ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জিএসপি সুবিধা ২০২৭ সাল পর্যন্ত: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র পেলেও বাংলাদেশ ২০২৭ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকার বাজার সুবিধা বা জিএসপি পাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

জাতিসংঘের স্বীকৃতিপত্র পাওয়ার পর দিন রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তোফায়েল।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এলডিসি সুবিধায় থাকা দেশগলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং ঋণের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পায়। এর মধ্যে আছে জিএসপি সুবিধা, কম সুদে ঋণ প্রভৃতি। তবে আবার ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি শর্তও থাকে এলডিসি দেশের জন্য।

জাতিসংঘ ১৭ মার্চ বাংলাদেশকে যে স্বীকৃতিপত্র দিয়েছে সেটির উত্তরণ প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০২৪ সালে। তবে এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ যেসব সুবিধা পায় সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে আসছেন অর্থনীতিবিদরা। আর এই উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ বলেই জানিয়ে আসছেন তারা।

তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘২০২৪ সালে আমরা পুরোপুরি এলডিসি থেকে উৎরিয়ে যাব। তারপরও যেসব দেশ আমাদের জিএসপি (অগ্রাধিকারমূলক বাজার-সুবিধা) দেয় তারা ২০২৭ সাল এ পর্যন্ত সুবিধা দেবে। এরপর ওইসব দেশ জিএসপি প্লাস সুবিধা দেবে। এ বিষয়ে সেসব দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যেসব দেশ বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেয় না তাদের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি করবে বাংলাদেশ এ জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’

বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে কি না-জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ তথ্যটা ভুল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি হচ্ছে। এর মানেই হচ্ছে দেশে বিনিয়োগ বাড়ছে।’

এ সময় বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মসূচির প্রশংসাও করেন তোফায়েল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে বিএনপি যেসব কর্মসূচি পালন করছে তার প্রতিটিই শান্তিপূর্ণ।

তবে ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে নির্বাচন ঠেকাতে এবং সরকার পতনের দবিতে বিএনপির নানা কর্মসূচিতে নজিরবিহীন সহিংসতা হয়েছে। এই বিষয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বর্তমানে সেটি বিরাজ করছে। বিএনপি তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই আদালতের রায়ে তাদের নেত্রী কারাগারে থাকার পরও তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে এটা ভাল দিক।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জিএসপি সুবিধা ২০২৭ সাল পর্যন্ত: তোফায়েল

আপডেট সময় ০৯:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতিপত্র পেলেও বাংলাদেশ ২০২৭ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকার বাজার সুবিধা বা জিএসপি পাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

জাতিসংঘের স্বীকৃতিপত্র পাওয়ার পর দিন রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তোফায়েল।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এলডিসি সুবিধায় থাকা দেশগলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং ঋণের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পায়। এর মধ্যে আছে জিএসপি সুবিধা, কম সুদে ঋণ প্রভৃতি। তবে আবার ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশি শর্তও থাকে এলডিসি দেশের জন্য।

জাতিসংঘ ১৭ মার্চ বাংলাদেশকে যে স্বীকৃতিপত্র দিয়েছে সেটির উত্তরণ প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০২৪ সালে। তবে এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ যেসব সুবিধা পায় সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে আসছেন অর্থনীতিবিদরা। আর এই উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ বলেই জানিয়ে আসছেন তারা।

তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘২০২৪ সালে আমরা পুরোপুরি এলডিসি থেকে উৎরিয়ে যাব। তারপরও যেসব দেশ আমাদের জিএসপি (অগ্রাধিকারমূলক বাজার-সুবিধা) দেয় তারা ২০২৭ সাল এ পর্যন্ত সুবিধা দেবে। এরপর ওইসব দেশ জিএসপি প্লাস সুবিধা দেবে। এ বিষয়ে সেসব দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যেসব দেশ বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেয় না তাদের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি করবে বাংলাদেশ এ জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’

বাংলাদেশে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে কি না-জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ তথ্যটা ভুল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি হচ্ছে। এর মানেই হচ্ছে দেশে বিনিয়োগ বাড়ছে।’

এ সময় বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মসূচির প্রশংসাও করেন তোফায়েল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে বিএনপি যেসব কর্মসূচি পালন করছে তার প্রতিটিই শান্তিপূর্ণ।

তবে ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে নির্বাচন ঠেকাতে এবং সরকার পতনের দবিতে বিএনপির নানা কর্মসূচিতে নজিরবিহীন সহিংসতা হয়েছে। এই বিষয়ে তোফায়েল বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য সবার আগে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বর্তমানে সেটি বিরাজ করছে। বিএনপি তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই আদালতের রায়ে তাদের নেত্রী কারাগারে থাকার পরও তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে এটা ভাল দিক।’