ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

তাচ্ছিল্যকারীদের চপেটাঘাত করেছে বাঙালিরা: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাঙালিকে যারা তাচ্ছিল্য করেছে তারা এর জবাব পেয়ে গেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলাদেশ এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

সোমবার রাজধানীতে শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ‘শান্তি’ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করতে এসে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বাংলাদেশকে জাতিসংঘের উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা এ দেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে তাচ্ছিল্য করেছে; তাদের বাঙালি চপেটাঘাত করতে পেরেছে।… রংতুলিতে সেযেন মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের গাঁথা যেন গেয়ে চলে।’

শিল্পী শাহাবুদ্দিনকে ছোট ভাই সম্বোধন করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সে (শাহাবুদ্দিন) মুক্তিযুদ্ধকে গর্ব আর বঙ্গবন্ধু আর্দশ মেনে চিত্রকলার চর্চার করে চলেছে।’

শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ এক মন্ত্রমুগ্ধকর চিত্রকর। তার চিত্রে মূর্তমান হয়ে উঠে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধু। আর সেই টানেই তার প্রদর্শনীর উদ্বোধন করতে ছুটে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শাহাবুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাকে আমি ছোট থেকেই চিনি, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জানতাম। আমরা থাকতাম পাশাপাশি। আমরা ধানমন্ডিতে আর ও কলাবাগানে। তার বহু চিত্রকর্ম আমার দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। সে বাংলাদেশের জন্য বিশাল সম্পদ। সবচেয়ে বড় কথা সে একজন মুক্তিযোদ্ধা। তার এই পরিচয় তুলির আঁচড়ে সে নিয়মিত প্রকাশ করে চলেছেন।’

নিজের প্রবাস জীবনে শাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের বর্ণনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৮০ সালে আমি ও রেহানা (শেখ রেহানা) যখন লন্ডনে তখন শাহাবুদ্দিন আমাকে ফোন করে দেখা করতে এসেছিল। ওই সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাজ্যের সর্বদলীয় একটি কমিটির সভায় আমি প্রথম রাজনৈতিক বক্তৃতা দেই। যে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি ছিল। কাঠ পুড়িয়ে কয়লা, কাগজ পুড়িয়ে ছাই এবং পেস্টের মিশেলে শাহাবুদ্দিন সেই ছবিটি এঁকেছিল।’

‘এটাই প্রমাণ করে ও একজন প্রকৃত শিল্পী। যে কি না যেকোন উপাদান দিয়ে ছবি আঁকতে পারে। ওকে ছোট ভাই হিসেবে আমি ও রেহানা সব সময় স্নেহ করি।’

নিজের রাজনৈতিক জীবনে জনগণকে পাশে পেয়েছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাবা-মা-ভাই-আত্মীয়স্বজন সবাইকে হারিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় এদেশে এসেছিলাম। কিন্তু ধন্যবাদ সাধারণ জনগণকে। তাদের যে আদর স্নেহ পেয়েছি, সেটাই আমাকে শক্তি জুগিয়েছে।’

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রীকে ‘আপা’ সম্বোধন করে বলেন, ‘আপা জানতে চেয়েছিলেন, ফিগারেটিভ ও অ্যাবস্ট্রাক চিত্রকর্মের পার্থক্য কী? তার জবাবে আমি বলছি, ‘আমি ছাড়া মঞ্চে কেউই শিল্পী নন, এটাই অ্যাবস্ট্রাক। তিনি আমাকে ভালোবেসেই আমাদের প্রদর্শনীর উদ্বোধন করতে এসেছেন।’

‘আমার জীবনের তিনটি দিক আছে; ছবি আঁকা, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে প্যারিসে যাওয়ার আগে দেশে দুর্ভিক্ষ চলছিল। সে সময় আমি ২৭ হাজার টাকা সংগ্রহ করে তার তহবিলে দেওয়ার জন্য চেক দিতে গিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, এ টাকা তোর বাবারে দে। আমি তাকে জোর করে চেকটা দেই। সে সময় তার চোখ দিয়ে পানি বেরিয়েছিল। সেটাই ছিল তার সঙ্গে আমার শেষ সাক্ষাত। তিনি রাজনীতিবিদ নন, কারণ, রাজনীতিবিদরা কাঁদতে পারেন না। তিনি ছিলেন মানুষ।’

লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর প্রেরণায় শিল্পী শাহাবুদ্দিন দেশের বাইরে গিয়েছিলেন। প্রবাসে থাকলেও, তার চেতনায় তার মাতৃভূমি।’

স্মিতা বাজেরিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও মহাত্মা গান্ধী তার ছবিতে অমরত্ব পেয়েছে। ভারতের স্বাধীকার আদায়ের লড়াই ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে তিনি এক সুঁতোয় গেঁথেছেন।’

প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয় শাহাবুদ্দিন আহমেদের জীবন নিয়ে অজয় রায় নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘কালার অফ ফ্রিডম’র অংশ বিশেষ। সে সঙ্গে ছিল শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

সর্বমোট ৩২টি চিত্রকর্ম নিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রদর্শনী। গতকাল থেকে শুরু হতে হওয়া মাসব্যাপী এ প্রদর্শনী আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এর আগে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় কলকাতায় শাহাবুদ্দিন আহমেদের ‘শান্তি’ শিরোনামের এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছিলেন। পরবর্তীতে ভারতের মুম্বাইতেও একই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সৌদি আরবকে সহায়তার ঘোষণা বাংলাদেশের

