ঢাকা ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা নিধনে প্রচারমাধ্যম ফেসবুক, দায় স্বীকার জাকারবার্গের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা নিধনে প্রচারমাধ্যম হিসেবে ‘ফেসবুক’ ব্যবহৃত হওয়ার অভিযোগ স্বীকার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। তিনি বলেছেন, মুসলিম ও রোহিঙ্গা বিদ্বেষ উসকে দিতে এবং প্রণোদনা যোগানোর কাজে মিয়ানমারে ফেসবুক ব্যবহার করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভক্সকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞে ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে। এ প্রেক্ষিতে ফেসবুক প্রধান মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনে প্রচারণার হাতিয়ার হিসাবে ফেসবুক ব্যবহার হয়েছে বলে স্বীকার করলেন।

ভক্সকে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ফেসবুকের মাধ্যমে ভুয়া খবরগুলো উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধন ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপেও ফেসবুককে ব্যবহার করা হয়েছে।’

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মিয়ানমার ইস্যুটিকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে নিয়েছে দাবি করে মার্ক জাকারবার্গ বলেন, ‘আমাদের অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনে ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছিল। এর মূল লক্ষ্য ছিল সহিসংতা উস্কে দেওয়া।’

পৃথিবীকে বাস্তবিক হুমকির মুখে ঠেলে দিতে ফেসবুককে ব্যবহার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, মিথ্যা প্রচারণা আর ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য বন্ধে ফেসবুকের টুলসগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করছে তার প্রতিষ্ঠান। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এব সংকট নিরসনের চেষ্টা করছে বলেও জানান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির কর্ণধার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

রোহিঙ্গা নিধনে প্রচারমাধ্যম ফেসবুক, দায় স্বীকার জাকারবার্গের

আপডেট সময় ১০:০১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা নিধনে প্রচারমাধ্যম হিসেবে ‘ফেসবুক’ ব্যবহৃত হওয়ার অভিযোগ স্বীকার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। তিনি বলেছেন, মুসলিম ও রোহিঙ্গা বিদ্বেষ উসকে দিতে এবং প্রণোদনা যোগানোর কাজে মিয়ানমারে ফেসবুক ব্যবহার করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভক্সকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞে ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে। এ প্রেক্ষিতে ফেসবুক প্রধান মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনে প্রচারণার হাতিয়ার হিসাবে ফেসবুক ব্যবহার হয়েছে বলে স্বীকার করলেন।

ভক্সকে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ফেসবুকের মাধ্যমে ভুয়া খবরগুলো উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধন ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপেও ফেসবুককে ব্যবহার করা হয়েছে।’

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মিয়ানমার ইস্যুটিকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে নিয়েছে দাবি করে মার্ক জাকারবার্গ বলেন, ‘আমাদের অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনে ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছিল। এর মূল লক্ষ্য ছিল সহিসংতা উস্কে দেওয়া।’

পৃথিবীকে বাস্তবিক হুমকির মুখে ঠেলে দিতে ফেসবুককে ব্যবহার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, মিথ্যা প্রচারণা আর ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য বন্ধে ফেসবুকের টুলসগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করছে তার প্রতিষ্ঠান। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এব সংকট নিরসনের চেষ্টা করছে বলেও জানান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির কর্ণধার।