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন কিন্তু জনগণের আদালতে তিনি নির্দোষ। অতএব, তার মুক্তির আন্দোলনের জন্য জনগণ প্রস্তুত। আগামীতে কৌশল হবে একটাই তা হলো আন্দোলনে মাঠে নামা। আন্দোলন বাদ দিয়ে যদি কেউ শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যায় তাহলে জনগণ তাদের বেঈমান বলবে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ইলিয়াস আলীর সন্ধানের দাবিতে সভার আয়োজন করে ‘এম ইলিয়াস আলী মুক্তি পরিষদ’।

পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, শিরীন সুলতানা, শহীদুল ইসলাম বাবুল, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, এজমল হোসেন পাইলট প্রমুখ। ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলী।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমাদের ঐক্যের বিকল্প নেই। চলমান ঐক্যকে স্যালুট। তবে সেই ঐক্য গণতন্ত্র, খালেদা জিয়া ও বিএনপির জন্য হতে হবে। মান্নান ভূঁইয়ার মতো খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে মাইনাস করার ঐক্য হলে পদবিহীন কর্মীদের হাতে মার খাওয়ারও প্রস্তুতি থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ‘মহিউদ্দিন খান আলমগীর, মায়াসহ বিএনপি-আওয়ামী লীগের অনেকেই নিম্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত। তারা যদি উচ্চ আদালত থেকে রায় স্থগিত করে নির্বাচন করতে পারেন, নেত্রী খালেদা জিয়াও পারবেন। নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার পর নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন নেত্রী। সরকারের পতন না হলে শেখ হাসিনা নেত্রীকে মুক্তি দেবে না; জেলগেটে তার লাশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ থাকলে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন। ইতিহাস বলে আন্দোলনে যারা শিরোপা পায় তারাই নির্বাচনে জয়লাভ করে।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘অনেকে বলে খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাবে বিএনপি। কিন্তু সব আসন পেলেই ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। তার জন্য আন্দোলন করতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘শুনতে পাই, ৯০ আসন বিএনপিকে দিতে চায় সরকার। আসনের মালিক হাসিনা নাকি? আমরা তো চাই জনগণের প্রতিফলন। একটি সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন। ৫ জানুয়ারির মতো কোনো নির্বাচনের সুযোগ এখন নেই। যে ৯০ জনকে আসন দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে সে ৯০ জন আদৌ খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং বিএনপির না। আমরা রাজপথে যাব। আন্দোলন করব। গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছি, আসনের জন্য নয়।’