ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মায়ের হাত ধরে আদালতে জোড়া খুনের আসামী শিশু আবদুল্লাহ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মায়ের হাত ধরে একটি জোড়া খুনের মামলার আসামি হিসেবে গত বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে শিশু আবদুল্লাহ। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ৯ বছর ১১ মাস এবং সে চারিগ্রাম দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। সে মিঠামইন থানায় দায়েরকৃত একটি জোড়া খুনের মামলার এজাহারনামীয় ৭৫ নম্বর আসামি। এজাহারে তার বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ২২ বছর।

সে ও তার বড় ভাই বাশারুল মিয়াসহ এই মামলার এজাহারনামীয় মোট ৭ জন আসামি বুধবার কিশোরগঞ্জের ৪নং জিআর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করে। জামিন শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম আমিনুল ইসলাম আবদুল্লাহ ব্যতীত বাকি আসামিদের জামিনের আবেদন না-মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

আবদুল্লাহর জামিনের বিষয়ে আদেশে বিচারক উল্লেখ করেন, আসামি একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি। এমতাবস্থায় জামিনের শুনানির বিষয়টি শিশু আদালতের এখতিয়ারাধীন বিধায় মামলার নথি শিশু আদালতে প্রেরণ করা হোক। পরে নথিসহ জামিন আবেদনের বিষয়টি শিশু আদালতে উত্থাপিত হলে উক্ত আদালতের বিচারকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রথম আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবীর পুলিশ রিপোর্ট (চার্জশিট) না আসা পর্যন্ত আবদুল্লাহর জামিন মঞ্জুর করেন। আবদুল্লাহর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহমুদুল আহসান লিটন।

গত বছরের ৯ নভেম্বর মিঠামইন উপজেলার চারিগ্রাম বাজার সংলগ্ন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুইদল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে ধারলো অস্ত্রাঘাত ও বল্লমের ঘায়ে একপক্ষের রাজীব ও মুকুল ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ব্যাপারে মো. সুজন মিয়া বাদী হয়ে ৮৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামি করে মিঠামইন থানায় একটি মামলা দয়ের করেন।

মিঠামইন থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, বাদী পক্ষের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণত প্রাথমিক তথ্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় আসামিদের নাম-ঠিকানা কিংবা বয়স যাচাই-বাছাই করার সুযোগ থাকে না। তদন্তে বৈসাদৃশ্য ধরা পড়লে তখন সংশোধন করে আদালতে চার্জশিট অথবা ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মায়ের হাত ধরে আদালতে জোড়া খুনের আসামী শিশু আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ১১:০০:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মায়ের হাত ধরে একটি জোড়া খুনের মামলার আসামি হিসেবে গত বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে শিশু আবদুল্লাহ। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ৯ বছর ১১ মাস এবং সে চারিগ্রাম দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। সে মিঠামইন থানায় দায়েরকৃত একটি জোড়া খুনের মামলার এজাহারনামীয় ৭৫ নম্বর আসামি। এজাহারে তার বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ২২ বছর।

সে ও তার বড় ভাই বাশারুল মিয়াসহ এই মামলার এজাহারনামীয় মোট ৭ জন আসামি বুধবার কিশোরগঞ্জের ৪নং জিআর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করে। জামিন শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম আমিনুল ইসলাম আবদুল্লাহ ব্যতীত বাকি আসামিদের জামিনের আবেদন না-মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

আবদুল্লাহর জামিনের বিষয়ে আদেশে বিচারক উল্লেখ করেন, আসামি একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি। এমতাবস্থায় জামিনের শুনানির বিষয়টি শিশু আদালতের এখতিয়ারাধীন বিধায় মামলার নথি শিশু আদালতে প্রেরণ করা হোক। পরে নথিসহ জামিন আবেদনের বিষয়টি শিশু আদালতে উত্থাপিত হলে উক্ত আদালতের বিচারকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রথম আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবীর পুলিশ রিপোর্ট (চার্জশিট) না আসা পর্যন্ত আবদুল্লাহর জামিন মঞ্জুর করেন। আবদুল্লাহর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহমুদুল আহসান লিটন।

গত বছরের ৯ নভেম্বর মিঠামইন উপজেলার চারিগ্রাম বাজার সংলগ্ন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুইদল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে ধারলো অস্ত্রাঘাত ও বল্লমের ঘায়ে একপক্ষের রাজীব ও মুকুল ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ব্যাপারে মো. সুজন মিয়া বাদী হয়ে ৮৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামি করে মিঠামইন থানায় একটি মামলা দয়ের করেন।

মিঠামইন থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, বাদী পক্ষের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণত প্রাথমিক তথ্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় আসামিদের নাম-ঠিকানা কিংবা বয়স যাচাই-বাছাই করার সুযোগ থাকে না। তদন্তে বৈসাদৃশ্য ধরা পড়লে তখন সংশোধন করে আদালতে চার্জশিট অথবা ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়।