ঢাকা ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

পরীক্ষায় পাসের বিনিময়ে প্রিন্সিপাল ছাত্রীকে ধর্ষণ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাবালিকা এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্কুল প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ভারতের দিল্লিসংলগ্ন হরিয়ানার সোনীপতে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত প্রিন্সিপালসহ ঘটনায় মদদ দেয়ার অভিযোগে আরও দুই নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার রাত থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোনীপতের গোহানা শহরের কাছে একটি বাড়িতে তার ১৬ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই কিশোরীর বাবা। মঙ্গলবার ছাত্রীটির দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। প্রিন্সিপালের প্রস্তাব মতো তাকে ১০ হাজার টাকা ঘুষও দিতে রাজি ছিলেন ওই ছাত্রীর বাবা।

পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, “গত ৮ মার্চ আমাকে ফোন করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল। গোহানার কাছেই একটি স্কুলে আমাদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। মেয়েকে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ চান। তা দিতেও রাজি ছিলাম। পরীক্ষার দিন আমার মেয়েকে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে যেতে বলেন প্রিন্সিপাল। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, আমার মেয়ের বদলে তার হয়ে অন্য কেউ শারীরবিদ্যার পরীক্ষা দেবে।”

প্রিন্সিপালের কথামতো মঙ্গলবার ওই বাড়িতে মেয়েকে রেখে আসেন ছাত্রীর বাবা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেখানে যান তিনি। সে সময় বাবার কাছে ওই কিশোরী অভিযোগ করে, তাকে ধর্ষণ করেছেন প্রিন্সিপাল। এতে মদদ রয়েছে ওই বাড়ির দুই মহিলারও। তিনি মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সময়ই প্রিন্সিপালসহ দুই নারী যেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এরপর পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ছাত্রীর বাবা। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তবে কেন তিনি ওই বাড়িতে মেয়েকে রেখে দিতে রাজি হলেন, তা নিয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি কিশোরীর বাবা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

পরীক্ষায় পাসের বিনিময়ে প্রিন্সিপাল ছাত্রীকে ধর্ষণ

আপডেট সময় ০৮:২৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাবালিকা এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্কুল প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ভারতের দিল্লিসংলগ্ন হরিয়ানার সোনীপতে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত প্রিন্সিপালসহ ঘটনায় মদদ দেয়ার অভিযোগে আরও দুই নারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার রাত থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোনীপতের গোহানা শহরের কাছে একটি বাড়িতে তার ১৬ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই কিশোরীর বাবা। মঙ্গলবার ছাত্রীটির দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। প্রিন্সিপালের প্রস্তাব মতো তাকে ১০ হাজার টাকা ঘুষও দিতে রাজি ছিলেন ওই ছাত্রীর বাবা।

পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, “গত ৮ মার্চ আমাকে ফোন করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল। গোহানার কাছেই একটি স্কুলে আমাদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। মেয়েকে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ চান। তা দিতেও রাজি ছিলাম। পরীক্ষার দিন আমার মেয়েকে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে যেতে বলেন প্রিন্সিপাল। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, আমার মেয়ের বদলে তার হয়ে অন্য কেউ শারীরবিদ্যার পরীক্ষা দেবে।”

প্রিন্সিপালের কথামতো মঙ্গলবার ওই বাড়িতে মেয়েকে রেখে আসেন ছাত্রীর বাবা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেখানে যান তিনি। সে সময় বাবার কাছে ওই কিশোরী অভিযোগ করে, তাকে ধর্ষণ করেছেন প্রিন্সিপাল। এতে মদদ রয়েছে ওই বাড়ির দুই মহিলারও। তিনি মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সময়ই প্রিন্সিপালসহ দুই নারী যেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এরপর পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ছাত্রীর বাবা। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তবে কেন তিনি ওই বাড়িতে মেয়েকে রেখে দিতে রাজি হলেন, তা নিয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি কিশোরীর বাবা।