ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

জিএসপি সুবিধা ২০২৭ সাল পর্যন্ত: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র পেলেও বাংলাদেশ ২০২৭ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকার বাজার সুবিধা বা জিএসপি পাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

জাতিসংঘের স্বীকৃতিপত্র পাওয়ার পর দিন রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তোফায়েল।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এলডিসি সুবিধায় থাকা দেশগলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং ঋণের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পায়। এর মধ্যে আছে জিএসপি সুবিধা, কম সুদে ঋণ প্রভৃতি। তবে আবার ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি শর্তও থাকে এলডিসি দেশের জন্য।

জাতিসংঘ ১৭ মার্চ বাংলাদেশকে যে স্বীকৃতিপত্র দিয়েছে সেটির উত্তরণ প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০২৪ সালে। তবে এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ যেসব সুবিধা পায় সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে আসছেন অর্থনীতিবিদরা। আর এই উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ বলেই জানিয়ে আসছেন তারা।

তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘২০২৪ সালে আমরা পুরোপুরি এলডিসি থেকে উৎরিয়ে যাব। তারপরও যেসব দেশ আমাদের জিএসপি (অগ্রাধিকারমূলক বাজার-সুবিধা) দেয় তারা ২০২৭ সাল এ পর্যন্ত সুবিধা দেবে। এরপর ওইসব দেশ জিএসপি প্লাস সুবিধা দেবে। এ বিষয়ে সেসব দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যেসব দেশ বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেয় না তাদের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি করবে বাংলাদেশ এ জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’

বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে কি না-জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ তথ্যটা ভুল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি হচ্ছে। এর মানেই হচ্ছে দেশে বিনিয়োগ বাড়ছে।’

এ সময় বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মসূচির প্রশংসাও করেন তোফায়েল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে বিএনপি যেসব কর্মসূচি পালন করছে তার প্রতিটিই শান্তিপূর্ণ।

তবে ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে নির্বাচন ঠেকাতে এবং সরকার পতনের দবিতে বিএনপির নানা কর্মসূচিতে নজিরবিহীন সহিংসতা হয়েছে। এই বিষয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বর্তমানে সেটি বিরাজ করছে। বিএনপি তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই আদালতের রায়ে তাদের নেত্রী কারাগারে থাকার পরও তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে এটা ভাল দিক।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জিএসপি সুবিধা ২০২৭ সাল পর্যন্ত: তোফায়েল

আপডেট সময় ০৯:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র পেলেও বাংলাদেশ ২০২৭ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকার বাজার সুবিধা বা জিএসপি পাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

জাতিসংঘের স্বীকৃতিপত্র পাওয়ার পর দিন রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তোফায়েল।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এলডিসি সুবিধায় থাকা দেশগলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং ঋণের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পায়। এর মধ্যে আছে জিএসপি সুবিধা, কম সুদে ঋণ প্রভৃতি। তবে আবার ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি শর্তও থাকে এলডিসি দেশের জন্য।

জাতিসংঘ ১৭ মার্চ বাংলাদেশকে যে স্বীকৃতিপত্র দিয়েছে সেটির উত্তরণ প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০২৪ সালে। তবে এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ যেসব সুবিধা পায় সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে আসছেন অর্থনীতিবিদরা। আর এই উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ বলেই জানিয়ে আসছেন তারা।

তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘২০২৪ সালে আমরা পুরোপুরি এলডিসি থেকে উৎরিয়ে যাব। তারপরও যেসব দেশ আমাদের জিএসপি (অগ্রাধিকারমূলক বাজার-সুবিধা) দেয় তারা ২০২৭ সাল এ পর্যন্ত সুবিধা দেবে। এরপর ওইসব দেশ জিএসপি প্লাস সুবিধা দেবে। এ বিষয়ে সেসব দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যেসব দেশ বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেয় না তাদের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি করবে বাংলাদেশ এ জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’

বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে কি না-জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ তথ্যটা ভুল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি হচ্ছে। এর মানেই হচ্ছে দেশে বিনিয়োগ বাড়ছে।’

এ সময় বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মসূচির প্রশংসাও করেন তোফায়েল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে বিএনপি যেসব কর্মসূচি পালন করছে তার প্রতিটিই শান্তিপূর্ণ।

তবে ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে নির্বাচন ঠেকাতে এবং সরকার পতনের দবিতে বিএনপির নানা কর্মসূচিতে নজিরবিহীন সহিংসতা হয়েছে। এই বিষয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বর্তমানে সেটি বিরাজ করছে। বিএনপি তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই আদালতের রায়ে তাদের নেত্রী কারাগারে থাকার পরও তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে এটা ভাল দিক।’