ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

এ কে আজাদের বাড়ি ভাঙছে রাজউক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অনুমোদিত নকশা ছাড়া বানানোর অভিযোগে হা-মিম গ্রুপের মালিক এ কে আজাদের গুলশানের বাড়ি ভাঙতে শুরু করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

মঙ্গলবার সকাল নয়টা থেকে রাজউকের পরিচালক অলিউর রহমানের নেতৃত্বে গুলশানের ৮৬ নম্বর সড়কের ১ নম্বর বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলা অভিযানে বাড়ির সামনের দেয়াল, গাড়ি বারান্দা ও একটি ব্যালকনির কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়। তবে পুরো বাড়িটিই ভাঙা হবে বলে জানিয়েছেন অলিউর রহমান।

সকাল থেকেই স্কেভেটরসহ বিভিন্ন যন্ত্র দিয়ে বাড়িটির প্রবেশমুখ থেকে ভাঙা শুরু করে। অভিযানের আগে সকালে বাড়ির বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন সেবা সার্ভিসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে বাড়িতে আসবাবপত্রসহ যাবতীয় মালামাল রয়েছে। সেগুলো বের করা হয়নি।

রাজউক কর্মকর্তা অলিউর রহমান জানান, পুরো বাড়িটা বানানো হয়েছে রাজউকের নকশা ছাড়া। অভিযানকারী দলকে আজাদের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি কাঠামোগত নকশা দেখানো হলেও সেটি রাজউকের অনুমোদিত নয়।

অলিউর রহমান আরও জানান, ভবনের মালিকের কাছ ‌থেকে রাজউকের কর্মকর্তা অনুম‌দিত নকশা চাইলেও তারা দেখাতে পারেনি। তাই নিয়‌মিত অভিযান হিসেবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এই ভবন উচ্ছেদ করা হচ্ছে। ভবনের মালিক কে তা দেখার বিষয় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজউকের একজন কর্মকর্তা জানান, বাড়িটি ১৯৬৪ সালে নির্মিত। একসময় এখানে স্কুল ছিল। বাড়িটি দুই বিঘা জমির ওপর নির্মিত। এ কে আজাদ ১০/১২ বছর আগে বাড়িটি কেনেন বলে জানা গেছে। কিন্তু বাড়িটি কেনার পর তিনি নিজের নামে রেকর্ড করতে পারেননি।

রাজউক কর্মকর্তা জানান, এই বাড়িটির বিষয়ে এ কে আজাদকে নোটিশ দিলেও তিনি জবাব দেননি। অভিযান চলাকালে এ কে আজাদ এসে রাজউক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তবে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি।

রাজধানীতে বাড়ি করতে হলে রাজউক থেকে নকশা অনুমোদন করিয়ে নিতে হয়। কিন্তু বহু বাড়ির মালিকই এটি করেন না বলে তথ্য আছে। আর এদের মধ্যে প্রভাবশালীরাও রয়েছেন। মাঝেমধ্যে রাজউক অভিযান চালিয়ে কিছু বাড়ি বা বাড়ির অংশবিশেষ ভেঙেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

এ কে আজাদের বাড়ি ভাঙছে রাজউক

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অনুমোদিত নকশা ছাড়া বানানোর অভিযোগে হা-মিম গ্রুপের মালিক এ কে আজাদের গুলশানের বাড়ি ভাঙতে শুরু করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

মঙ্গলবার সকাল নয়টা থেকে রাজউকের পরিচালক অলিউর রহমানের নেতৃত্বে গুলশানের ৮৬ নম্বর সড়কের ১ নম্বর বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলা অভিযানে বাড়ির সামনের দেয়াল, গাড়ি বারান্দা ও একটি ব্যালকনির কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়। তবে পুরো বাড়িটিই ভাঙা হবে বলে জানিয়েছেন অলিউর রহমান।

সকাল থেকেই স্কেভেটরসহ বিভিন্ন যন্ত্র দিয়ে বাড়িটির প্রবেশমুখ থেকে ভাঙা শুরু করে। অভিযানের আগে সকালে বাড়ির বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন সেবা সার্ভিসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে বাড়িতে আসবাবপত্রসহ যাবতীয় মালামাল রয়েছে। সেগুলো বের করা হয়নি।

রাজউক কর্মকর্তা অলিউর রহমান জানান, পুরো বাড়িটা বানানো হয়েছে রাজউকের নকশা ছাড়া। অভিযানকারী দলকে আজাদের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি কাঠামোগত নকশা দেখানো হলেও সেটি রাজউকের অনুমোদিত নয়।

অলিউর রহমান আরও জানান, ভবনের মালিকের কাছ ‌থেকে রাজউকের কর্মকর্তা অনুম‌দিত নকশা চাইলেও তারা দেখাতে পারেনি। তাই নিয়‌মিত অভিযান হিসেবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এই ভবন উচ্ছেদ করা হচ্ছে। ভবনের মালিক কে তা দেখার বিষয় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজউকের একজন কর্মকর্তা জানান, বাড়িটি ১৯৬৪ সালে নির্মিত। একসময় এখানে স্কুল ছিল। বাড়িটি দুই বিঘা জমির ওপর নির্মিত। এ কে আজাদ ১০/১২ বছর আগে বাড়িটি কেনেন বলে জানা গেছে। কিন্তু বাড়িটি কেনার পর তিনি নিজের নামে রেকর্ড করতে পারেননি।

রাজউক কর্মকর্তা জানান, এই বাড়িটির বিষয়ে এ কে আজাদকে নোটিশ দিলেও তিনি জবাব দেননি। অভিযান চলাকালে এ কে আজাদ এসে রাজউক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তবে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি।

রাজধানীতে বাড়ি করতে হলে রাজউক থেকে নকশা অনুমোদন করিয়ে নিতে হয়। কিন্তু বহু বাড়ির মালিকই এটি করেন না বলে তথ্য আছে। আর এদের মধ্যে প্রভাবশালীরাও রয়েছেন। মাঝেমধ্যে রাজউক অভিযান চালিয়ে কিছু বাড়ি বা বাড়ির অংশবিশেষ ভেঙেছে।