অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
পদ্মার তলদেশের মাটির প্রকৃতি আর তার অননুমেয় আচরণের ফলে সেতুর খুঁটির নকশা পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়েছিল। অবশেষে বিশেষজ্ঞ দলের দীর্ঘ বিশ্নেষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সব অনিশ্চয়তা কেটে আলোর মুখ দেখেছে সেতুর ১৪টি খুঁটির নকশা। আগামী এপ্রিল মাসেই মাওয়া প্রান্তে এবং মাঝ পদ্মায় খুঁটি নির্মাণে পাইল ড্রাইভ কাজ শুরু করবে।
প্রকল্পের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, নতুন নকশায় প্রতিটি খুঁটির ছয়টি পাইল পদ্মার তলদেশে নরম কাদামাটির প্রায় সাত মিটার ওপরে বালুর উপযোগী স্তরে পর্যাপ্ত গভীরতায় রাখা হবে। আর মাঝখানের একটি বাড়তি পাইল কাদামাটি ভেদ করে ১৪৫ থেকে ১৫০ মিটার পর্যন্ত গভীরে চলে যাবে উপযোগী বালুর স্তর পর্যন্ত। শক্ত ও মজবুত ভিতের জন্যই পদ্মা সেতুর সব পাইল একটু বাঁকা করে ডিজাইন করা। তবে এই ১৪টি খুঁটির নিচে ছয়টি করে বাঁকা পাইলের মাঝখানে একটি বাড়তি পাইল একেবারে সোজাসুজি বসবে। এ পাইলকে বলা হচ্ছে, ভার্টিক্যাল পাইল। আর এই ভার্টিক্যাল পাইলই পদ্মা সেতুর বড় চ্যালেঞ্জটির সফল সমাধান দিয়েছে।
সংশ্নিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, প্রতিটি খুঁটির নিচে ৯৮ থেকে ১২৮ মিটার পর্যন্ত এত গভীরে পাইল বসানোর নজির বিশ্বের আর কোনো সেতুতে নেই। মূল সেতুর ৪২টি পিয়ারের (খুঁটি) মধ্যে ২৬ পিয়ারের ১৫৬টি পাইলের নকশা চূড়ান্ত থাকায় সেগুলোর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















