ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম

মায়ের হাত ধরে আদালতে জোড়া খুনের আসামী শিশু আবদুল্লাহ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মায়ের হাত ধরে একটি জোড়া খুনের মামলার আসামি হিসেবে গত বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে শিশু আবদুল্লাহ। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ৯ বছর ১১ মাস এবং সে চারিগ্রাম দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। সে মিঠামইন থানায় দায়েরকৃত একটি জোড়া খুনের মামলার এজাহারনামীয় ৭৫ নম্বর আসামি। এজাহারে তার বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ২২ বছর।

সে ও তার বড় ভাই বাশারুল মিয়াসহ এই মামলার এজাহারনামীয় মোট ৭ জন আসামি বুধবার কিশোরগঞ্জের ৪নং জিআর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করে। জামিন শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম আমিনুল ইসলাম আবদুল্লাহ ব্যতীত বাকি আসামিদের জামিনের আবেদন না-মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

আবদুল্লাহর জামিনের বিষয়ে আদেশে বিচারক উল্লেখ করেন, আসামি একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি। এমতাবস্থায় জামিনের শুনানির বিষয়টি শিশু আদালতের এখতিয়ারাধীন বিধায় মামলার নথি শিশু আদালতে প্রেরণ করা হোক। পরে নথিসহ জামিন আবেদনের বিষয়টি শিশু আদালতে উত্থাপিত হলে উক্ত আদালতের বিচারকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রথম আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবীর পুলিশ রিপোর্ট (চার্জশিট) না আসা পর্যন্ত আবদুল্লাহর জামিন মঞ্জুর করেন। আবদুল্লাহর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহমুদুল আহসান লিটন।

গত বছরের ৯ নভেম্বর মিঠামইন উপজেলার চারিগ্রাম বাজার সংলগ্ন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুইদল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে ধারলো অস্ত্রাঘাত ও বল্লমের ঘায়ে একপক্ষের রাজীব ও মুকুল ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ব্যাপারে মো. সুজন মিয়া বাদী হয়ে ৮৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামি করে মিঠামইন থানায় একটি মামলা দয়ের করেন।

মিঠামইন থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, বাদী পক্ষের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণত প্রাথমিক তথ্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় আসামিদের নাম-ঠিকানা কিংবা বয়স যাচাই-বাছাই করার সুযোগ থাকে না। তদন্তে বৈসাদৃশ্য ধরা পড়লে তখন সংশোধন করে আদালতে চার্জশিট অথবা ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কলেজশিক্ষককে গলা কেটে হত্যা, ক্ষোভে প্রতিবেশীর বাড়িতে জনতার দেওয়া আগুনে বৃদ্ধার মৃত্যু

মায়ের হাত ধরে আদালতে জোড়া খুনের আসামী শিশু আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ১১:০০:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মায়ের হাত ধরে একটি জোড়া খুনের মামলার আসামি হিসেবে গত বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে শিশু আবদুল্লাহ। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ৯ বছর ১১ মাস এবং সে চারিগ্রাম দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। সে মিঠামইন থানায় দায়েরকৃত একটি জোড়া খুনের মামলার এজাহারনামীয় ৭৫ নম্বর আসামি। এজাহারে তার বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ২২ বছর।

সে ও তার বড় ভাই বাশারুল মিয়াসহ এই মামলার এজাহারনামীয় মোট ৭ জন আসামি বুধবার কিশোরগঞ্জের ৪নং জিআর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করে। জামিন শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম আমিনুল ইসলাম আবদুল্লাহ ব্যতীত বাকি আসামিদের জামিনের আবেদন না-মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

আবদুল্লাহর জামিনের বিষয়ে আদেশে বিচারক উল্লেখ করেন, আসামি একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি। এমতাবস্থায় জামিনের শুনানির বিষয়টি শিশু আদালতের এখতিয়ারাধীন বিধায় মামলার নথি শিশু আদালতে প্রেরণ করা হোক। পরে নথিসহ জামিন আবেদনের বিষয়টি শিশু আদালতে উত্থাপিত হলে উক্ত আদালতের বিচারকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রথম আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবীর পুলিশ রিপোর্ট (চার্জশিট) না আসা পর্যন্ত আবদুল্লাহর জামিন মঞ্জুর করেন। আবদুল্লাহর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহমুদুল আহসান লিটন।

গত বছরের ৯ নভেম্বর মিঠামইন উপজেলার চারিগ্রাম বাজার সংলগ্ন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুইদল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে ধারলো অস্ত্রাঘাত ও বল্লমের ঘায়ে একপক্ষের রাজীব ও মুকুল ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ব্যাপারে মো. সুজন মিয়া বাদী হয়ে ৮৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামি করে মিঠামইন থানায় একটি মামলা দয়ের করেন।

মিঠামইন থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, বাদী পক্ষের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণত প্রাথমিক তথ্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় আসামিদের নাম-ঠিকানা কিংবা বয়স যাচাই-বাছাই করার সুযোগ থাকে না। তদন্তে বৈসাদৃশ্য ধরা পড়লে তখন সংশোধন করে আদালতে চার্জশিট অথবা ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়।