তাচ্ছিল্যকারীদের চপেটাঘাত করেছে বাঙালিরা: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাঙালিকে যারা তাচ্ছিল্য করেছে তারা এর জবাব পেয়ে গেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলাদেশ এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

সোমবার রাজধানীতে শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ‘শান্তি’ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করতে এসে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বাংলাদেশকে জাতিসংঘের উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা এ দেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে তাচ্ছিল্য করেছে; তাদের বাঙালি চপেটাঘাত করতে পেরেছে।… রংতুলিতে সেযেন মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের গাঁথা যেন গেয়ে চলে।’

শিল্পী শাহাবুদ্দিনকে ছোট ভাই সম্বোধন করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সে (শাহাবুদ্দিন) মুক্তিযুদ্ধকে গর্ব আর বঙ্গবন্ধু আর্দশ মেনে চিত্রকলার চর্চার করে চলেছে।’

শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ এক মন্ত্রমুগ্ধকর চিত্রকর। তার চিত্রে মূর্তমান হয়ে উঠে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধু। আর সেই টানেই তার প্রদর্শনীর উদ্বোধন করতে ছুটে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শাহাবুদ্দিন আহমেদের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাকে আমি ছোট থেকেই চিনি, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জানতাম। আমরা থাকতাম পাশাপাশি। আমরা ধানমন্ডিতে আর ও কলাবাগানে। তার বহু চিত্রকর্ম আমার দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। সে বাংলাদেশের জন্য বিশাল সম্পদ। সবচেয়ে বড় কথা সে একজন মুক্তিযোদ্ধা। তার এই পরিচয় তুলির আঁচড়ে সে নিয়মিত প্রকাশ করে চলেছেন।’

নিজের প্রবাস জীবনে শাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের বর্ণনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৮০ সালে আমি ও রেহানা (শেখ রেহানা) যখন লন্ডনে তখন শাহাবুদ্দিন আমাকে ফোন করে দেখা করতে এসেছিল। ওই সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাজ্যের সর্বদলীয় একটি কমিটির সভায় আমি প্রথম রাজনৈতিক বক্তৃতা দেই। যে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি ছিল। কাঠ পুড়িয়ে কয়লা, কাগজ পুড়িয়ে ছাই এবং পেস্টের মিশেলে শাহাবুদ্দিন সেই ছবিটি এঁকেছিল।’

‘এটাই প্রমাণ করে ও একজন প্রকৃত শিল্পী। যে কি না যেকোন উপাদান দিয়ে ছবি আঁকতে পারে। ওকে ছোট ভাই হিসেবে আমি ও রেহানা সব সময় স্নেহ করি।’

নিজের রাজনৈতিক জীবনে জনগণকে পাশে পেয়েছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাবা-মা-ভাই-আত্মীয়স্বজন সবাইকে হারিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় এদেশে এসেছিলাম। কিন্তু ধন্যবাদ সাধারণ জনগণকে। তাদের যে আদর স্নেহ পেয়েছি, সেটাই আমাকে শক্তি জুগিয়েছে।’

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রীকে ‘আপা’ সম্বোধন করে বলেন, ‘আপা জানতে চেয়েছিলেন, ফিগারেটিভ ও অ্যাবস্ট্রাক চিত্রকর্মের পার্থক্য কী? তার জবাবে আমি বলছি, ‘আমি ছাড়া মঞ্চে কেউই শিল্পী নন, এটাই অ্যাবস্ট্রাক। তিনি আমাকে ভালোবেসেই আমাদের প্রদর্শনীর উদ্বোধন করতে এসেছেন।’

‘আমার জীবনের তিনটি দিক আছে; ছবি আঁকা, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে প্যারিসে যাওয়ার আগে দেশে দুর্ভিক্ষ চলছিল। সে সময় আমি ২৭ হাজার টাকা সংগ্রহ করে তার তহবিলে দেওয়ার জন্য চেক দিতে গিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, এ টাকা তোর বাবারে দে। আমি তাকে জোর করে চেকটা দেই। সে সময় তার চোখ দিয়ে পানি বেরিয়েছিল। সেটাই ছিল তার সঙ্গে আমার শেষ সাক্ষাত। তিনি রাজনীতিবিদ নন, কারণ, রাজনীতিবিদরা কাঁদতে পারেন না। তিনি ছিলেন মানুষ।’

লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর প্রেরণায় শিল্পী শাহাবুদ্দিন দেশের বাইরে গিয়েছিলেন। প্রবাসে থাকলেও, তার চেতনায় তার মাতৃভূমি।’

স্মিতা বাজেরিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও মহাত্মা গান্ধী তার ছবিতে অমরত্ব পেয়েছে। ভারতের স্বাধীকার আদায়ের লড়াই ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে তিনি এক সুঁতোয় গেঁথেছেন।’

প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয় শাহাবুদ্দিন আহমেদের জীবন নিয়ে অজয় রায় নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘কালার অফ ফ্রিডম’র অংশ বিশেষ। সে সঙ্গে ছিল শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী গ্যালারিতে প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

সর্বমোট ৩২টি চিত্রকর্ম নিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রদর্শনী। গতকাল থেকে শুরু হতে হওয়া মাসব্যাপী এ প্রদর্শনী আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এর আগে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় কলকাতায় শাহাবুদ্দিন আহমেদের ‘শান্তি’ শিরোনামের এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছিলেন। পরবর্তীতে ভারতের মুম্বাইতেও একই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছিল।