ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০ ‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রোববার

পরীক্ষায় পাসের বিনিময়ে প্রিন্সিপাল ছাত্রীকে ধর্ষণ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাবালিকা এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্কুল প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ভারতের দিল্লিসংলগ্ন হরিয়ানার সোনীপতে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত প্রিন্সিপালসহ ঘটনায় মদদ দেয়ার অভিযোগে আরও দুই নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার রাত থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোনীপতের গোহানা শহরের কাছে একটি বাড়িতে তার ১৬ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই কিশোরীর বাবা। মঙ্গলবার ছাত্রীটির দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। প্রিন্সিপালের প্রস্তাব মতো তাকে ১০ হাজার টাকা ঘুষও দিতে রাজি ছিলেন ওই ছাত্রীর বাবা।

পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, “গত ৮ মার্চ আমাকে ফোন করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল। গোহানার কাছেই একটি স্কুলে আমাদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। মেয়েকে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ চান। তা দিতেও রাজি ছিলাম। পরীক্ষার দিন আমার মেয়েকে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে যেতে বলেন প্রিন্সিপাল। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, আমার মেয়ের বদলে তার হয়ে অন্য কেউ শারীরবিদ্যার পরীক্ষা দেবে।”

প্রিন্সিপালের কথামতো মঙ্গলবার ওই বাড়িতে মেয়েকে রেখে আসেন ছাত্রীর বাবা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেখানে যান তিনি। সে সময় বাবার কাছে ওই কিশোরী অভিযোগ করে, তাকে ধর্ষণ করেছেন প্রিন্সিপাল। এতে মদদ রয়েছে ওই বাড়ির দুই মহিলারও। তিনি মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সময়ই প্রিন্সিপালসহ দুই নারী যেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এরপর পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ছাত্রীর বাবা। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তবে কেন তিনি ওই বাড়িতে মেয়েকে রেখে দিতে রাজি হলেন, তা নিয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি কিশোরীর বাবা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম

পরীক্ষায় পাসের বিনিময়ে প্রিন্সিপাল ছাত্রীকে ধর্ষণ

আপডেট সময় ০৮:২৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাবালিকা এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্কুল প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ভারতের দিল্লিসংলগ্ন হরিয়ানার সোনীপতে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত প্রিন্সিপালসহ ঘটনায় মদদ দেয়ার অভিযোগে আরও দুই নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার রাত থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোনীপতের গোহানা শহরের কাছে একটি বাড়িতে তার ১৬ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই কিশোরীর বাবা। মঙ্গলবার ছাত্রীটির দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। প্রিন্সিপালের প্রস্তাব মতো তাকে ১০ হাজার টাকা ঘুষও দিতে রাজি ছিলেন ওই ছাত্রীর বাবা।

পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, “গত ৮ মার্চ আমাকে ফোন করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল। গোহানার কাছেই একটি স্কুলে আমাদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। মেয়েকে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ চান। তা দিতেও রাজি ছিলাম। পরীক্ষার দিন আমার মেয়েকে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে যেতে বলেন প্রিন্সিপাল। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, আমার মেয়ের বদলে তার হয়ে অন্য কেউ শারীরবিদ্যার পরীক্ষা দেবে।”

প্রিন্সিপালের কথামতো মঙ্গলবার ওই বাড়িতে মেয়েকে রেখে আসেন ছাত্রীর বাবা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেখানে যান তিনি। সে সময় বাবার কাছে ওই কিশোরী অভিযোগ করে, তাকে ধর্ষণ করেছেন প্রিন্সিপাল। এতে মদদ রয়েছে ওই বাড়ির দুই মহিলারও। তিনি মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সময়ই প্রিন্সিপালসহ দুই নারী যেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এরপর পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ছাত্রীর বাবা। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তবে কেন তিনি ওই বাড়িতে মেয়েকে রেখে দিতে রাজি হলেন, তা নিয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি কিশোরীর বাবা।