অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নেপালের ত্রিভুবনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশি যাত্রীদের মরদেহ ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘসূত্রিতার আশঙ্কা করছে তারা।
বুধবার সকাল ১১টায় রাজধানীর বারিধারায় ইউএস বাংলার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম এ আশঙ্কার কথা জানান।
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় বাংলাদেশের প্রশাসনকে যেভাবে দেখতে পাচ্ছি নেপালের প্রশাসনকে সেভাবে পাচ্ছি না। সরাসরি কোনো গাফিলতি লক্ষ্য করা না গেলেও তাদের আরও উদ্যোগী হওয়া উচিত। নেপালের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। নেপালের ভূমিকম্পের সময় আমরা সর্বপ্রথম এগিয়ে গেছি। এ দুর্ঘটনায় নিহতদের লাশ দ্রুত হস্তান্তরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কাম্য।’
নিহতদের মরদেহ কবে আসছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না উল্লেখ করে ইউএস বাংলার এই কর্মকর্তা বলেন, ‘ইন্টারপোল ডিভিআই মিসিং পার্সন ফরমে ১৫ পাতা রয়েছে। ফলে এটি পূরণ করাও একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এছাড়া অধিকাংশ মৃতদেহ আগুনে পুড়ে যাওয়ায় শনাক্তকরণে ডিএনএ টেস্ট করা হচ্ছে। ফলে মরদেহগুলো কবে নাগাদ আসছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না’।
নেপালের বিভিন্ন হাসপাতালে এখনো ১০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে জানিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আহতদের স্বজন যারা এখনো নেপাল যেতে পারেনি পাসপোর্ট হলে তাদের দ্রুত কাঠমান্ডু পাঠানো হবে। এছাড়া নেপাল সরকার অনুমতি দিলে আমরা গুরুতর আহতদের সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি’।
এক প্রশ্নের উত্তরে কামরুল বলেন, ‘অনেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। চিটাগাং ফ্লাইট অপারেট করার পর তিনি (ক্যাপ্টেন আবিদ) ফ্লাই করতে গেছেন। কেউ বলছে তার (পাইলট) মধ্যে বিষাদ ছিল। এসব বিভ্রান্তিকর।
একজন পাইলট টানা ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ রাখেন দাবি করে তিনি বলেন ‘আমাদের হাতে সিভিআর ও ব্ল্যাকবক্স রেকর্ড আছে। তদন্তে যে সিদ্ধান্ত আসবে ইউএস বাংলা তা মেনে নেবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















