ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী ডিসইনফরমেশনভিত্তিক ফটোকার্ড এলাও করবো না : জাহেদ উর রহমান ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল দূষণের হাত থেকে নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হত্যার সরঞ্জাম কেনেন অনলাইনে, গুমের উপায় খোঁজেন চ্যাটজিপিটিতে লোহাগাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে মাইক্রোবাস, নিহত ৩ রাজধানীতর একটি বাসা থেকে নারী আনসার সদস্যের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার তারা কার্ডের বড়াই করে, ইরান তো কিছু কার্ড ব্যবহারই করেনি: গালিবাফ

শহিদ কাপুরকে যে কারণে রাতে বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি তার স্ত্রী

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

শহিদ কাপুরকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন তার স্ত্রী মীরা রাজপুত। ভাবছেন, শাহিদ-মীরাকে বি-টাউনের অন্যতম ‘লাভ-কাপল’ বলা হলে তাদের মধ্যে এমনটা হওয়া সম্ভব নয়। অসম্ভব মনে হলেও এটি সত্যি ঘটনা।

জানা গেছে, ‘পদ্মাবত’ ছবির শুটিংয়ের সময় কাজ শেষ করে শহিদ বাড়ি ফিরতেন সকাল ৮টায়। দুপুর প্রায় দুটো পর্যন্ত ঘুমোতেন শাহিদ। শুটিংয়ের কঠিন শিডিউল ছিল সেই সময়। ফলে সকাল ৮টা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত যাতে শাহিদ ঘুমোতে পারেন, সেই চেষ্টাই করতেন মীরা।

কিন্তু,শহিদ কন্যা মিশা সেই সময় খেলতে শুরু করত। শহিদের ঘরে গিয়েই চলত তার খেলা। মীরা অনেক চেষ্টা করেও মেয়েকেও থামাতে পারতেন না। যার জেরে শাহিদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটত। শহিদের যাতে কাজের ক্ষতি না হয়, সেই কারণেই তাকে বাড়িতে নয় হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেন মীরা ৷ সেই কারণে গুরুগ্রামের একটি পাঁচতারা হোটেলে শহিদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল ৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক

শহিদ কাপুরকে যে কারণে রাতে বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি তার স্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

শহিদ কাপুরকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন তার স্ত্রী মীরা রাজপুত। ভাবছেন, শাহিদ-মীরাকে বি-টাউনের অন্যতম ‘লাভ-কাপল’ বলা হলে তাদের মধ্যে এমনটা হওয়া সম্ভব নয়। অসম্ভব মনে হলেও এটি সত্যি ঘটনা।

জানা গেছে, ‘পদ্মাবত’ ছবির শুটিংয়ের সময় কাজ শেষ করে শহিদ বাড়ি ফিরতেন সকাল ৮টায়। দুপুর প্রায় দুটো পর্যন্ত ঘুমোতেন শাহিদ। শুটিংয়ের কঠিন শিডিউল ছিল সেই সময়। ফলে সকাল ৮টা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত যাতে শাহিদ ঘুমোতে পারেন, সেই চেষ্টাই করতেন মীরা।

কিন্তু,শহিদ কন্যা মিশা সেই সময় খেলতে শুরু করত। শহিদের ঘরে গিয়েই চলত তার খেলা। মীরা অনেক চেষ্টা করেও মেয়েকেও থামাতে পারতেন না। যার জেরে শাহিদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটত। শহিদের যাতে কাজের ক্ষতি না হয়, সেই কারণেই তাকে বাড়িতে নয় হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেন মীরা ৷ সেই কারণে গুরুগ্রামের একটি পাঁচতারা হোটেলে শহিদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল ৷